Sudip Sarkar: ২০২৩ সালে শুরু হয়েছিল ‘ফুলকি’ ধারাবাহিকটি। দীর্ঘ আড়াই বছরের পথচলা। ৯০০ পর্বে শেষ হল ‘ফুলকি’। চোখের জ/লে নয়, কেক কেটে হাসিমুখেই বিদায় জানাল একসঙ্গে ‘ফুলকি’র গোটা পরিবার। এই ধারাবাহিকের হাত ধরেই ছোটপর্দায় পা রেখেছিলেন অভিনেত্রী দিব্যানী মন্ডল। বিপরীতে ছিলেন অভিনেতা অভিষেক বসু। এছাড়াও ছিলেন ধারাবাহিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অভিনেতা সুদীপ সরকার। তাঁর শয়তানি বুদ্ধিতে নাজেহাল ‘ফুলকি’র গোটা পরিবার। পর্দায় সম্পর্ক যাই হোক না কেন বাস্তবে রয়েছে একে অপরের সাথে গভীর বন্ধুত্ব। একসঙ্গে কাজ করতে করতে কখন যেন একে অপরের বন্ধু হয়ে যান কলাকুশলীরা। ধারাবাহিকের সেট যেন হয়ে ওঠে অন্য এক বাড়ি।
ফুলকি শেষ হতেই মন খারাপ সুদীপের। ফেসবুকে একটি লম্বা পোস্টে লেখেন, “শেষ স্ক্রিপ্ট, শেষ দেখা, আবেগঘন বিদায়
“রুদ্ররূপ সান্যাল” কে বিদায় জানাই
রুদ্ররূপ সান্যালের চরিত্রে অভিনয় করাটা সম্মানের ছিল..
আমি ভাগ্যবান যে আমি এমন একটি আইকনিক চরিত্রে অভিনয় করতে পেরেছি, যদিও আড়াই বছর ধরে তার উত্তরাধিকার বহন করা একটি বিশাল কাজ ছিল.. আমি সৎভাবে আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি এবং রুদ্র চরিত্রটি সর্বদা আমার হৃদয়ে থাকবে। যখনই ফিরে তাকাবো মনে পড়বে এই চরিত্রের তিক্ত মিষ্টি অভিজ্ঞতা।”
ব্যক্তিগত জীবনের কথা তুলে ধরে অভিনেতা লেখেন, “ফুলকি আমাকে স্বীকৃতি, ভালোবাসা, পুরষ্কার এবং আমার কেরিয়ারের অনেক বড় সুযোগ। ফুলকি চলাকালীন আমি যেমন বাবা হয়েছি তেমন অন্যদিকে দুর্ভাগ্যবশত আমি আমার নিজের বাবাকেও হারিয়েছি..
ফুলকি কেবল একটি ধারাবাহিক ছিল না, এটি আমার জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা সময় ছিল।
আমি ধন্যবাদ জানাই জি বাংলা, প্রোডাকশন টিম এবং রাখি দি, শিল্পী মিত্র, সৃজিত রায়, সৌভিক চক্রবর্তী, কৃষ্ণ গাঙ্গুলী, রাজেন্দ্র প্রসাদ দাস, অভিষেক বোস, জয়ন্তী সেন, অরূপ সিং, অভিজিৎ সামন্ত, আয়েশা সুলতানা। ধন্যবাদ জানাই আমার সমস্ত দর্শকদের।
বাবা, তুমি যেখানেই থাকো না কেন, তোমাকে বিশেষ ধন্যবাদ.. আমি জানি তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছ এবং আমি তোমাকে কিছুটা গর্বিত করেছি.. আমি তোমাকে ভালোবাসি।
অনিন্দিতা রায়চৌধুরী..মা এবং তিষ্যাকে আমার শক্তি হওয়ার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ..আমি তোমাদের ভালোবাসি।
“রুদ্ররূপ সান্যাল” – তোমারটা সত্যিই সাইন ইন করছি।”
তাঁর এই কথায় মন খারাপ তাঁর অনুরাগীদের।