Ahona Dutta:সরাসরি মাকে উদ্দেশ্য না করেই ট্রোলারদের মোক্ষম জবাব অহনার

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Ahona Dutta:’আপনার মেয়েও আপনার সঙ্গে এরকম করবে,আপনি বুঝবেন, প্রতিশোধ নেবে…’ ট্রোলারদের মোক্ষম জবাব অহনার…,”তিনটে সময় অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কাকুতি-মিনতি করে…” সঙ্গে নাম না করেই মায়ের উদ্দেশ্যে বেফাঁস মন্তব্য করলেন তিনি!

‘ডান্স বাংলা ডান্স’ থেকে প্রচারের আলোয় আসেন অহনা। সেখানে মায়ের সঙ্গেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এরপর ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ ধারাবাহিকে কাজ পান। আর সেখানে গিয়েই মেকআপ আর্টিস্ট দীপঙ্করের প্রেমে পড়েন তিনি। দীপঙ্করের থেকে অনেকটাই ছোট অহনা। তাঁদের বয়সের ফারাক ১০ বছরেরও বেশি। তার সঙ্গে ডিভোর্সিও। যার জন্য এই সম্পর্ক মানতে পারেননি অহনার মা চাঁদনী গাঙ্গুলী। আর সেই থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। মা-মেয়ের ছাড়াছাড়ি।

একসময় মাকে ছেড়ে দীপঙ্করের সঙ্গে লিভ ইন করেন অহনা। তারপর লুকিয়ে বিয়ে করেন। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে বিয়ের খবর সামনে আনেন অভিনেত্রী। আর ফেব্রুয়ারি মাসে মা হতে চলার সুখবর দেন। মেয়ের মা হয়েছেন অহনা। প্রয়াত শাশুড়ির নামেই মেয়ের নাম রেখেছেন মীরা। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিয়ে মেনে নেননি অহনার মা।

আবারও পড়ুন:Anurager Chhowa:শেষ ‘সূর্য-দীপা’র ম্যাজিক, কী জানালেন অভিনেতা দিব্যজ্যোতি

মেয়ের জন্মের পর থেকেও কটাক্ষ পিছু ছাড়েনি অহনার। একটার পর একটা কটাক্ষের বান ধেয়ে আসছে তাঁর দিকে। প্রায়শই তাঁকে মেয়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ভিডিও শেয়ার করতে দেখা যায় নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায়। আর সেখানেই অনেকে তাঁকে বলেন,কর্মের ফল অবশ্যই ভোগ করতে হবে,সময় আসলে। তিনি যা করেছেন তাঁর মেয়েও নাকি তেমনটা করেই তাঁকে দুঃখ দেবে। এমনসব নানান মন্তব্য দেখা যায়।

গতকাল সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন তিনি। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “অনেকদিন ধরেই কিছু কমেন্ট আমি পড়ছি যে, ‘আপনার মেয়েও আপনার সঙ্গে এরকম করবে’, ‘আপনি বুঝবেন, প্রতিশোধ নেবে’। হ্যাঁ অবশ্যই আমিই বুঝব, আমি ছাড়া আর কে বুঝবে? আপনাদের মতে ও যদি এমন কিছু করে, যা আমি করেছি তাহলে অবশ্যই আমাকেই বুঝতে হবে। কারণ আমার মেয়ের দায়িত্ব তো আমিই নেব, আর কে নেবে?”

আবারও পড়ুন:Madhumita Sarcar:আবারও ছোটপর্দায় তাক লাগানো চরিত্রে ফিরলেন মধুমিতা

নাম না করেই হয়ত মাকে উদ্দেশ্য করে বলেন,”কাউকে ভালোবেসে যদি আমার মেয়ে তাঁর হাত ধরে ঘর ছাড়ে প্রথমে আমি তাকে ফোন করব। তার খোঁজ নেব। তার সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখব, কারণ যদি ছেলেটি খারাপ হয় তবে আমার মেয়ে কোথায় যাবে। মেয়েকে ফোন না করে আমি বলব না যে, ‘তুই চলে যা, তোর গলার হারটা দিয়ে যা’। মেয়েকে বলব না যে, ‘তুই তোর দাদুর সঙ্গে কথা বলতে পারবি না’। আমার যদি রাগ হয়েও থাকে, তাও তার দাদু-দিদার যদি রাগ না হয়ে থাকে, তাহলে তা আমি তাঁদের উপর কখনও চাপিয়ে দেব না। আমি কোনও দিন আমার শ্বশুরমশাইকে বলব না যে, ‘তুমি ওর সঙ্গে কথা বলবে না, তাহলে কিন্তু আমি আত্মহত্যা করে ফেলব’। আমার পরিবারে যদি কেউ মারা যান, আর তখন সে রাত তিনটে সময় অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কাকুতি-মিনতি করে বলে, ‘আমাকে একটু ঢুকতে দাও বাড়িতে, সেই মানুষটা যে আমাকে এত ভালবাসত তাঁকে একটু মুখটা দেখতে দাও’। ২০-২৫বার ফোন করে। তারপর আমি ঢুকতে না দিয়ে পারতাম না। আরও অনেকগুলো জিনিস আমি করতাম না।

আরও পড়ুন:Raj-Subhashree:শুভশ্রীর জন্যই এবার ঝামেলা বাঁধল রাজের সঙ্গে! বিশাল গন্ডগোলের শিকার রাজ-ইউভান

তবে কী করতাম, কী করতাম না সেগুলো অনেক পরের প্রসঙ্গ। তার আগে তো আমার মেয়েকে এমন কিছু করতে হবে যেটা আমি করেছি। আর আমার মনে হয় না যে আমি যা করেছি, আমার মেয়ে তা করলে আমি খুব দুঃখিত হব। আর আমার মেয়ে যদি ভালো থাকে, খুশি থাকে, সুস্থ থাকে তাহলে তার থেকে বেশি আর আমার জীবন থেকে কিছু চাওয়ার নেই, পাওয়ারও নেই।”

Leave a Comment