Ayendri-Sayak:সায়ককে লাগাতার ক’টা’ক্ষ, নেটিজেনদের একহাত নিলেন আয়েন্দ্রী

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Ayendri-Sayak: গায়িকা দেবলীনা নন্দীর আ*/হ*/র চেষ্টার ঘটনায় তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। আর এর মাঝেই উঠে এসেছে তাঁর আর অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীর সর্ম্পকের সমীকরণ। অনেকের মতেই তাঁদের সম্পর্ক বন্ধুত্বের বেশি কিছু। আবার অনেকেই দেবলীনা ও তাঁর স্বামী প্রবাহ নন্দীর মাঝে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সায়ককে দা’গি’য়ে দিয়েছেন। রীতিমতো সায়ককে নিয়ে জোর চর্চা সোশ্যাল মিডিয়াতে। এর মাঝেই সায়কের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী আয়েন্দ্রী লাভনিয়া রায়। নেটিজেনদের একহাত নিলেন তিনি।

অভিনেত্রী একটি ভিডিও পোস্ট করে জানান, “ভেবেছিলাম আমি এই বিষয়ে কথা বলব না, তাও ভিডিওটা করতে বাধ্য হলাম কারণ এটা এবার বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যাচ্ছে, এবং অনেক বিষয় এই মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। যেখানে আমার খুব খারাপ লাগছে কারণ বেশিরভাগটাই জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে সায়ককে। আর সায়ককে আমি রাখি বাঁধি। ওঁ শুধু আমার বন্ধু নয়, আমার ভাইও বটে। আমার মনে হয় এই বিষয়টা বলা উচিত।

আগের বছর সোনু নিগমের একটি ইভেন্ট হয়েছিল কলকাতায়, অনেকই হয়ত জানেন আবার হয়ত কেউ জানেন না। সেখান সায়ক এসেছিল। এবং সায়কের সাথে প্রবাহ এসেছিল সঙ্গে দেবলীনও ছিল। ওখানে দেবলীনা ও সায়ক বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিল। আমি আর নীলঙ্কুরও গেছিলাম। আমাদের দেখা হয়েছিল সবার সাথে। ওদের তিনজনকে দেখে আমার একটুও মনে হয়নি। যেটা সায়ক নাকি ওদের মাঝে তৃতীয় ব্যক্তি। অনেকেই কমেন্ট করেছে দেখলাম, সায়ক যেখানে ডি’ভো’র্স সেখানে। না, বিষয়টা একদমই তা নয়। সায়ক হচ্ছে খুব ভালো বন্ধু। সেটা সবার জন্যই। আমি যখন এক বছর কাজ না করে বাড়িতে বসে ছিলাম তখন আমার আ’র্থি’ক দিক থেকে সাহায্য সায়ক করেছে। ওঁকে আমাকে কিছু বলতেই হয়নি, কোনো সাহায্য চাইতেই হয়নি, ওঁ শুধু বলেছে, ‘তুই নিয়ে নে, এটা এখন রাখ।’

আমি না এই ছেলেটাকে চিনি, আর অনেক বছর ধরে চিনি। তো আপনারা ৫ মিনিটের ভ্লগে দেখে আপনারা এখন ক/মে/ন্ট করতে বসে গেছেন। এই কমেন্টগুলো আসত না যদি না এই ঘটনাটা না ঘটত।

অনেকে কিন্তু সায়কের সাথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলে। তখন অনেকে লেখে, কে এমন সেলিব্রিটি যে ছবি তোলে। আপনারা বুঝবেন না। কারণ আপনারা ভ্লগ দেখেন না, যাঁরা দেখে তারা ছবি তোলে। সবাইকে নেতিবাচক মন্তব্যগুলো ছড়াতেই হবে এরকম কোনো ব্যাপার নেই। সায়ককে ধরে নেতিবাচক কিছু ছড়াতেই হবে। একটা ছেলে লাগবেই, এক মেয়ে/কে ব/দ/না/ম করার জন্য বা দো/ষী সাব্যস্ত করার জন্য, কেন মে/য়ে/টা সু/*/*/ড করতে গেছিল? ৭৮টা ঘু/মে/র ও/*/ধ? এগুলো না দরকার নেই।

আরও পড়ুন:Sayak Chakraborty:”বাচ্চা নাকি?আজব ন্যা’কা”- বন্ধুত্বের ভা’ঙ’ন? দেবলীনা-কা’ণ্ডে হা’স’পা’তা’লে যাওয়া ঘিরে মুখোমুখি অলকানন্দা–সায়ক, শালির পাশে নয়, সায়কের দিকেই সুকান্ত

আপনারা বসে আছেন একটা ফোনের ওপারে যেমন আমি এখন বসে আছি। এখান থেকে না কিছু বোঝা যায় না। না আপনারা দেবলীনাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না প্রবাহ না সায়ককে চেনেন। তো এই তিনজনের ইচ্ছা অনিচ্ছার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আপনি কে?

তাঁরা একটা ইন্টারভিউ দিয়েছে কারণ যারা ইন্টারভিউ নিচ্ছিলেন, ওনারা জানতে চেয়েছিলেন, ও কেমন আছে? ঘ/ট/না/টা কি? আজকে যদি মেয়েটা ম/* যেত পল্লবীর মতন তাহলে হয়ত কেউ প্রবাহর পক্ষের কথা শুনতে চাইত না। সবাই মেনেই নিত যে প্রবাহর জন্যই দেবলীনা সু/*/সা/*/ড করতে গেছিল। আজকে যেহেতু মে/য়ে/টা বেঁ/চে গেছে সেই জন্য এত কথা হচ্ছে। এত সাইড নিয়ে কথা হচ্ছে যে কে কোন জায়গায়, কে কোনটা সত্যি বলছে, মি/থ্যে বলছে, কেউ জানে না। তো দেবলীনা যতক্ষণ না নিজে পুরোপুরি সু/স্থ হয়ে কথাগুলো বলছে যে ওর সাথে কি হয়েছিল, দয়া করে আপনারা একটু ধৈ/র্য রাখুন। আর আমার মনে হয় এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে যাওয়া উচিত যে প্রবাহ কিন্তু নিজের দিকটা বলতে পারবে না। যদি বলার হত বা এগুলো মি/থ্যে অ/ভি/যো/গ হত তাহলে প্রবাহ এতক্ষণে নিজের ফোন নিয়ে বসে যেত। ও না বললেও ওর পরিবারের কেউ এসে অবশ্যই বলত কি কি স/ম/স্যা আছে? আসলে আদৌ কোনো স/ম/স্যা/র কথা প্রবাহ বলতে পারবে না, তাই ও কিছু বলছে না এখনও। নিজের বউকে যে এই অ/ব/স্থা/য় হা/স/পা/তা/লে ফেলে রাখতে পারে, আর নিজে এসে একবারও দেখতে না পারে।

আরও পড়ুন:Soumitrisha Kundu:সাফল্যের আড়ালে ভা’ঙ’ন!- “বারবার মনে হতো ‘কেন আমার সঙ্গেই এমন হচ্ছে”, ডি’প্রে’শ’নে’র অন্ধকার অধ্যায় ফাঁ’স করলেন সৌমিতৃষা

স্বামী- স্ত্রীর স/ম্প/র্কে ঝ/গ/ড়া হতে পারে, রোজ ঝ/গ/ড়া করতে পারি, লা/ঠা/লা/ঠি করতে পারি, যাই হোক সেটা আমার আর স্বামীর বিষয়। সে আমাকে হা/স/পা/তা/লে দেখতে আসবে না যে আমি কোন প/রি/স্থি/তে আছি কারণ আমাদের সকালে ঝ/গ/ড়া হয়েছে বলে। একবারও একটা মা/নু/ষ এসে জিজ্ঞেস করল না যে কি হয়েছে? তুমি এটা কেন করলে? এটা বলতেও আসা যেত না? আপনারা প্রবাহর পক্ষের কথা শুনতে গিয়ে বুঝতে পারছেন না, যে মে/য়ে/টা মা/*/*/ক চা/পে/র মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পর এরকম একটা প/দ/ক্ষে/প নিয়েছে। আমার মনে হয় আপনারা না জেনে দো/ষা/রো/প করাটা ছাড়ুন।

দেবলীনা আস্তে আস্তে সু/স্থ হচ্ছে। অনেকেই বলছেন লাইভ করেছে কেন? আজকে যদি লাইভটা না করত তাহলে হঠাৎ করে আপনারাই বলতেন, ইস, মে/য়ে/টা কাউকে কিছু বলেও গেল না! দেবলীনা এখনও প্রবাহকে ভা/লো/বা/সে। আমি হলে তো কোনোদিন এমন পু/রু/ষে/র কাছে ফিরে যেতাম না।”

Leave a Comment