Ditipriya-Ayesha:’দিতিপ্রিয়ার মায়ের যদি মেয়েকে নিয়ে এতই ভ’য় তাহলে মেয়েকে ঘরে বসিয়ে রাখুক সিরিয়াল করতে দেয় কেন?…’ দিতিপ্রিয়া ও তাঁর মাকে কটাক্ষ নেটপাড়ার, কড়া জবাব আয়েশার।
টলিপাড়ার অতি জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়। ইতিমধ্যেই কাজ করেছেন বড়পর্দাতেও। এখন ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে অভিনেতা জিতু কমলের বিপরীতে অভিনয় করছেন নায়িকা। মাঝে নায়ক-নায়িকার মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে দুজনে তা মিটমাট করে নেন।
কিন্তু এবার অন্যরকম ঝামেলায় জড়ান অভিনেত্রী। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে যেখানে প্রশ্ন ওঠে,দিতিপ্রিয়া যেখানেই যাবে সেখানেই মা’কে নিতে হবে! আরও নানান কুরুচিকর মন্তব্য করা হয় পোস্টে। এবার সেই পোস্টের বিরোধিতা করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আয়েশা ভট্টাচার্য।
একটি পেজ থেকে পোস্ট করা হয় লেখাটি। যেখানে বলা হয়, ‘মানে দিতিপ্রিয়া যেখানেই যাবে সেখানেই মা’কে নিতে হবে! শুটিং এ প্রতিদিন মাকে নিয়ে আসে মানলাম, তাই বলে জি বাংলার প্রোমোর শুটিংয়েও মা কে সঙ্গে আনতে হবে। কেন বাকি নায়িকারা কি একা শুটিং করে না, একে আসে না? এমন কোনো নায়িকা আছে যে সবসময় মায়ের আঁচল ধরে থাকে। আর দিতিপ্রিয়ার মায়ের যদি মেয়ে কে নিয়ে এতই ভয় তাহলে মেয়েকে ঘরে বসিয়ে রাখুক সিরিয়াল করতে দেয় কেন?’
আরও পড়ুন:Pallavi Sharma:দীর্ঘ বিরতির পর ছোটপর্দায় ফিরছেন পল্লবী,বিপরীতে বিশ্বরূপ
এই পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘জিতু বলছিল দিতির মাকে খুব ভয় পায়। ভয় পাওয়াটাই তো স্বাভাবিক। শুটিং এর কারণে হয়তো নায়িকার হাত ধরতে হবে,জরিয়ে ধরতে হবে,কিস করতে হবে তখন যদি নায়িকার মা এভাবে তাকিয়ে থাকে ভয় পাবে না তো কি করবে। কখন জানি বলে বসে এই ছেলে আমার মেয়ের হাত ধরলে কেন?এই ছেলে আমার মেয়েকে জরিয়ে ধরলে কেন?এই ছেলে আমার মেয়েকে কিস করলে কেন? শেষ পর্যন্ত মনের মধ্যে একটা প্রশ্ন রয়েই গেল আর্য অপর্ণার ফুলসজ্জা যখন হবে, তখনও কি তিনি এইভাবে ফুলসজ্জার ঘরে দাঁড়িয়ে থাকবেন?’
এই পোস্টেই দিতিপ্রিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে কড়া ভাষায় উত্তর দিলেন আয়েশা। তিনি লেখেন, ‘পোস্টের লেখাটা বড়ই হাস্যকর!! একজন মেয়ে তার মাকে সঙ্গে সব সময়ে রাখে বলে তাই নিয়ে এতো কথা! আমিও আমার মাকে সব সময়ে সমস্ত কাজের জায়গায় নিয়ে যাই উনি সব সময়ে আমার সঙ্গে সঙ্গে থাকে… সে কাজের জায়গায় মাকে নিয়ে যাবে সেটা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা! যে এই পোস্ট করেছেন তার চিন্তাধারণা দেখে বড়ই অবাক হলাম!! মেয়ে বড় হয় গেলে তাকে একা চলাচল করতেই হবে? মা থাকলেই দোষ হয় যাবে? অদ্ভুত বিচার।’