Sovan-Baisakhi:“খারাপ স্বামী, ভালো বাবা হতে পারে না”, “মেয়ের জীবনে যেন একটা ‘শোভন’ আসে – মেয়ে মহুলের জীবনে কেমন সঙ্গী চান বৈশাখী! অতীতের স্মৃতি টেনে কী জানালেন তিনি?

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Sovan-Baisakhi:মনোজিতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অ’শা’ন্ত ও বি’ষা’ক্ত দা’ম্প’ত্য জীবনে ক্লা’ন্ত হয়ে একসময় নিজেকে শে’ষ করে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়(Baisakhi Banerjee) । সেই অ’ন্ধ’কা’র জীবন থেকে ফিরে এসে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ( Sovan Chatterjee) হাত ধরেই যেন আবার বেঁ’চে থাকার মানে পেয়েছেন তিনি। ভা’লো’বা’সা’র এই স’ম্প’র্কে নতুন আলো দেখেছেন বৈশাখী, এবং তাঁর ইচ্ছে মেয়ের জীবনেও যেন এমনই একজন সঙ্গী আসে, যে তাঁকে সম্মান দেবে, নি’রা’প’ত্তা দেবে, জীবনের পথে শ’ক্ত করে পাশে থাকবে।

২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের রা’জ’নৈ’তি’ক প্র’ত্যা’ব’র্ত’ন ইতিমধ্যেই আ’লো’চ’না’র কেন্দ্রে। তাঁর ‘ঘরওয়াপসি’-র পেছনে রয়েছেন স’হ’বা’স সঙ্গী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসে ফেরার পথে একে অপরের প্রতি আ’স্থা ও সঙ্গের বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। শোভনের নামে সিঁদুর পরেন বৈশাখী, দু’জনেই খো’লা’খু’লি স’ম্প’র্কে’র কথা স্বীকার করেন; কিন্তু আইনগতভাবে তাঁদের স’ম্প’র্কে’র স্বীকৃতি নেই কারণ কোর্ট তাঁদের ডি’ভো’র্সে’র মামলা খা’রি’জ করায়, এখনও আইনত শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ই।

আইনি স্বীকৃতির বাইরে থেকেও মহুল ওরফে রিনিকে নিয়ে তাঁরা গড়ে তুলেছেন এক আলাদা পরিবার। উ’ষ্ণ’তা, দায়িত্ববোধ ও মা’ন’সি’ক জো’র এইসব মিলিয়ে তাঁদের গৃহকোণ আজ অনেক বেশি পরিপূর্ণ। অতীতের এক সাক্ষাৎকারে স’হ’বা’স নিয়ে নি’র্দ্বি’ধা’য় নিজের অবস্থান তুলে ধরেছিলেন বৈশাখী। একটি উ’চ্চ’মা’নে’র সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন স’হ’বা’সে’র সৌন্দর্য যেমন আছে, তেমনই রয়েছে তার দায়-দায়িত্ব, উভয়কেই গ্রহণ করতে হয়। নিজের মতো মতপ্রকাশে স্বাধীন হলেও ভবিষ্যতের পরিণতি নিয়েও ভাবেন তিনি একথা খো’লা’মে’লা ভঙ্গিতেই স্বীকার করেছিলেন।

আরও পড়ুন:Arjun Chakraborty:দু’টি বিয়ে, তৃতীয় বিয়ের প্রস্তুতি – সঙ্গে রক্ষিতা! ২০২৬-এ ‘রঙিন জমিদার’ হয়ে ফিরছেন অর্জুন চক্রবর্তী

নীনা গুপ্তার (Neena Gupta) জীবনকাহিনির উদাহরণ টেনে বৈশাখী বলেন, অতীতে সা’হ’সী সিদ্ধান্ত নিয়েও তাঁর জীবনে অ’নু’শো’চ’না’র জায়গা তৈরি হয়েছিল, কারণ নিজের মেয়েকে স’হ’বা’সে’র পথে যেতে দেননি, জোর করে বি’য়ে করান; অথচ পরে সেই বি’য়েও ভে’ঙে যায়। সেই প্রসঙ্গ মনে এনে বৈশাখী বোঝাতে চান সং’সা’র বা স’ম্প’র্কে’র কাঠামো চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং সন্তানের স্বাধীন সিদ্ধান্তকেই তিনি প্রাধান্য দেন।

মেয়ে মহুলকে নিয়েও একই খো’লা’মে’লা অবস্থান তাঁর। বৈশাখীর কথায় মহুল এখনও ছোট, কিন্তু সে বড় হয়ে কী পথ বে’ছে নেবে তা একান্তই তার নিজস্ব জীবনবোধ। সে কারও ছেলে পছন্দ করতেই পারে, আবার কোনও মেয়ের প্রতিও টা’ন অনুভব করতে পারে এই নিয়ে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। নিজের অভিজ্ঞতা তাঁকে শিখিয়েছে চা’পি’য়ে দেওয়া স’ম্প’র্ক সুখ দেয় না। তাই মেয়ের জন্য তাঁর একমাত্র কামনা মহুলের জীবনে যেন এমন একজন সঙ্গী আসে, যিনি তাকে স’ম্মা’ন দেবেন, বিকাশের সুযোগ দেবেন, এবং স’ম্প’র্কে’র প্রতিটি মুহূর্তে তাকে আনন্দে রাখবেন। বৈশাখীর ভাষায় “আমি যেমন স্বামী পেয়েছিলাম, তেমন প’রি’স্থি’তি’র পুনরাবৃত্তি যেন ওর জীবনে না হয়; তার চেয়ে শোভনের মতো একজন পার্টনার ওর জীবনে থাকুক।”

আরও পড়ুন:Prantikk Banerjee:”দিন আনি দিন খাই, আমার সঞ্চয়ও কিছু নেই…”, পর্দার ঝলকের আড়ালে কঠিন বাস্তবতা: আ’র্থি’ক ল’ড়া’ই’য়ে’র কথা প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেতা প্রান্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়

বৈশাখীর দৃ’ঢ় বি’শ্বা’স যে মানুষ জীবনের স’ঙ্গী হিসেবে ভা’লো’বা’সা দেয় ও শ্র’দ্ধা করে, সে-ই প্রকৃত অর্থে দায়িত্ববান বাবা হিসেবেও নিজেকে প্রমাণ করে। শোভন চট্টোপাধ্যায় মহুলকে নিজের মেয়ে হিসেবেই গ্রহণ করেছেন এ কথাও তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন। মহুলের স্কুলের পেরেন্টস–টিচার মিটিং হোক বা ছোট কোনও দা’য়ি’ত্ব এখনও পর্যন্ত তিনি ভু’লে যাননি। বৈশাখীর প্রশ্নে শোভন হালকা রসিকতার সুরে জানিয়েছিলেন “যেদিন আমাদের বি’য়ে হয়ে যাবে, সেদিন একটু বিশ্রাম নেব, এখন ভাবতেই পারি না তুমি একা সব করবে।”

মেয়ের কাছে কখনও তিনি ‘দু’ষ্টু’, কখনও আবার ‘বাবা’। নাম যাই হোক, ভূমিকা একই রিলিনার জীবনে আজ তিনি একজন পূ’র্ণা’ঙ্গ অভিভাবক। বৈশাখীর চোখে একজন ভা’লো’বা’সা’র মানুষ যেমন পাশে দাঁড়াতে জানেন, ঠিক তেমনই একজন স্নে’হ’শী’ল বাবাও হতে পারেন তিনি।

আরও পড়ুন:Parambrata Chattopadhyay:নতুন সুর পরমব্রতর, ফেডারেশনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যের বার্তা দিলেন অভিনেতা, ‘পাল্টিবাজ’ বলে কটাক্ষ নেটপাড়ার

নিজের বে’দ’না’ম’য় অতীত, সা’হ’সী বর্তমান ও আশাবাদী ভবিষ্যতের কথা বলতে বলতে বৈশাখী যেন একটাই কথা বোঝান ভা’লো’বা’সা মানে কেবল স’ম্প’র্কে’র ট্যাগ নয়, স’ম্মা’ন, সু’র’ক্ষা ও মা’ন’সি’ক বিকাশের জায়গা তৈরি করা। আর সেই কারণেই তাঁর আন্তরিক কামনা মহুলের জীবনে একদিনও যেন এমন একজন মানুষ আসে, যে তাকে প্রতিদিন নতুন করে হাসতে শেখাবে।

Leave a Comment