Kunal-Dev-Rana:”আমি কেন ‘রঘু ডাকাত’-এর বিরোধী হব?… চুক্তির কথা বললেই লাফাচ্ছেন কেন?…” রানা সরকারের প্রশ্নের উত্তর দিলেন কুণাল ঘোষ, ‘রঘু ডাকাত’ নিয়ে কী বললেন তিনি?
এই বছর পুজোতে বক্স অফিস কাঁপাতে আসছে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির একাধিক তারকা। আসছে ‘রঘু ডাকাত’, ‘রক্তবীজ ২’, দেবী চৌধুরানী, ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’। কোনটা ছেড়ে কোনটা দেখবেন দর্শক চিন্তায় দর্শক। টলিপাড়ায় গুঞ্জন, এবছরেও পুজোর সময় কোন ছবি প্রেক্ষাগৃহে আগে দেখানো হবে এবং প্রদর্শনের সময় নিয়ে নাকি টানাপড়েন শুরু হয়ে গিয়েছে। এই লড়াইয়ে এগিয়ে নাকি ‘রঘু ডাকাত’,এমনটাই ধারণা অনেকের।
সম্প্রতি এই বিষয়ে নিজের মত ব্যক্ত করেছেন রাজনীতিবিদ-অভিনেতা কুণাল ঘোষ। লিখেছেন,”যা খবর, ‘প্রভাবশালী’ একটি ছবি শুরু থেকেই একাধিক প্রেক্ষাগৃহে বাড়তি প্রদর্শন সময় পাচ্ছে। ‘রক্তবীজ ২’-এর মতো প্রথম পর্ব সুপারহিট হওয়া ছবিকেও কোণঠাসা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গোড়া থেকে। এটা কাম্য নয়। শুরুতে সবাই সমান সুযোগ পাক। তারপর দর্শকের বিচার। সেটা না হলে এত বৈঠকের মানে কী?”
আরও পড়ুন:kunal-Sohini:সোহিনী সরকারকে খোঁচা কুণাল ঘোষের! কিন্তু কেন?
‘রঘু ডাকাত’-এর দুই প্রযোজক দেব এবং এসভিএফ প্রেক্ষাগৃহ ও প্রদর্শন সময়ের দখলদারিতে এগিয়ে রয়েছে? একথা শুনতেই বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন কুণাল ঘোষ। জানান, ‘রঘু ডাকাত’, ‘রক্তবীজ ২’, দেবী চৌধুরানী, ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’ সমান সুযোগ পাক। তারপর দর্শকের বিচারে দৌড় চলুক। একটা ছবি নেপথ্য প্রভাবে শুরুর দিন থেকে বাড়তি প্রদর্শন সময় এবং প্রেক্ষাগৃহ পেলে তার প্রতিবাদ হবে। ‘রঘু ডাকাত’-এর প্রযোজকদের উচিত ক্রেডিট কার্ডের শেষে সর্বভারতীয় তৃণমূল স্তরকে কৃতজ্ঞতা জানানো। জেলাস্তরে ছবি প্রচারের সময় স্থানীয় নেতারা সাংসদ-অভিনেতাকে প্রচণ্ড সহযোগিতা করছেন। আসল কথায় আসি। পুজোয় চারটে সিনেমাই প্রথম সপ্তাহে সমান সুযোগ পাক। তারপর দর্শকের সাড়া অনুযায়ী হল মালিক সিদ্ধান্ত নিক। এই চুক্তির কথা বললেই আপনি লাফাচ্ছেন কেন?”
কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যে পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি প্রযোজক রানা সরকার। তিনি লেখেন,”দেব বিরোধী কেন কুনাল ঘোষ ?
রঘু ডাকাতের পেছনে লাগছে কেন কুনাল ঘোষ ?বাংলা সিনেমা নিয়ে এখন এত কথা কেন বলেন কুনাল ঘোষ ?
কুনাল ঘোষের পেছনে টলিউডের কোন প্রোডাকশন হাউস ?
আরও পড়ুন:Koneenica-Mithun:মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে আচমকাই কী মন্তব্য করে বসলেন কনীনিকা ব্যানার্জী?
২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে কুনাল ঘোষের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বিষয়ে কথা বলা কি কোনো দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্ট্রাটেজি ?
ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির লোক হিসেবে না, একজন সাধারণ রাজনৈতিক সচেতন বাঙালি হিসেবে আমার এই প্রশ্ন”
রানা সরকারের প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর দিতে দেখা যায় কুণাল ঘোষকে। শেষে তিনি এটাও বলেন,”আমি ধূমকেতুর লাগাতার প্রচার দিয়েছি আমি জড়িত থাকা সব কটা মিডিয়ায়। আমি কেন রঘু ডাকাতের বিরোধী হবো? ‘বিনোদিনী’ নিয়ে আমি কতটা ইমোশনালি ইনভলবড ছিলাম, রুক্মিনীকে জিজ্ঞেস করে নেবেন। ওওওও রানাবাবু, একটা কথা আছে জানেন তো, পড়ল কথা সবার মাঝে, যার কথা তার গায়ে বাজে। আপনার গায়ে বাজল, এবং আপনি লাফাচ্ছেন। ছেলেমানুষ। চাঁদ টাইপের। দেখতে ভালো, কিন্তু অন্যের আলোয় আলোকিত। আমি রঘু ডাকাতেরও সমর্থক, কারণ আমি বাংলা ছবির ভক্ত।”
সমাজমধ্যমের পাতায় চোখ রাখলেই বোঝা যায় দুজনের মধ্যেই চলছে ঠান্ডা লড়াই। তবে কোন ছবি দেখতে দর্শক বেশি আগ্রহী, তা তো সময়ের অপেক্ষা।