Debolinaa Nandy: ব্যক্তিগত স’ম’স্যা’র কারণে আ/*/হ/*র পথ বেছে নিয়ে গেলেন সংগীতশিল্পী দেবলীনা নন্দী(Debolinaa Nandy)। বন্ধু সায়ক তাঁকে সাহায্য করায় উঠলেই এসেছে নানান কু’ম’ন্ত’ব্য। কেন তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অ’বশে’ষে লা’ই’ভে এসে সমস্ত সত্যিটা জানালেন।
দেবলীনাকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমি ২-৩ দিন ধরে ফোন থেকে একটু দূ’রে’ই ছিলাম। আমি শুধু কটা কথা বলতে চাই। এখন যা পরিস্থিতি হয়েছে সেটা দেখে মনে হচ্ছে বেঁ’চে গিয়ে বড় ভু’ল করে ফেলেছি। ৭৮টা ও’ষু’ধ না ৬৮টা ও’ষু’ধ, এটা নিয়ে সবার মা’থা ব্য’থা। ৭৮টা ও’ষু’ধ’ই কেন? যখন কোনো মানুষ ভাবেব ম’রে যাব, সেটা যে কোন পরিস্থিতে গিয়ে সিদ্ধান্তটা নেয় সেটা যারা সু/*ই/*সা/*ই/*ড করেছে, চেষ্টা করেছে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে পারো। আমি বলছি না যে আমি খুব ভা’লো কাজ করেছি। সু/*ই/*সা/*ই/*ড করাটা কোনো স’ম’স্যা’র স’মা’ধা’ন নয়। অনেকে অনেক কিছু বলছেন, ভিডিও করছেন। তারপর এক মহিলার নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, উনি বলছেন স’ম্প’র্ক থেকে বেরিয়ে আসতে। আমি প্রবাহকে বি’য়ে করেছি ভা’লো’বে’সে। যে মুহূর্তে আমার চোখ ব’ন্ধ হয়ে আসছিল সেই মুহূর্তেও আমি ক’ল্প’না করেছি যদি প্রবাহ আমার কাছে আসে। বা অন্তত একটা খোঁজ খবর নেয়। মানুষ তো বি’য়ে করে ভা’ঙা’র জন্য নয়। হ্যাঁ অনেকে আছে যে স’ম’স্যা হচ্ছে মানতে পারছি না। চল ডি’ভো’র্স নিয়ে নিই। কিন্তু আমার মা’থা’য় এটা কখনও আসেইনি। বি’য়ে’র আগে আমিও অনেক কথা বলতাম যখন আমার জীবনে প্রবাহ ছিল না, তখন বলতাম মানতে না পারলে ছে’ড়ে দেব, থাকব না। কিন্তু সেটা আমি পারিনি। আমি শে’ষ যে লা’ই’ভ’টা করেছিলাম সেখানে আমি বলিনি যে প্রবাহ খা’রা’প, বা’জে কিছু বলিনি। প্রবাহ আমাকে কতটা ভা’লো’বা’সে জানি না কিন্তু শুধু এইটুকু জানি ওর কাজ আর ওর মায়ের কথা, এই দুটো হচ্ছে ওর কাছে সবথেকে বেশি গু’রু’ত্ব’পূ’র্ণ। প্রবাহর সাথে আমার যত ঝা’মে’লা’ই হয়ে যাক আমার কাছে ছে’ড়ে আসাটা অপশন ছিল না। আমি জানতাম যে আমি থাকতে পারব, মানিয়ে নেব, একসাথে থাকব, শে’ষ অব্দি থাকব। প্রবাহ আমাদের করার গিফট দিল, আমি প্রবাহকে কটা গিফট দিলাম, আমি এগুলো কখনও হিসাব করিনি। আর ভিডিওতে দেখিয়ে কিছু করিনা। বি’য়ে’র পরে আমার টা’কা জমানো বলে কিছু থাকত না। আমার সবসময় মনে হত প্রবাহকে এটা কিনে দি, ওটা কিনে দি, এটা ভা’লো’বাসা’র জন্য, কথা শোনানোর জন্য নয়। আমি এটা বলছি না যে প্রবাহ আমাকে ভা’লো’বা’সো না। কিন্তু যতটা আমি ভা’লো’বা’সি, হয়ত ও ততটা ভা’লো’বা’সে না। বি’য়ে’র আগে যখন আমার অ্যা’ক্সি’ডে’ন্ট হয়েছিল, আমাকে হ’স’পি’টা’লে ঢু’কি’য়ে দিল, আমার ভাইকে বলল, আমার কালকে ডিউটি আছে, আমার ভাই বলল ঠিক আছে, তুমি তাহলে বাড়ি চলে যাও। ও দিব্যি বাড়ি চলে গেল। আমার জন্য অপেক্ষা করেনি।”
তিনি আরও বলেন, “যে কথাটা আমার এবার বলার, এটা বোধহয় প্রবাহ এসে নিজে বললেই ভা’লো হয়। সায়ককে নিয়ে প্রবাহর কোনো স’ম’স্যা ছিল না। সায়ক আমাদের বাড়িতে এসেছে, প্রবাহ থাকাকালীন এসেছে। প্রবাহ বাড়িতে না থাকলে সায়ক কোনোদিনই বাড়িতে পা রাখেনি। কা’জ ছাড়া সায়কের সাথে আমার কোথাও দেখা হত না। কোনোদিন সায়কের সাথে কোনোদিন কোথাও এমনি ঘুরতে বেরোয়নি। কোনো কিছুর প্র’মো’শ’ন, কা’জে’র ক্ষেত্রে সায়কের সাথে দেখা হত। এমনও হয়েছে প্রবাহ নিজে আমাদের সাথে গেছে। কেন বেকার বেকার সায়ককে টা’না হচ্ছে জানি না! হয়ত আমি প্রথম মেসেজটা সায়ককে করেছি বলে তাই। তাও সায়ককে আমি এটা লিখেছিলাম, ‘ভাই আমি ঘুমের ও’ষু’ধ খেয়েছি, আমি বাঁ’চ’ব না ম’র’ব! সায়ক বলল তুই কি পা’গ’ল?’ প্রবাহর সাথে আমার সাধারণত কোনো ঝা’মে’লা হয় না। যখন বা যে সময় প্রবাহ ওর মার কথা শোনে, আমার ক্ষেত্রে আমার মা বা যেকোনো বন্ধু আমাকে মেসেজ করলে, আমি কারোর মেসেজ গো’প’ন করে রাখি না। প্রবাহর ক্ষেত্রে শুধু ওর মায়ের মেসেজ গো’প’ন করা থাকে।”
দেবলীনার কথায়, “আমাকে সবাই বলেছে পাইলটদের চ’রি’ত্র ভা’লো হয় না। আমি সবাইকে একটা কথাই বলেছিলাম, ভগবানও যদি আমাকে এসে বলে, প্রবাহর চরিত্র খা’রা’প আমি মানব না। প্রবাহ জানত যে আপনি প্রবাহকে ছাড়া অন্য কোনো ছেলের দিকে তাকানো তো দূর কথাও পর্যন্ত বলি না। আমাদের মধ্যে একটাই স’ম’স্যা, আমার মাকে ছা’ড়’তে হবে। জানি না কোনো কারণে আমার মাকে পছন্দ নয়। আমার মা দেখতে ভা’লো নয়, কথা বলতে পারে না, অনেক কিছু। এটা নিয়েও কিছু মাস আগে, খুব বড় ঝা’মে’লা হয়। আমাকে ঘর থেকে বে’র করে দেওয়া হয়। আমার শাশুড়ি মা, আমাকে এটাও বলে তোমার জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ি থেকে বে’র হয়ে যাও। আমার শ্বশুরমশাই আমাকে বলে, শু’তে আসবে আমার ছেলের পাশে, শু’তে আসতে হবে না। চ’লে যাও। আমার এখন বি’শা’ল বড় দো’ষ আমি ভ্লগ করি। কিন্তু ভ্লগ করে এটা দেখাই না যে দরজা ব’ন্ধ করে স্বামীর সাথে কি করছি? আমি হচ্ছি সাধারণ একটা বাঙালি মেয়ে আমার কাছে প্রত্যেকটা জিনিসের ক’দ’র আছে। ছে’ড়ে আসছি, স’ম্প’র্ক ভা’ঙ’তে চাইছি বলে ছে’ড়ে আসতে পারি না আমি। যদি বেরিয়ে আসতে পারতাম যেদিন প্রথম আমার মাকে ছো’ট বড় কথা বলেছিল সেদিনকেই বে’রি’য়ে আসতে পারতাম।
বিয়ের পর এক মাস দিল্লি চ’লে গিয়েছিল। সেই সময় আমি এক বোনের সাহায্য নিয়ে পুরো ফ্ল্যাটটা সাজিয়ে তুলেছিলাম। আমি কিন্তু কখনও বলিনি প্রবাহও বা’জে বা খা’রা’প।”
ভিডিওটি পোস্ট করে দেবলীনা লিখেছিলেন, “এটাই আমার প্রথম ও শে’ষ বক্তব্য। অনেকেই বলছেন এই অবস্থায় কিভাবে ভ্লগ করা যায়! আপনি কি আমার মৃ’ত্যু কামনা করছেন। অনেক কিছুই তাদের নিয়ে করতে পারতাম, কিন্তু না। এবার সব প্রমাণ সমেত অন্য জায়গায় দেখাব। বি’য়ে হয়েছে মানে নিজেকে বি’ক্রি করিনি, এই নয় যে নিজের মাকে ছে’ড়ে দেব! আমি দো’ষ করেছি সব দুঃ’খ লু’কি’য়ে আসল অ’প’রা’ধী’কে আয়নার সামনে ভা’লো সাজিয়েছি। এবার দরকার হলে উ’ল্টো’টা করব!”