Chiranjeet Chakraborty:”এখন ইন্ডাস্ট্রি ছোট হয়ে যাচ্ছে, তাই অপশন হিসেবে হয়ত রাজনীতি সঙ্গে যোগ, ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকাটাও শক্ত…”,তারকাখচিত ২১শে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Chiranjeet Chakraborty:”এখন ইন্ডাস্ট্রি ছোট হয়ে যাচ্ছে, তাই অপশন হিসেবে হয়ত রাজনীতি সঙ্গে যোগ, ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকাটাও শক্ত…”,তারকাখচিত ২১শে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর

“এখন ইন্ডাস্ট্রি ছোট হয়ে যাচ্ছে, তাই অপশন হিসেবে হয়ত রাজনীতির সঙ্গে যোগ,ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকাটাও শক্ত,একটু রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলাম…”,তারকাখচিত ২১শে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অভিনেতা-বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর

টেলিভিশন থেকে শুরু করে বড়পর্দার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের রাজনীতির মঞ্চে যোগ দেওয়া,বিষয়টিকে একহাত নিলেন অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। নাম উল্লেখ করেই কটাক্ষের সুরে বিঁধলেন কাদেরকে?

একুশে জুলাই মানেই রাজনীতিবিদ ও বিনোদন তারকাদের সমাবেশ। প্রতিবারের মতো এবারও রাজনৈতিক কর্মীদের মাঝে নজর কেড়েছে তারকা সমাবেশ। মুখ্যমন্ত্রীর এক ডাকে হাজির সবাই। যাঁরা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁরা তো ছিলেনই সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠরাও। আর প্রতিবারই টলিপাড়ার একঝাঁক তারকার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। টেলিভিশন থেকে বড়পর্দা, বাদ গেলেন না কোনও মাধ্যমের তারকারাই।

আরও পড়ুন:Manasi Sinha:’মমতা শঙ্করদি পুরানো দিনের মানুষ,উনি সময়ের সঙ্গে নিজেকে পাল্টাতে পারেননি,উনি যা বলেছেন আমি বিশ্বাস করিনা…”,বিতর্কের মাঝে হঠাৎ কি বললেন মানসী সিনহা?

দেখা মিলেছে তৃণা সাহা, সোমা চক্রবর্তী, তিয়াশা লেপচা, সোহেল দত্ত, শ্রীতমা ভট্টাচার্য, সোনামণি সাহা, ভরতকল, রূপাঞ্জনা মিত্র,তরিতা, রিমঝিমও মিত্র, অরিন্দম শীল,বনি, কৌশানী,শ্রাবন্তী চ্যাটার্জীসহ অনেক তারকার। অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডু, তার সত্ত্বেও মঞ্চে দেখা গেছে তাঁকে।

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ যেন এখন তারকাদের মেলা। যা দেখে অনেকেরই ব্যাপারটা দৃষ্টিকটূ লেগেছে। সোশ্যাল

মিডিয়াতেও অনেকেই নানান নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন এই বিষয়ে। সম্প্রতি এই বিষয়ে নিজের মতামত জানিয়েছে অভিনেতা-বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কটাক্ষের সুরেই বিঁধেছেন অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। তিনি জানান,”সবাই তো একটা জায়গা চায়,ক্ষমতা চায়। যদি সেটা তার ইন্ডাস্ট্রিতে যদি জায়গাটা ডোমেনটাই ছোটো হয়ে গিয়ে থাকে, সাম্রাজ্যটাই ছোটো হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে সে আরেকটা বিকল্প চাইতেই পারে বা আংশিকভাবে চাইতে পারে। পুরোপুরি না গিয়েও চাইতে পারে। দু’টো মিলিয়েই হয়ত হতে পারে। ১১ বছর ধরেই দেখছি এই ভিড়। যেকোনো শিল্পী চাইবে বড় ভিড়। তাকে সার্ভাইভ করতে হবে। এর মধ্যে বাঁচতে হবে। এখন ইন্ডাস্ট্রি ছোট হয়ে যাচ্ছে, তাই অপশন হিসেবে হয়ত রাজনীতির সঙ্গে যোগ। কিন্তু এখন তৃণমূলের আর তারকাদের দরকার নেই।”

তারপরই ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দার তারকাদের উদ্দেশ্যে খোঁচা দিয়ে বলেন, “টেলিভিশন থেকে বেশি প্রতিনিধিত্ব ছিল বলে মনে হল আমার দেখে। আবার কয়েকজন ছিল যারা ওই দলে গেছিল একসময় আবার এই দলে চলে এসেছে। এরকম আছে। শ্রাবন্তী, রিমঝিম আছে। রূপাঞ্জনা ছিল।”

এছাড়াও তিনি আরও জানান,”এই মুহূর্তে তৃণমূলের আমার মনে হয় না প্রয়োজন আছে। সেটা প্রথমে হয়ত থাকতে পারে। প্রথমে যখন এসেছিলাম আমরা,১১-তে আমায় যখন বলেছিলেন যে, আমার একটা সিট দরকার। সেটা আপনি আনতে পারেন। মিমি যখন জিতেছে, নুসরত বিরাট লক্ষ লক্ষ ভোটে জিতেছে। কিন্তু এখন আমাদের যে অবস্থা ২০-২৫ বছরে মমতা ছাড়া আমি কিছু দেখছি না। দেবকে দিয়ে হিরণকে আরেকটা স্টার মারা যায়। লকেটকে চাপা দেওয়া যায় রচনাকে দিয়ে। ওভারঅল লাগে না।

এখন অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীদের রাজনীতির দলে যোগ দেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। চিরঞ্জিত আরও বলছেন,”এই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকাটাও শক্ত। তো সেক্ষেত্রে হয়ত আরেকটা অপশন হতেও পারে সেটা হচ্ছে একটু রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলাম।”

Leave a Comment