Aparajita Adhya:”পরের প্রজন্ম যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে না চেনে, বাঙালিকে অস্তিত্ব সং’ক’টে পড়তে হবে…”বর্তমান প্রজন্ম সারাক্ষণ ফোনে বুঁদ, এমনকি তারা ঠাকুর দেখতেও আগ্রহী নয়… চরম সং’ক’টে বর্তমান প্রজন্মের অস্তিত্ব, এই বিষয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Aparajita Adhya:অপরাজিতা আঢ্য,এমন কোনো মানুষ নেই যে তাঁকে চেনেন না। সিনেমা থেকে ধারাবাহিক,ওয়েব সিরিজ প্রত্যেক মাধ্যমেই তাঁর তুখোড় অভিনয় দর্শককে মুগ্ধ করেছে। নতুন নতুন চরিত্রে দর্শককে তাক লাগিয়েছেন। বরাবরই স্পষ্ট বক্তা তিনি। সবসময় মুখে হাসি লেগে অভিনেত্রীর। কিন্তু অভিনেত্রীর কপালে চিন্তার ভাঁজ, তাঁর মতে বর্তমান প্রজন্ম চরম সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

বর্তমান প্রজন্মের কিছু স্বভাবকে কেন্দ্র করে তাঁর মনে জেগেছে প্রশ্ন। তাঁর মতে GEN Z এবং GEN আলফা তাঁদের মধ্যে মোবাইল দেখার প্রবণতা বেশি। ঠাকুর দেখা তো দূর,সামাজিক নিয়মনীতি মানতে তাঁরা নারাজ। এই নিয়েই এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী নিজের মতামত জানিয়েছেন।

তাঁর মতে বর্তমান প্রজন্ম উৎসব বিমুখ। ঠাকুর তারা দেখতে পছন্দ করে না।অভিনেত্রী জানান,” উৎসব বেশি কোথায়? আমাদের সময় পুজোটা ছিল উদযাপন,পুজোটা ছিল উৎসব। আজকে একটা বাচ্চা ছেলেকে যদি বলা হয় ঠাকুর দেখতে যাবে নাকি মোবাইল দেখবে? সে কিন্তু মোবাইল দেখার অপশনটা নেবে,ঠাকুর দেখতে যাবেনা। পুজোয় ভালো জামাটাও পরবে না। আমার ছেলেই পরবে না। পুজোতে তার জামাটার প্রতি আগ্রহ নেই এবং ঠাকুর দেখতে যাওয়ারও আগ্রহ নেই। ঠাকুর যদি দেখতে নিয়ে যাব সারাক্ষণ মোবাইলটা দেখবে,ঠাকুর ভালো করে দেখবে না। এবং কতক্ষণ ঠাকুর দেখে এসে মোবাইলটা দেখতে পাবে তার হচ্ছে মানসিকতা সেটা। সুতরাং পূজা কোথায় উদযাপন।”

আরও পড়ুন:Kaushik Banerjee:পা’গ’ল হয়ে মা’ন’সি’ক হা’স’পা’তা’লে দিন কাটাচ্ছেন কৌশিক ব্যানার্জীর প্রথম স্ত্রী,এখন কেমন আছেন তিনি?জানালেন তার ভাই

তিনি আরও বলেন,”নিশ্চয়ই পরের জেনারেশন তৈরি হচ্ছে বা আমাদের পরের জেনারেশন তারাও খুব অ্যাক্টিভ বা তাদের পরবর্তী। কিন্তু GEN Z এবং GEN আলফা এদের মধ্যে যদি আমরা উৎসাহটা না আনতে পারি খুব বিপদ।”

এরপর পরিচালক-অভিনেতা ঋতুপর্ণা ঘোষের প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি জানান,”ঋতুদা খুব বলত যে,পরের প্রজন্মকে যদি আমরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে না চেনাতে পারি। তাহলে কিন্তু বাঙালিকে অস্তিত্ব সংকটে পরতে হবে।”

আরও পড়ুন:Satyam Majumder:”যদি একটু ভাত-ডাল জোটাতে পারতাম,বেঁচে থাকার তাগিদে নিরুপায় হয়ে…” হাতে কোনো কাজ নেই, আ’র্থি’ক অ’ন’ট’নে’র মধ্যে দিয়ে চলছে সংসার! ‘জগদ্ধাত্রী’র দাপুটে পুলিশ অফিসার সত্যম মজুমদার, কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন এখন?

তাঁর এই কথাকে অনেকই সমর্থন জানিয়েছেন আবার অনেকেই কটূ কথা বলেছেন। একজন লেখেন, ‘বাজে জ্ঞান বিতরণের কোনো প্রয়োজন নেই… গিয়ে দিদির পা চাটুন কার্নিভালে…সব বাচ্চারা ঠাকুর দেখতে যায় কিছু সেকালেও ছিল আজ ও আছে যারা ভিড় পছন্দ করে না…।’

Leave a Comment