Debolinaa Nandy:নিজেকে শে’ষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত যে কোনো স’ম’স্যা’র স’মা’ধা’ন হতে পারে না— এই উপলব্ধি হা’স’পা’তা’লে’র বি’ছা’না’য় শু’য়েই হয়েছে বলে জানালেন গায়িকা ও ভ্লগার দেবলীনা নন্দী(Debolinaa Nandy)। গত কয়েকদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নামটি কার্যত আ’লো’চ’না’র কেন্দ্রে। গানের মঞ্চের চেয়েও বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন ভ্লগিংয়ের মাধ্যমে, যা তাঁর আ’য়ে’র অন্যতম বড় উৎস। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবন, পে’শা’গ’ত চা’প এবং মা’ন’সি’ক অ’ব’সা’দে’র একত্রে ভা’র বইতে না পেরে এক চ’র’ম সি’দ্ধা’ন্তে’র দিকে এগিয়ে গিয়েছিলেন তিনি যার জন্য আজ নিজেই অ’নু’ত’প্ত।
হা’স’পা’তা’ল থেকে বাড়ি ফিরে দেবলীনা নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন, সেই সি’দ্ধা’ন্ত ভু’ল ছিল। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, শা’রী’রি’ক ও মা’ন’সি’ক’ভা’বে ধীরে ধীরে সু’স্থ হয়ে আবার কা’জে ফিরছেন। ‘মাচা শিল্পী’ হিসেবে শীতের মরশুমে তাঁর একাধিক অনুষ্ঠান থাকলেও সাম্প্রতিক ঘ’ট’না’র কা’র’ণে সবকিছু থ’ম’কে গিয়েছিল। এখন তিনি জানাচ্ছেন, ১৫ জানুয়ারির পর থেকে অনুষ্ঠান সংক্রান্ত যোগাযোগ আবার শুরু করা যাবে।
ভিডিও বার্তায় দেবলীনা শুরুতেই নিজের ভু’ল মেনে নেন। তাঁর কথায়, তিনি যা করেছেন তা কোনোভাবেই সঠিক ছিল না। আ’বে’গে’র বশে নেওয়া সেই সি’দ্ধা’ন্ত’কে তিনি নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় ভু’ল বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বারবার বলেন, তখন তাঁর মা’থা কা’জ করছিল না, পরিস্থিতির চা’প তাঁকে সম্পূর্ণভাবে গ্রা’স করেছিল।
একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, সেই মুহূর্তে তিনি নিজেকে ভা’লো’বা’স’তে ভু’লে গিয়েছিলেন, নিজের গু’রু’ত্ব হা’রি’য়ে ফেলেছিলেন। তাঁর ভাষায়, কিছু সময়ের জন্য নিজের কাছেই নিজের প্রাধান্য একেবারে ক’মে গিয়েছিল।
ভিডিওতে একাধিকবার তিনি জো’র দিয়ে বলেন, জীবন শে’ষ করে দেওয়া কোনো স’মা’ধা’ন নয়। বরং সেটাই সবচেয়ে ভু’ল পথ। কেউ যেন তাঁর ঘ’ট’না’র থেকে ভু’ল বার্তা না নেয়, সে বিষয়েও তিনি স্পষ্ট। তাঁর দাবি, তিনি এই ঘটনাকে প্রচার করছেন না, কিংবা কাউকে এই পথে যেতে উৎসাহ দিচ্ছেন না। উল্টে তিনি বার্তা দিতে চান এটাই সবচেয়ে খা’রা’প সি’দ্ধা’ন্ত।তিনি নিজেই বলেন, “এটা কোনো সমাধান নয়”।
ঘ’ট’না’র সময় তিনি প্রবল মা’ন’সি’ক চা’পে ছিলেন বলে জানান দেবলীনা(Debolina Nandy)। সামনে কী হবে, কীভাবে সব সামলাবেন এই প্র’শ্নগুলোর কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলেন না। দা’ম্প’ত্যে’র টা’না’পো’ড়ে’ন, মায়ের সঙ্গে স’ম্প’র্কে’র জ’টি’ল’তা, সং’সা’রে’র চা’প, স্বামীর অ’ব’জ্ঞা এবং পে’শা’গ’ত জীবনে কো’ণ’ঠা’সা করার চেষ্টা সব মিলিয়ে তিনি ভে’ঙে পড়েছিলেন।
হা’স’পা’তা’লে থাকার সময় তাঁর সবচেয়ে বড় উপলব্ধি পরিবার ছাড়া আসলে কেউ আপন নয়। তিনি বলেন, নিজের জন্য সবচেয়ে বেশি কাঁ’দে মা-বাবা আর কাছের আত্মীয়রাই। তাই সবার আগে নিজেকে ভা’লো’বা’সা জরুরি।
অনেকে প্র’শ্ন তুলেছিলেন, সবকিছু শে’ষ করার ইচ্ছে থাকলে তিনি কেন বন্ধুকে মেসেজ করেছিলেন। এর উত্তরে দেবলীনা জানান, তিনি জানতেন তাঁর সেই বন্ধু রাত জাগে এবং তাকে বললে কথাগুলো ঠিক জায়গায় পৌঁছাবে। তাঁর বি’শ্বা’স ছিল, ওই একজনের কাছেই বলা দরকার। তাঁর কথায়,”আমি জানতাম যে আমি ওকে বললে কথাগুলো আমার পৌঁছে যাবে।“
ঘ’ট’না’র সময় গাড়িতে তাঁর মা, পাপাই দা এবং মধুমিতা থাকলেও তিনি কাউকে কিছু জানাননি। তাঁর মনে হয়েছিল, জানালে পরিস্থিতি আরও জ’টি’ল হবে এবং সবাই আ’ত’ঙ্কি’ত হয়ে পড়বে। পরে অবস্থা খা’রা’প বুঝে তাঁকেই দ্রুত কাছের না’র্সিং’হো’মে ভর্তি করা হয়। তাঁর কথায়,”আমার তখন কিছুই ইচ্ছা করছিল না যে আমি ওদেরকে এগুলো ইনফর্ম করি, তাহলে ওরা আরও হু’ড়ো’পা’তা করবে।“
চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শা”রীরি’ক অবস্থা এতটাই সং’ক’ট’জ’ন’ক ছিল যে গাড়ি থেকে নামানোও ক’ঠি’ন হয়ে পড়েছিল। দ্রুত চি’কি’ৎ’সা’র সিদ্ধান্ত না নিলে বি’প’দ বাড়তে পারত।
হা’স’পা’তা’লে ভ’র্তি হওয়ার পর ও’ষু’ধে’র সংখ্যা নিয়ে যে ট্রো’লিং শুরু হয়, তা নিয়েও মুখ খুলেছেন দেবলীনা। তিনি স্পষ্ট করে জানান, যে সংখ্যাটি নিয়ে আ’লো’চ’না হচ্ছে, তা তাঁরা চি’কি’ৎ’স’ক’কে বলেননি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চি’কি’ৎ’স’ক’রা’ই প্রে’স’ক্রি’প’শ’নে তা উল্লেখ করেছেন।
অনেকে ক’টা’ক্ষ করে লিখেছিলেন, “ম’রে গেলাম না কেন?” এই ধরনের মন্তব্যে তিনি বলেন, “হয়ত ভগবান চাইছিল যে আমার আরও অনেক কিছু… মানে আমার গান, যেটা আমার মেইন ভা’লো’বা’সা… সেই গানের জন্য হয়ত বেঁচে গেছি আমি।“ – তিনি তার বেঁচে থাকার পেছনের কারণ হিসেবে গান এবং মানুষের ভা’লো’বা’সা’কে উল্লেখ করেছেন।
এই ঘ’ট’না নিয়ে নাটক করার অ’ভি’যো’গও উড়িয়ে দিয়েছেন দেবলীনা। তাঁর দাবি, তখন তিনি একদমই ভাবতে পারছিলেন না এরপর কী হবে। তাই এটাকে নাটক বলা অ’ন্যা’য়। ব্যক্তিগত স’ম’স্যা নিয়ে আপাতত বিস্তারিত কিছু বলতে চান না বলেও জানান।
তিনি ট্রো’লা’র’দে’র উদ্দ্যেশ্যে বলেন, তাঁকে নিয়ে ভিডিও করে অনেকের লা’ভ হয়েছে, ফলোয়ার বেড়েছে। এটুকু তিনি বুঝতে পারছেন।
পাইলট বরের সাথে তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্র’শ্ন তোলায় তারও উত্তর তিনি দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই সং’সা’রে’র দায়িত্ব তাঁর কাঁধে ছিল বলে জানান দেবলীনা। ক্লাস এইট থেকে সং’সা’র টা’ন’ছে’ন, অ’সু’স্থ বাবার চি’কি’ৎ’সা, নিজের পড়াশোনা, ভাইয়ের পড়াশোনা সবই সামলেছেন। ভাইয়ের NET ক্লিয়ার করা ও অল ইন্ডিয়া র্যাঙ্ক পাওয়াকে তিনি জীবনের অন্যতম সাফল্য মনে করেন।তাঁর মতে, আসল ‘স্ট্যাটাস’ এটাই নিজের প’রি’শ্র’মে গড়া জীবন। তিনি বলেন, “নিজেও পড়েছি, ভাইকেও পড়িয়েছি। আর লাকিলি আমার ভাই আমার মুখ উজ্জ্বল করেছে। একবারে NET ক্লিয়ার করেছে, ইভেন অল ওভার ইন্ডিয়াতে র্যাঙ্ক করেছে।“ – ভাইয়ের সাফল্যে তিনি গর্বিত এবং এই সাফল্যকেই তিনি তার জীবনের বড় অর্জন মনে করেন।“যদি স্ট্যাটাসের কথা বলো, এটা হচ্ছে স্ট্যাটাস যেটা আমি নিজে করেছি।“ – তিনি নিজের প’রি’শ্র’ম এবং ভাইয়ের শি’ক্ষা’গত যোগ্যতাকে তার আসল ‘স্ট্যাটাস’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁকে নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল, সেই ‘দিদিভাই’-এর পরিচয়ও পরিষ্কার করেন দেবলীনা। তিনি জানান, ওই মহিলা তাঁর বাবার প্রথম পক্ষের মেয়ে। তাঁদের মধ্যে কোনো দূরত্ব নেই, বরং ভা’লো’বা’সা’র স’ম্প’র্ক।
দিদিভাইয়ের পোশাক বা রিল বানানো নিয়ে যারা স’মা’লো’চ’না করছেন, তাঁদের ক’ড়া জবাব দেন তিনি। তাঁর মতে, পোশাক পরা বা রিল বানানো কোনো অ’প’রা’ধ নয়।
বি’য়ে’র আগে ও পরে কমিটমেন্ট এক হওয়া দরকার। এই বার্তা দেন দেবলীনা। যেটা বি’য়ে’র পর মেইনটেইন করা যাবে না, সেই প্রতিশ্রুতি না দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। প্রতিশ্রুতি ভা’ঙ’লে’ই অপরপক্ষ মা’ন’সি’কভাবে ক্ষ’তি’গ্র’স্ত হয় বলে তাঁর মত।
রূপ, গায়ের রং বা শ’রী’র নিয়ে ক’টা’ক্ষে’র বি’রো’ধি’তা করেন দেবলীনা। পাশাপাশি তিনি বলেন, প্রত্যেকের মা সম্মানের যোগ্য দেখতে যেমনই হোন না কেন।
সাম্প্রতিক দেবলীনাকে কেন্দ্র করে দুজন ব্যক্তি একটি ভিডিও করেন যেখানে তাঁর নামে অ’ভি’যো’গ ওঠে পারিশ্রমিক না দেওয়ার। সেই প্রসঙ্গে দেড়-দুই বছর আগের কিছু কোলাবোরেশনের কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রায় দেড়-দুই বছর আগে দুইজন কো-ওয়ার্কারের সাথে তার পরিচয় হয়। তিনি তাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি। “আমি নাম নিচ্ছি না, আমি নাম নিতে চাই না… বে’কা’র ফুটেজ খাওয়াতে আমি চাইছি না।“ তাদের মধ্যে একজন তাকে প্রথম মেসেজ দিয়ে জানায় যে সে একটি বড় পেজ চালায় এবং দেবলীনার পেজটি হ্যান্ডেল করতে আগ্রহী।দেবলীনা তখন জানিয়েছিলেন যে তার পক্ষে বেশি টা’কা দেওয়া সম্ভব নয় কারণ তখন তার পেজে কোনো ই’ন’কা’ম ছিল না। তিনি বলেন, “আমি বললাম যে বলো কত কি দিতে হবে, কারণ আমার পক্ষে অত টা’কা দেওয়া সম্ভব নয় এখন।
তখন ওই ব্যক্তি জানায় যে সে কোনো টা’কা ছাড়াই কাজ করবে, বি’নি’ম’য়ে দেবলীনাকে তাকে কিছু নতুন ‘সোর্স’ বা রেফারেন্স দিলেই হবে। এই বিষয়টিকে বক্তা ‘কোলাবরেশন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।তাঁর কথায়,”ওর বক্তব্য ছিল, না আমি এমনিই করব, তার ব’দ’লে তুমি আমাকে কিছু সোর্স দেবে… মানে যেটাকে আমরা কোলাবরেশন বলি।“
কাজ চলার সময় দেবলীনা যখনই পা’রি’শ্র’মি’কে’র কথা তুলতেন, ওই ব্যক্তি টা’কা নিতে অস্বীকার করত। তাই বক্তা তাকে খুশি করার জন্য বিভিন্ন সময়ে উপহার দিতেন, যেমন হেডফোন, জামা, হুডি, টি-শার্ট এবং ঘড়ি। তিনি বলেন,”ও কিছু লাগবে না দিদি, কিছু লাগবে না বলত বলে আমি একবার একটা হেডফোন কিনে দিয়েছি… জামা দিয়েছি, হুডি কিনে দিয়েছি।“
দেবলীনা জানান যে যদিও ওই ব্যক্তি টা’কা নিতে চাইত না, তবুও তিনি সময়ে সময়ে ৩০০০, ২০০০ এবং ৩৫০০ টাকা করে বিকাশে বা অনলাইনে পাঠিয়েছিলেন, যার স্ক্রিনশট এখনও তার কাছে সং’র’ক্ষি’ত আছে। তিনি বলেন,”আমার কাছে এখনও স্ক্রিনশট আছে, ৩০০০, ২০০০, ৩৫০০ এরকম করে টা’কা আমি পাঠিয়েছি।“ তিনি এটাই স্পষ্ট করেন যে , লিখিত চু’ক্তি না থাকলেও সবাই জানত বিষয়টি কোলাবরেশনের।
হা’স’পা’তা’লে থাকার সুযোগ নিয়ে তাঁকে আ’ক্র’ম’ণ করার অভিযোগও তোলেন দেবলীনা। তাঁর দাবি, জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে ভিডিও বানানো হয়েছে, এমনকি ফোন নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “ওরা স্ক্রিনশটে আমার ফোন নম্বরও শেয়ার করেছে, সেটা ওদের ভু’ল নয়, ওরা মানবে না।“
তিনি আরও জানান যে, তিনি ৫৩,০০০ টা’কা পেমেন্ট করেছেন এবং তিনি অভিযোগ করেন যে তারা, তার সাথে কথা না বলেই ভিডিও আপলোড করেছে, যা তিনি অনুচিত বলে মনে করেন। এই অভিজ্ঞতার পর তিনি সি’দ্ধা’ন্ত নিয়েছেন যে এখন থেকে যাদের সাথে কাজ (কোলাবোরেশন) করবেন, তাদের সাথে সব কিছু লিখিত চু’ক্তি করে নেবেন। “আমি ৫৩,০০০ টাকাই ওদের পাঠিয়ে দিয়েছিলাম ভিডিওটা ডি’লি’ট করার শর্তে।“ ভবিষ্যতে সব কা’জ লিখিত চু’ক্তি’তে’ই করবেন বলে সি’দ্ধা’ন্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন,”এখন আমাকে লিখিত নিতে হবে এরপর থেকে যাদের সাথে কোলাব করব…”
৫৩,০০০ টা’কা’র দাবি প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভিডিও ডিলিট করার শর্তে সেই টাকাও তিনি পেমেন্ট করেছেন।তিনি বলেন, “আমি শুধু বললাম তোমরা এইটা বলো যে আমরা দিদিভাইয়ের সাথে কথা না বলে ভিডিওটা আপলোড করেছি…”
তাঁকে নিয়ে হওয়া নে’গে’টি’ভ ট্রো’ল এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলা চ’র্চা’য় স্পষ্ট বি’র’ক্তি প্রকাশ করলেন তিনি। একেবারে সোজাসাপ্টা ভাষায় জানিয়ে দিলেন, আর কোনোভাবেই এই ধরনের আ’লো’চ’না’র কে’ন্দ্রে থাকতে চান না। তাঁর কথায়, তিনি আর তাঁর বৈ’বা’হি’ক জীবন নিয়ে কোনো আপডেট দেবেন না, এমনকি এই বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্যও করবেন না। তিনি বলেন, “দ’য়া করে এবার ব’ন্ধ করো, আমি এরকম নে’গে’টি’ভভাবে ট্রে’ন্ডিং-এ থাকতে চাই না।“
সব বি’ত’র্কে’র মাঝেও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। ভ্লগিং তিনি ব’ন্ধ করবেন না। কারণ এই মাধ্যমেই তিনি বহু মানুষের কাছে পৌঁছেছেন এবং এটিই তাঁর আ’য়ে’র বড় উৎস।
বন্ধু সায়ক(Sayak Chakraborty)-কে ঘিরে তৈরি হওয়া বি’ত’র্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সায়কের সঙ্গে তাঁর স’ম্প’র্ক নিয়ে শ্বশুরবাড়ি বা স্বামীর কোনো আ’প’ত্তি কখনও ছিল না। সায়ককে তিনি কেবলমাত্র একজন ঘ’নি’ষ্ঠ বন্ধু হিসেবেই দেখেন এবং ভাইয়ের মতো সম্বোধন করেন বলেও জানান। তিনি বলেন,“সায়ক হচ্ছে আমার কনস্ট্যান্ট বন্ধু… আমি ওকে ডাকিও ‘ভাই’ বলে।”এই বি’ত’র্কে সায়ককে জ’ড়ি’য়ে তাঁর চরিত্রে প্র’শ্ন তোলায় তিনি ক্ষু’ব্ধ। তাঁর মতে, একজন মেয়ের ভা’লো ছেলে বন্ধু থাকতেই পারে, সেটাকে অন্যভাবে দেখার কোনো কা’র’ণ নেই। তিনি বলেন, “ওকে টেনে এনে আমার চরিত্রে দাগ দিও না… মেয়েদেরও অনেক ভা’লো ছেলে বন্ধু থাকতে পারে।”
সবশেষে এই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি উপলব্ধি করেছেন, সবার আগে নিজেকে এবং পরিবারকে ভা’লো’বা’সা’ই সবচেয়ে জ’রু’রি। ভ’বি’ষ্য’তে’র পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। ঘোষণা করেছেন, ১৫ তারিখ থেকে তিনি আবার নিজের মূল কাজ গানের জগতে ফিরে যাচ্ছেন। গানই তাঁর প্রথম এবং প্রধান ভা’লো’বা’সা, সেখানেই নতুন করে নিজেকে খুঁজে পেতে চান তিনি।