Debolinaa-Sayak:”সায়ককে এর মধ্যে টানবেন না, যদি আমাকে ম’*’তে হয় আমি ম* যাব, কিন্তু সংসার ভা’ঙ’তে চাই না, মানুষটাকে আমি ছাড়তে চাই না, আমি এখনও ওর জন্য অপেক্ষা করছি…” ভিডিওতে কা’ন্না’য় ভে’ঙে পড়লেন দেবলীনা, সায়ক ও তাঁকে নিয়ে চলা কু’রু’চি’ক’র ম’ন্ত’ব্যে’র জ’বা’ব’ও দিলেন তিনি

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Debolinaa-Sayak: গত কয়েকদিন ধরে সমাজমাধ্যমে সংগীতশিল্পী দেবলীনা নন্দীকে(Debolinaa Nandy)নিয়ে সায়কের(Sayak Chakraborty)নাম জড়িয়ে যে কাঁ’টা’ছে’ড়া করা হয়েছে তার সমস্ত জবাব দিয়েছেন একটি লা’ই’ভে’র মাধ্যমে। এখনও তিনি আশায় আছেন তাঁর বর প্রবাহ নন্দী তাঁর কাছে আসবেন। বারবার সময় তাঁর দিকেই আ’ঙু’ল তুলেছেন। অবশেষে মুখ খুললেন তিনি।

ভিডিওটি পোস্ট করে দেবলীনা লেখেন, “আমি যে পথটা বে’ছে নিয়েছিলাম। সেটা কোনো সঠিক পথ নয়। ভু’ল আমি করেছি কিন্তু সবটাই ভা’লো’বা’সা’র জন্য। একদিকে আমার মা আর একদিকে ভা’লো’বে’সে বি’য়ে করা বর। আমি একটু স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছি। দয়া করে নোং’রা ট্রো’ল’গু’লো করে মা’ন’সি’ক স্থি’তি ঘা’ট’বে’ন না। দ’ম ব’ন্ধ হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম সেই দিনটা জীবনের শে’ষ হবে। কিন্তু ভগবান বাঁ’চি’য়ে দিয়েছে আমাকে একটু সু’স্থ’ভা’বে বাঁ’চ’তে দিন। ভা’লো’বা’সা’র মানুষ, আর সং’সা’র হা’রি’য়ে’ছি যেটা আমার কাছে ম’রে যাওয়ার সমান। আপনাদের বি’ষ কথায় আবার মে’রে ফে’ল’বে’ন না আমাকে দয়া’ করে।

ভিডিওতে দেবলীনা জানিয়েছেন, “আমি ভেবেছিলাম প্রবাহও আমার সাথে থাকতে থাকতে অনেকটা প’রি’ব’র্ত’ন হয়ে যাবে। অনেকটা নিজেকে প’রি’ব’র্ত’ন করেছিল। স’ম’স্যা’টা অন্য জায়গায় হয়ে যায় যখন প্রবাহ আমাকে একটু বেশি ভা’লো’বা’সো, বেশি গু’রু’ত্ব দেয়, আমার কথাগুলো একটু শোনে, আমি জানি না, ওর মা, না কে, ওর কান ভ’রে তখন আমাদের মধ্যে প্র’চ’ন্ড ঝা’মে’লা শুরু হয়ে যায়। শে’ষ দিনের ঝা’মে’লা’টা আমি বলছি। আমি চন্দননগরে ক্লাস করাতে যাই। আমার সব স্টুডেন্টরা আমাকে জানাত যে আমার যে নীচে জেঠি-শাশুড়ি থাকে, তারা নাকি আমার স্টুডেন্টদের জু’তো’র মধ্যে নাকি জ’ল ঢে’লে দিত! প্রত্যেকদিন নাকি এটা করত বারবার। তো সেটা আমার শ্বশুর, শাশুড়িকে বলেছিলাম, ওরা কিছু বলেনি। একটা সময় কিছু স্টুডেন্ট ক্লাস ছে’ড়ে দিল। আমার যদি দু-তিন দিন পরপর কা’জ থাকে তখন বলা হয় ছেলে বাড়িতে এ’কা থাকে। কিন্তু ছেলের যখন এক মাস বা’ই’রে কা’জ থাকে সেটা কোনো স’ম’স্যা নয়, কারণ ও তো ছেলে। কা’জ থাকতেই পারে। প্রবাহ কখন কি বলে আমি জানি, কিন্তু ওকে দিয়ে কথাগুলো বলানো হয়। অষ্টমঙ্গলার পরে প্রবাহ একটা দিনের জন্যেও আমার বাড়ি যায়নি। থাকা তো দূ’র, খেতেও যায়নি। আমি যে গাড়িটা কিনেছি সেটা অনেকেই বলছে ওঠে নাকি প্রবাহ আমাকে দিয়েছে। দ’য়া করে না জেনে শুনে কথা বলবেন না। ওই গাড়িটা আমি কিভাবে কি’নে’ছি? সেটা আমি জানি। গাড়িটা যখন আমি কিনি প্রবাহকে তখন আমি চি’ন’তা’ম না। পারলে নে’ট’টা ঘেঁ’টে ভিডিওগুলো দেখো। তখন আমি ভ্লগ করতাম না কিন্তু ভিডিও ছে’ড়ে ছিলাম। বি’য়ে’র আগে ওর মা আমাকে বলেছিল, ছেলে এমন থাকবে না ছেলে ঠা’ন্ডা হয়ে যাবে। শুধু ওই একটা কথা ভেবেই ছিলাম যে ও আমাকে একদিন না একদিন বুঝবে। যারা এইসব উ’ল্টো’পা’ল্টা কমেন্ট করছ আমি জানিনা তাদের জীবনে কোনো ভা’লো’বা’সা এসেছে কিনা বা তোমরা বি’য়ে করেছ কিনা! কিন্তু আমি এরকম, আমি ভা’ঙ’তে ভা’লো’বা’সি না, যদি আমি কাউকে ধরি সেটা ধরে রাখতে পছন্দ করি। তাতে যদি আমাকে ম’র’তে হয় আমি ম’রে যাব, কিন্তু সং’সা’র ভা’ঙ’তে চাই না। মানুষটাকে আমি ছা’ড়’তে চাই না। অনেকের আবার দুঃ’খ মানুষটা বেঁ’চে গেল কি করে? এতগুলো ও’ষু’ধ আবার জো’গা’ড় করলাম কোথা থেকে? আমি ম’র’ব ম’র’ব ভাবছি। আমাকে ঘর থেকে বের’ করে দেওয়া হয়েছিল প্রবাহও কোনো কথা বলেনি। উল্টে প্রবাহ বলেছিল বে’রি’য়ে যাও। সেই মুহূর্তে আমার মনে হয়েছিল আমার পৃথিবীটা ওখানেই শে’ষ হয়ে গেছে। তখন থেকে আমি টা’র্গে’ট করছি, এবার ম’র’ব। কিন্তু আমি না ওই দশতলা থেকে ঝাঁ’প দিলাম, গাড়ির সামনে এলাম, এগুলো না আমি ভ’য় পাই। আমি ম’র’তে ভ’য় পাই।”

আরও পড়ুন:Debolinaa Nandy:”শ্বশুরমশাই আমাকে বলে আমার ছেলের পাশে শুতে আসতে হবে না,পাইলটদের চরিত্র ভালো হয় না, ডি’ভো’র্স স’ম’স্যা’র সমাধান নয়…”, ৭৮টা ও’ষু’ধ না ৬৮টা ও’ষু’ধ, এটা নিয়ে সবার মা’থা ব্য’থা। ৭৮টা ও’ষু’ধ’ই কেন? লাইভে এসে বি’স্ফো’র’ক ম’ন্ত’ব্য দেবলীনার!

তিনি আরও বলেন, “অনেকের বক্তব্য এতগুলো ও’ষু’ধ পেল কি করে? আমি চার পাতা ঘুমের ও’ষু’ধ খেয়েছি। প্রত্যেকটা পাতায় ১৭টা করে ছিল। এটা আমি সায়ককে পাঠিয়ে বলেছিলাম, ভাই ঘুমের ও’ষু’ধ খেয়েছি বেঁ’চে যাব, না ম’রে যাব? ম’রা’র আগে আমার অনেক কিছু কথা বলার আছে, তুই কি শুনবি? ও বলল কি বলবি বল! আমি বলেছিলাম আমি যা বলব তুই রে’ক’র্ড করবি। আমি ভেবেছিলাম ওকে সবটা বলে যাব। আমার কিছু কথা প্রবাহকে বলার ছিল। আমি ভেবেছিলাম ওটা বলব যাতে শেষ অব্দি প্রবাহের কা’নে ও’ঠে। আমি এখনও এখানে বসে অপেক্ষা করছি, প্রবাহ একবার আসে, একবার আমাকে এসে জিজ্ঞেস করে তুমি কেমন আছ? কিন্তু সেটা করবে না ও। আমি এখানে খেতে পারছি না। অনেকের দুঃখ ৬৮টি টা ট্যা’ব’লে’ট খেয়ে কিভাবে বেঁ’চে গেল? আমি জানিনা আমি কি করে বেঁ’চে গেলাম। পরের দিনই আমি ভ্লগ করিনি। আমি প্রথমে সাঁতরাগাছি তে ভ’র্তি ছিলাম তারপর এসএসকেএম হা’স’পা’তা’লে আনে। এখানেই সবাই আমাকে দেখতে আসে। তখন ওরা নিজেদের মতো করে ভিডিও করেছে। আমি চোখ খোলার পর থেকে তখনও আমি ভে’বে রেখেছি যে প্রবাহ অন্তত আসবে, আমার সামনে এসে দাঁড়াবে। বলবে যে কি দরকার ছিল এসব করার? জিজ্ঞাসা করবে আমি এখনও অব্দি ওখানেই আ’ট’কে রয়েছে যে ও এসে জিজ্ঞাসা করবে। যারা বড় বড় কথা বলছ না ছে’ড়ে দাও নি কেন, ডি’ভো’র্স দিয়ে দাও নি কেন? আমি না স’ম্প’র্ক’টা ভা’ঙ’তে চাইনি, শেষ পর্যন্ত থাকতে চেয়েছিলাম। সব অ’প’মা’ন স’হ্য করেও মা’নি’য়ে নিয়ে চ’ল’তে চেয়েছিলাম। প্রবাহ যখন স্বাভাবিক থাকত, তখন আমাকে বারবার বলতাম তুমি আমাকে ছে’ড়ে চলে যাবে না তো? আমার মা’থা’তে না ওটাই ছিল আমি কখনও ছে’ড়ে যাবো না। যেভাবে হোক আমি সাথে থা’ক’ব। সায়ক আমার ভী’ষ’ণ ভা’লো বন্ধু। ওকে আমি ডা’কিও ভাই, ভাই বলে।”

আরও পড়ুন:Debolina Nandy:৭৮টি ঘু’মে’র ও’ষু’ধ কিভাবে পেলেন দেবলীনা? দিদির লাইভে বি’স্ফো’র’ক অ’ভি’যো’গ – হাসির আড়ালে কী ভ’য়া’ন’ক য’ন্ত্র’ণা লু’কি’য়ে রেখেছিলেন দেবলীনা নন্দী?

একটি ব্যক্তির কমেন্টের উত্তর দিয়ে দেবলীনা জানিয়েছেন, “আমি ম’রে গেলে তোমরা কি করতে আমি তাও জানিনা? বেঁ’চে গেছি বলে তোমাদের কি স’ম’স্যা আমি তাও জানি না? ভগবানের কাছে হা’ত’জো’ড় করে প্রার্থনা করব যদি তোমার বাড়িতে কোনো মেয়ে, বোন কেউ থেকে থাকে তার সাথে যেন এই একই ঘ’ট’না ঘ’টে। কিছু মানুষের কমেন্ট না, আমি স’ত্যি বলছি নিতে পারছি না। এখনও প্রবাহর জন্য অ’পে’ক্ষা করছি। জানিনা ও আমাকে ভা’লো’বে’সে ছিল কি না? ও এখন নিজের দিকটা বাঁ’চা’চ্ছে। যদি আমার আর প্রবাহর মধ্যে ন’র’মা’ল কোনো স’ম’স্যা থাকত আমি কোনো না কোনোভাবে সেটা ঠিক করে নিতাম। কিন্তু আমি মাকে কি করে ছা’ড়ি বলত? প্রবাহ কোনোদিন আমার চ’রি’ত্র নিয়ে স’ন্দে’হ করেনি আমিও প্রবাহর চরিত্র নিয়ে কোনোদিন স’ন্দে’হ করিনি। দ’য়া করে সায়ককে এর মধ্যে টানবেন না। যে মানুষটা নিজে সামনে থেকে বাঁ’চা’নো’র জন্য এত কিছু করেছে। সা’য়কে’র সাথে আমার র’ক্তে’র স’ম্প’র্ক নেই। একটা ছেলে আর একটা মেয়ে নাকি বন্ধু হতে পারেনা! কিন্তু ও ভী’ষ’ণ ভা’লো বন্ধু। দ্বিতীয়বার থেকে হয়ত আর কাউকে বাঁ’চা’বে না, ভ’য় পাবে। যদি আবার অন্য কারোর সাথে ওর নাম জ’ড়ি’য়ে যায়। আমি প্রবাহকে এখনও প্র’চ’ন্ড ভা’লো’বা’সি। আমি চেয়েছিলাম ও একটু বু’ঝু’ক কিন্তু সেটা হয়নি। শেষ দু-তিন মাস মায়ের সাথে কথা বলাই ব’ন্ধ করে দিয়েছিল সবাই মিলে। বি’য়ে’র আগে যদি আমার কাছে এরকম কোনো কিছু বলা হত, বি’য়ে করছ মানে বাপের বাড়ি ছা’ড়’তে হবে! হয়ত আমি বি’য়ে’টা করতাম না! কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে, এক বছর আমি একটা মানুষের সাথে রয়েছি, যাকে আমি প্র’চ’ন্ড ভা’লো’বা’সি। এটা আমি কাউকে বো’ঝা’তে পারছি না। আমি এখনও পর্যন্ত অ’পে’ক্ষা করছি প্রবাহ আসবে বা একটা ফো’ন করবে। কিছু করেনি। উল্টে লোকজন বলছে সবটাই নাটক। আপনি নাকি খো’র’পো’ষ নেওয়ার জন্য। আমার কোনো টা’কা’র দরকার নেই। আমি প্রথম থেকে প্রবাহকে বলেছি আমার কোন টা’কা প’য়’সা লাগবে না। যা আছে সব তোমার মাকে দিয়ে দাও। আমি শুধু প্রবাহর সাথে থাকতে চেয়েছি ওর মতো করে।”

Leave a Comment