Sayak Chakraborty: গায়িকা দেবলীনা নন্দী(Debolina Nandy)-র আ/*/হ */ত্যা/*র চেষ্টার খবর সামনে আসতেই উ’ত্তা’ল হয়ে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়া। কেউ এই ঘ’ট’না’কে অত্যন্ত সং’বে’দ’ন’শী’ল ও উ’দ্বে’গ’জ’ন’ক বলে দেখছেন, আবার কারও চোখে গোটা বিষয়টাই পরিকল্পিত ‘পা’ব’লি’সি’টি স্টা’ন্ট’। একাংশ দেবলীনাকে সমর্থন করে তাঁর স্বামী প্রবাহ নন্দী(Probaho Nandy)-র দিকে অ’ভি’যো’গে’র আঙুল তুলেছেন। কিন্তু এই সমস্ত বি’ত’র্কে’র মাঝেই নতুন করে আ’লো’চ’না’র কে’ন্দ্রে উঠে এসেছে একেবারে অন্য একটি প্রসঙ্গ দেবলীনাকে হা’স’পা’তা’লে দেখতে যাওয়া নিয়ে তাঁর ঘ’নি’ষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেকার তী’ব্র ম’ত’বি’রো’ধ। এই ঝা’মে’লা’র কে’ন্দ্রে রয়েছেন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী(Sayak Chakraborty), তাঁর বন্ধু সুকান্ত কুণ্ডু(Sukanta Kundu) এবং অভিনেত্রী অলকানন্দা গুহ(Alokananda Guha)।
ঘ’ট’না’র সূত্রপাত হয় দেবলীনাকে হা’স’পা’তা’লে দেখতে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে। বৃহস্পতিবার আ’চ’ম’কা’ই ফেসবুক লা’ই’ভে এসে নিজের ক্ষো’ভ উ’গ’রে দেন অলকানন্দা গুহ। তাঁর বক্তব্য, সায়ক চক্রবর্তী এবং সুকান্ত কুণ্ডু তাঁকে কিছু না জানিয়েই দেবলীনাকে দেখতে হা’স’পা’তা’লে গিয়েছেন। অলকানন্দার দাবি, সায়ক তাঁকে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন এই মুহূর্তে হা’স’পা’তা’লে যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। এমনকি কোন হা’স’পা’তা’লে দেবলীনা ভ’র্তি রয়েছেন, সেই তথ্যও প্রথমে তাঁকে জানানো হয়নি বলে অ’ভি’যো’গ।
অলকানন্দার আরও দাবি, পরে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ও পোস্ট দেখে জানতে পারেন যে সায়ক, সুকান্ত, প্রেরণা-সহ তাঁদের ঘ’নি’ষ্ঠ ম’হ’লে’র আরও অনেকে একসঙ্গে হা’স’পা’তা’লে পৌঁছে গিয়েছেন। এই বিষয়টিই তাঁকে সবচেয়ে বেশি আ’ঘা’ত করেছে বলে লা’ই’ভে জানান অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, বন্ধুর এমন আ’চ’র’ণে তিনি নিজেকে একেবারেই উ’পে’ক্ষি’ত এবং অ’প’মা’নি’ত মনে করেছেন।
অলকানন্দার এই অ’ভি’যো’গ প্রকাশ্যে আসতেই পা’ল্টা প্র’তি’ক্রি’য়া দেন সায়ক চক্রবর্তী। কোনও রা’খ’ঢা’ক না রেখেই ফেসবুকে তী’ব্র ভাষায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। সায়ক লেখেন, “কেন রে, তোর নিজের হাত-পা নেই? আমি নিয়ে যাইনি মানে? বা’চ্চা নাকি? সদ্য জ’ন্মে’ছি’স?” এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে বি’ত’র্কে’র আ’গু’নে ঘি পড়ে।তিনি স্পষ্ট বলেন, “সুকান্ত, প্রেরণা ওরা গেল কি করে, ওদের তো আমি নিয়ে যায়নি হাতে করে!” সায়ক আরও লেখেন, সত্যিই যদি অলকানন্দা দেবলীনাকে নিয়ে এতটাই চি’ন্তি’ত হতেন, তবে নিজেই হা’স’পা’তা’লে যেতে পারতেন। তাঁর ভাষায়, “এতোই যদি চি’ন্তা করতিস তো চলেই যেতিস নিজে”।
সায়ক তাঁর পোস্টে আরও প’রি’ষ্কা’র করে জানান, তাঁরা সবাই একসঙ্গে একটি গাড়িতে করে যাননি। প্রত্যেকে আ’লা’দা আ’লা’দাভাবে হা’স’পা’তা’লে পৌঁছেছেন। অর্থাৎ কাউকে ই’চ্ছা’কৃ’তভাবে বা’দ দেওয়া বা গো’প’নে যাওয়ার অ’ভি’যো’গ তিনি সম্পূর্ণ অ’স্বী’কা’র করেন। এই প্রসঙ্গেই সায়ক ক’টা’ক্ষ করে লেখেন, “আজব ন্যা’কা” – যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে অলকানন্দাও জবাব দেন,”একসাথেই তো গেছিস আমায় তো বললি যেতে হবে না.. আমায় তো হ’স’পি’টা’ল নামও বলতে চাসনি.. ম্যা’জি’ক তো না যে না জানিয়ে একসাথে গেলি সবকটা..” তাঁর মতে সবাই তাঁকে ছা’ড়া’ই একসাথে কথা বলে গেছে।
এই বি’ত’র্কে সুকান্ত কুণ্ডুও চু’প থাকেননি। তিনিও স্পষ্টভাবে জানান, দেবলীনাকে হা’স’পা’তা’লে দেখতে যাওয়া কোনও ‘ইভেন্ট’ নয় যে সেখানে যাওয়ার জন্য কাউকে আ’লা’দা করে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। সুকান্তের বক্তব্য, তিনি নিজেই যো’গা’যো’গ করে হা’স’পা’তা’লে গিয়েছেন। সায়ক কাউকে নিয়ে যাওয়ার দা’য়ি’ত্ব নেননি বা কাউকে আ’ট’কা’ন’নি। এমনটাই দা’বি করেন তিনি।
এই ত্রি’মু’খী বি’ত’র্কে বিষয়টিকে আরও সং’বে’দ’ন’শী’ল করে তু’লে’ছে অলকানন্দা ও সুকান্তের পা’রি’বা’রি’ক স’ম্প’র্ক। শুধু বন্ধুত্ব নয়, তাঁদের স’ম্প’র্ক আরও গ’ভী’র। অলকানন্দার বোন অনন্যার সঙ্গে আগামী মার্চ মাসেই বি’য়ে’র পিঁ’ড়ি’তে বসতে চলেছেন সুকান্ত। সেই কারণে এই প্রকাশ্য বা’ক’যু’দ্ধ দেখে অনেকেই অ’বা’ক ও অ’স্ব’স্তি’তে পড়েছেন। ভ’বি’ষ্য’তে’র পা’রি’বা’রি’ক স’ম্প’র্কে’র উপর এর প্র’ভা’ব প’ড়’বে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জ’ল্প’না।
নে’ট’দু’নি’য়া’য় এই পুরো ঘ’ট’না ঘিরে প্র’তি’ক্রি’য়া এসেছে নানা দিক থেকে। একাংশ নে’টি’জে’ন অলকানন্দার পাশে দাঁ’ড়ি’য়ে বলেছেন, বন্ধুর এমন আ’চ’র’ণে ক’ষ্ট পাওয়া স্বাভাবিক। আবার অনেকে সায়ক ও সুকান্তের বক্তব্যকেই যু’ক্তি’সং’গ’ত বলে মনে করছেন। তাঁদের মতে, ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ্যে এনে লাইভ বা পোস্টের মাধ্যমে ঝা’মে’লা বা’ড়া’নো একেবারেই অ’নু’চি’ত।
কেউ কেউ আবার পুরো ঘ’ট’না’কে’ই ‘সোশ্যাল মিডিয়া সা’র্কা’স’ বলে ক’টা’ক্ষ করেছেন। এক নে’টা’গ’রি’ক মন্তব্য করেছেন, “এই লাইভ, ব্লগ আর ভিডিওর চ’ক্ক’রে আসল বিষয়টাই হা’রি’য়ে যাচ্ছে। অ’সু’স্থ মানুষের খোঁ’জ নেওয়ার ব’দ’লে কে কাকে কী বলল, সেটাই এখন খবর।” অনেকেই মনে করছেন, দেবলীনা নন্দীর দ্রু’ত সু’স্থ হয়ে ও’ঠা’ই যেখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত ছিল, সেখানে তাঁর বন্ধুদের ব্যক্তিগত স’ম্প’র্কে’র ফা’ট’ল-ই এখন আ’লো’চ’না’র শিরোনাম হয়ে উঠেছে।
এই ঘটনার পর অবশ্য অলকানন্দা তাঁর ফেসবুক লাইভ ডি’লি’ট করে দেন। তবে ততক্ষণে বিষয়টি নে’ট’পা’ড়া’য় ছ’ড়ি’য়ে পড়েছে। দেবলীনার শা’রী’রি’ক অবস্থার আপডেটের চেয়েও এখন বেশি চ’র্চা হচ্ছে সায়ক, সুকান্ত ও অলকানন্দার এই প্রকাশ্য ম’ত’বি’রো’ধ এবং বন্ধুত্বের টা’না’পো’ড়ে’ন। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ব্যক্তিগত স’ম্প’র্কে’র এই ধরনের প্রকাশ্য সং’ঘ’র্ষ যে কতটা দ্রু’ত বি’ত’র্কে’র রূপ নিতে পারে, এই ঘ’ট’না’ই তার জ্ব’ল’ন্ত উদাহরণ।