Ayesha Bhattacharya:”আমি হি’ন্দু না মু’স’লি’ম? ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই ধাক্কা খায়, এখানে পলিটিক্স প্রচুর হয়, আমি তো কাউকে তেল মাখাতে পারিনা, হয়ত এর ফলে কোনো ক্ষতি হয়েছে!…” বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করা নিয়ে অকপট অভিনেত্রী আয়েশা ভট্টাচার্য

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Ayesha Bhattacharya:বাংলা ধারাবাহিক ও সিনেমার পরিচিত মুখ আয়েশা ভট্টাচার্য। মাত্র চার বছর বয়সে অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন আয়েশা। শিশুশিল্পী হিসেবে টেলিজগতে পা রাখেন। এক নাচের রিয়্যালিটি শোতে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। লাইমলাইটে আসেন বেশি করে। তারপর তিনি ফের কাজ করতে শুরু করেন ধারাবাহিক, সিনেমায়। সোশাল মিডিয়াতেও তিনি ভীষণ অ্যাকটিভ। নানা ধরনের মজার-মজার ভিডিয়ো পোস্ট করেন তিনি। শুধু অভিনয় নয়,নাচেও পারদর্শী আয়েশা। অভিনয়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের নাচের মাধ্যমে মুগ্ধ করেছেন দর্শকদের। মায়ের মাধ্যমেই নাচের জগতে হাতেখড়ি আয়েশার। বর্তমানে নিজস্ব একটি ডান্স একাডেমিও আছে।

তবে ইদানিং অভিনয় থেকে একটু দূরেই তিনি। ভালো কাজের অপেক্ষায় আছেন। আয়েশার কথায় তাঁকে অনেকেই অহংকারী মনে করেন কিন্তু তিনি মোটেও সেটা নন। বরং তিনি একটু লাজুক প্রকৃতির। তাই জন্যই কি তিনি কাজ পাচ্ছেন না? নাকি ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে চলতে থাকা পলিটিক্সের কারণে তিনি কাজ পাচ্ছেন না? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে প্রশ্ন করা, এই গুটিয়ে থাকার জন্যই কি কাজ পেতে অসুবিধা হয়েছে? বা নিজের আক্ষেপ হয়েছে যে, যদি কারোর কাছে এই কাজটা চাইলে ভালো হত এমন ভেবে?

আরও পড়ুন:Surajit Sen:”সৌরভ দাস একটা চ’রি’ত্র’হী’ন ছেলে, এর বিয়ে ছয় মাসও টিকবে না…”, একসময় সৌরভকে নিয়ে এমনই কথা বলেছিলেন সুরজিৎ! আবারও একাধিক বি’স্ফো’র’ক মন্তব্য সুরজিৎ সেনের স্ত্রী রীত মন্ডলের

আয়েশা স্পষ্ট জানান, “হ্যাঁ, এটা আমার খুব হয়। আমাদের এক কথায় No work no money, তো কোনো একটা কাজ শেষ হওয়ার পর এমন নয় যে অন্য কাজের জন্য সবসময় ফোন চলে আসবে চ্যানেল বা হাউস থেকে। তো কখনও মানুষকে একটু বলতে হয় যে কাজ হলে ভালো হয়,বসে আছি। এই যে তাদেকের বলা, আমি ঠিক পরিনা। জানি না কেন, এত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে হয়ে গেছে এখনও কোথাও গিয়ে আমি লজ্জা পাই। কখনও কখনও আত্মসম্মানে লাগে আবার কখনও লজ্জাও লাগে। অনেক সময় এমনও হয়েছে আমি হয়ত কাউকে মেসেজ করি না কাজের জন্য, আমার মা হয়ত মেসেজ করে আমার হয়ে। আমি খুবই ইন্ট্রোভট তাই এই ব্যাপারটা অনেক জায়গায় মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। মানুষদের সাথে যোগাযোগ করলে আমি জানি আমারই লাভ হবে। কিন্তু পারি না। মনে হয় যে আয়েশা এইভাবে কাজ চাইছে, যদি আমার ফোনটা না ধরে, মেসেজের উত্তরটা না দেয় এগুলো আমার খারাপ লাগে। খারাপ লাগার ভয়ে আর হয়ে ওঠে না। যদি নতুন হতাম হয়ত এইসব ভাবনাগুলো আসত না। ইন্ডাস্ট্রিতে ২০টা বছর তো কম বছর নয়। পলিটিক্সও প্রচুর হয়। আমি ঠিক জানিনা, তবে এটার জন্যও হতে পারে অনেক সময় কাছ থেকে বাদ পড়েছি। অবাক হওয়ার কিছুই নেই যদি এটা হয়। কারণ আমার মতো মেয়েদের না একটু ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা কঠিন। কারণ আমি কাউকে তেল মাখাতে পারিনা। আমি সোজা সাপ্টা উত্তর দিতে পছন্দ করি। আর দ্বিতীয়ত আমি একটু নিজেকে গুটিয়ে রাখি। মানুষদের সাথে কথা বলার আগে একটু ভাবি কথা বলব কি বলব না! হয়ত এর ফলে আমার কোন ক্ষ’তি হয়েছে! আমি হয়ত সেটা বুঝতেও পারিনি। অনেক সময় কারণ মানুষের সাথে কম কথা বলি। আর যতক্ষণে বুঝি ততক্ষণই দেরি হয়ে যায়।”

আরও পড়ুন:Titas Bhowmik:চার বছর পরই হয়ে যায় বিবাহবি’চ্ছে’দ, ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তি তিতাসের

জীবনে এগিয়ে চলার পথে কি কাছের মানুষের থেকে ধাক্কা খেয়েছেন তিনি বা ইন্ডাস্ট্রির ক্ষেত্রে?
অভিনেত্রী জানান, “ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই ধাক্কা খায়। বন্ধুদের মাঝে মান-অভিমান হয়েছে, কথা বলাও বন্ধ হয়েছে। তবে সবকিছু থেকেই শিখি। আমার নাম নিয়ে খুবই দ্ব’ন্দ্বে থাকেন অনেকেই। অনেকেই জিজ্ঞেস করেন যে আয়েশা হি’ন্দু না মু’স’লি’ম! এটা আমার খুবই বি’র’ক্তি লাগে। আমার নামের মধ্যে পরিষ্কার আছে যে আয়েশা ভট্টাচার্য। তার সত্ত্বেও মানুষ কেন বলে আমি বুঝিনা। মাঝে মাঝে মজার সাথে উত্তর দিই আমার মাঝে মাঝে রেগেও উত্তর দিই।”

আরও পড়ুন:Swaralipi:স্বরলিপিকে অ’শা’লী’ন ম’ন্ত’ব্য মীরের, অ’ন্তঃ’স’ত্ত্বা অবস্থাতেই বুঝেছিলেন স্বামী সৌম্য প’র’কী’য়া’য় আ’স’ক্ত! মেয়ের জ’ন্মে’র ১১ দিন পর থেকেই খবর নেননি বাবা! অকপট স্বরলিপি

তবে সমস্ত কুমন্তব্যকে পিছনে ফেলে জীবনে আজ এগিয়ে যেতে সফল তিনি। আর এই জার্নিতে সবসময় নিজের পরিবারকে পাশে পেয়েছেন অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন:Aparajita Adhya:”সংসারে আ’র্থি’ক অন’টন চরমে,বাজারে এক ঝুড়ি লেবু নিয়ে বসব…..” টলিপাড়ার একাধিক তারকার পর এবার কি আ’র্থি’ক সংক’টের মধ্যে অপরাজিতা আঢ্য?

Leave a Comment