Dayanand Chandrashekhar Shetty:সহঅভিনেত্রীর সঙ্গে পরকীয়া,ঘনিষ্ঠতার ফলে আগত নিজের ঔরসজাত সন্তানকে অস্বীকার! চরম অভিনযোগ ‘সিআইডি’র ইন্সপেক্টর দয়ার বিরুদ্ধে
কাজ করতে গিয়েই সহঅভিনেত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, ঘনিষ্ঠতার ফলে আগত নিজের ঔরসজাত সন্তানকে অস্বীকার! আবারও খবরের শিরোনামে অভিযোগের তীর ‘সিআইডি’র দয়ার দিকে📌
একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক থেকে বর্তমানে ‘সিআইডি’ র মতো ছোটপর্দার ধারাবাহিক জনপ্রিয়তার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। সেই ধারাবাহিকের সবচেয়ে জনপ্রিয় অফিসার ইন্সপেক্টর দয়া।
তাঁর আসল নাম দয়ানন্দ চন্দ্রশেখর শেট্টি।1998 সাল থেকে সাল ২০১৮ পর্যন্ত দু’দশক ধরে ধারাবাহিকটি সাফল্যের সাথে সম্প্রচারিত হয়েছে টেলিভিশনের ছোটপর্দায়। এই ধারাবাহিকের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন দয়ানন্দ। বড়পর্দায় অভিনয় করলেও ওই ধারাবাহিকের মাধ্যমেই রাতারাতি পরিচিতি তৈরি হয়ে যায় তাঁর। অথচ অভিনয় নিয়ে কেরিয়ার গড়ার কোনও স্বপ্নই ছিল না তাঁর।
ধারাবাহিক চলাকালীন তিনি বিয়ে করলেও শোনা যায় সেই সময় তিনি জড়িয়েছিলেন এক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে। সিআইডি ধারাবাহিকেরই এক সহঅভিনেত্রীর নাম উঠে আসে তাতে।
সেই সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা এতটাই গভীর ছিল যে তাঁর সেই পক্ষে একজন কন্যা সন্তানও জন্ম নেয় ২০০৫ সালে। কিন্তু তিনি ছিলেন তখন অবিবাহিত। তাই সে সময় তাঁর সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে উঠেছিল নানান প্রশ্ন।
‘সিআইডি’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে দয়ানন্দের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল মোনা আম্বেগাওকরের। এই ধারাবাহিকে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ অঞ্জলিকা দেশমুখের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে মোনাকে।
মোনার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গেলেও দুজনেই তা কখনও স্বীকার করেননি প্রকাশ্যে। অভিনেতা বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করলেও অভিনেত্রী মোনা কখনওই স্পষ্টত তাঁর সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে মুখ খোলেননি।
একসময় তাঁকে এবিষয় প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি জবাব দিয়েছিলেন “আমার সন্তান হয়েছে একথা সত্যি, তাই এনিয়ে আলোচনা হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমি আমার সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তাঁর বাবর ইচ্ছে হলে সে নিজেই তাঁর সন্তানের পরিচয় দেবেন সকলকে।”
অভিনেতার কোনোদিনই স্বপ্ন ছিল না তিনি অভিনেতা হবেন। তিনি চেয়েছিলেন খেলোয়াড় হতে। তাঁর পায়ে চোট লাগলে তাঁর সেই আশা ভঙ্গ হয়। তারপরই তাঁর হিন্দি সিনেমায় অজয় দেবগণের ‘দিলজলে’ ছবি দিয়ে অভিনয় জগতে পদার্পণ। তারপর তিনি এখনও অনুরাগীদের মনে চিরস্থায়ী হয়ে আছেন সিআইডি’র দয়া হয়ে। যেকোনো সিরিয়াস ইস্যু হলেই এখনও মানুষ ব্যবহার করে ধারাবাহিকের একটি অতিপ্রচলিত ডায়লগ “দয়া দরওয়াজা তোর”। অন্যদিকে মোনাও একাধিক বড়পর্দার ছবিতে কাজ করেছেন।
অভিনেতাকে তাঁদের পরকীয়ার গুঞ্জন প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল পুরোই নেতিবাচক। তিনি সরাসরি জানিয়েছিলেন “তিনি বিবাহিত এবং সুখী দাম্পত্য জীবন সামলাচ্ছেন। তাঁর একটি কন্যাসন্তানও রয়েছেন। তবুও কেন সহঅভিনেত্রীর সঙ্গে তাঁর নাম বারংবার পরকীয়ার সম্পর্কে জড়াচ্ছে তিনি কিছুই জানেন না।”
কিন্তু ঘনিষ্ঠমহলে শোনা যায়, তাঁদের প্রেমের কথা। এমনকি, মোনা নাকি একটা সময় স্বীকার করেছিলেন তাঁর কন্যার বাবা দয়া তবে এবিষয়ে এখনও কোনো সত্যতা স্পষ্ট নয়। তাঁর সন্তানের পিতৃ পরিচয় এখনও রহস্যের আড়ালে।
হঠাৎই এসব আলোচনা খবরের শিরোনামে ২০ বছর পর আবারও উঠে আসছে। কারণ দীর্ঘ ৬ বছর পর জনপ্রিয় ছোটপর্দার ধারাবাহিক ‘সিআইডি’ ওটিটির হাত ধরে সিরিজ আকারে ফিরে এলে। দর্শকদের কাছে ফিরেছেন দয়াও। তারই সাথে ফিরেছে তাঁর সাথে জড়িয়ে থাকা বিতর্কও।
মোনা এখন তাঁর কন্যাকে নিয়ে বর্তমানে একজন সিঙ্গেল মাদারের জীবন কাটাচ্ছেন।