Debolinaa-Sukanta: দেবলীনার কামব্যাকেই ট্রোল,নে’গে’টি’ভি’টি আর ক’টা’ক্ষে’র বড় জবাব সুকান্ত-অনন্যার

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Debolinaa-Sukanta:সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ঘিরে নতুন করে আ’লো’চ’না’য় উঠে এলেন গায়িকা দেবলীনা নন্দী(Debolinaa Nandy)। ক’ঠি’ন মা’ন’সি’ক সময় পেরিয়ে আবার স্টেজে ফিরে গান গাওয়া, কনসার্টে অংশ নেওয়া, এই কামব্যাককে ঘিরেই প্রকাশ্যে খুশির কথা জানালেন সুকান্ত কুন্ডু(Sukanta Kundu) ও অনন্যা গুহ(Ananya Guha)। তবে এই খুশির মাঝেই উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার নির্মম ট্রো’লিং, ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলানো, ডি’ভো’র্স নিয়ে ক’টা’ক্ষ, কম বয়সে বি’য়ে করা নিয়ে বি’দ্রু’প এবং পাবলিক ফিগারদের ওপর চা’পি’য়ে দেওয়া অ’মা’ন’বি’ক প্র’ত্যা’শা’র প্রশ্ন।

ভিডিওতে সুকান্ত কুন্ডু(Sukanta Kundu) জানাচ্ছেন, দেবলীনার স্টেজে ফেরাটা তিনি নিজের চোখেই দেখেছেন। তাঁর কথায়, “কিছুক্ষণ আগেই একটা লা’ই’ভ দেখছিলাম… ও আবার স্টেজে ফিরে গেছে, পুরো দ’মে কনসার্ট করছে, গান করছে।” একজন শিল্পীর জীবনে এমন প্রত্যাবর্তন যে কতটা মা’ন’সি’ক শ’ক্তি’র পরিচয়, তা আ’লা’দা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। দীর্ঘ সময় ধরে যে মানুষটিকে ঘিরে নে’গে’টি’ভ মন্তব্য, ক’টূ’ক্তি আর ট্রো’লে’র ব’ন্যা বইছিল, সেই মানুষটিই আবার নিজের কাজের জায়গায় ফিরে এসেছেন এটাই অনেকের কাছে সবচেয়ে বড় উত্তর।

ভিডিওতে আরও বলা হয়, দেবলীনার এই ফিরে আসা শুধুই গান গাওয়া নয়, বরং নে’গে’টি’ভি’টি’কে অগ্রাহ্য করে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা। সুকান্তর কথায়, “মানুষ এত নে’গে’টি’ভি’টি দিয়েছে… কিন্তু সবকিছুর ঊ’র্ধ্বে গিয়ে ও আজ আবার নিজের নরমাল লাইফে ফেরার চেষ্টা করছে।” এখানে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ার সেই চেনা ছবি, যেখানে কারও জীবনের একটা অধ্যায় দেখে পুরো মানুষটিকে বি’চা’র করে ফেলা হয়। ভু’ল, সি’দ্ধা’ন্ত, পরিস্থিতি সবকিছুর জ’টি’ল’তা না বুঝেই একের পর এক মন্তব্য ছোড়া হয়।

দেবলীনার জীবনের একটি ভু’ল সি’দ্ধা’ন্ত বা ক’ঠি’ন সময়ের প্রসঙ্গও এড়িয়ে যাননি তাঁরা। বরং সেটাকেই সামনে এনে তাঁরা বলেছেন, ভুল থেকে শি’ক্ষা নেওয়াটাই আসল। সুকান্ত বলেন , “একটা ভু’ল পদক্ষেপ নিয়েছিল অবশ্যই, সেই ভু’ল’টা’কে শুধরে নিয়ে ও আবার জীবনের রাস্তায় হাঁটছে।” এই জায়গাতেই দেবলীনার কামব্যাককে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি বলে ব্যা’খ্যা করা হয়েছে। যারা একসময় নে’গে’টি’ভ কমেন্ট করে আনন্দ পেয়েছিলেন, তাদের উদ্দ্যেশ্যে স্পষ্ট বার্তা সবচেয়ে বড় সাফল্য হল, সে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে।

আরও পড়ুন:Kanchan Mullick:“আমি কমেডিয়ান, তাই চাই সবাই হাসুক”- ট্রো’ল, তৃতীয় বিয়ে আর সোশ্যাল মিডিয়ার ক’টা’ক্ষ নিয়ে অকপট কাঞ্চন মল্লিক

সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রো’লিং নিয়ে ক্ষো’ভ’ও ঝরে পড়ে সকান্ত-অনন্যার কণ্ঠে। দেবলীনার সেই ক’ঠি’ন সময়কে কেন্দ্র করে কী ধরনের মন্তব্য করা হয়েছিল, তার উদাহরণ দিতে গিয়ে সুকান্ত বলেন , “মানুষ বাঁচল কী করে? বেঁচে গেল মেয়েটা?” এই ধরনের মন্তব্য শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, গোটা স’মা’জে’র মা’ন’সি’ক অবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। তাঁর মতে, দেবলীনার এই কামব্যাক আসলে সেই সমস্ত নে’গে’টি’ভ মন্তব্যের সবচেয়ে ভা’লো জবাব। তাঁর ভাষায়, “ওর এই কামব্যাকটা সবার মুখে একটা করে লা’থি’ই বলব, না থা’প্প’ড় বলব, না ঝাঁ’টা বলব আমি জানি না, কিন্তু এটা হচ্ছে বেস্ট উত্তর।”

শুধু দেবলীনার জীবন নয়, এই ধরনের ঘ’ট’না’র রেশ গিয়ে পড়ে অন্যদের ব্যক্তিগত জীবনেও। সেটাও উঠে এসেছে তাঁদের কথায়। সুকান্ত জানান, সামনে তাঁর নিজের বি’য়ে। অথচ বি’য়ে সংক্রান্ত কোনও ভ্লগ বা পোস্ট দিলেই কমেন্ট আসে— “নেক্সট(next) ওদের ডি’ভোর্স হবে”, “নেক্সট লাইনে এরা আছে।” এই প্রবণতাকে তিনি ভ’য়ং’ক’র বলে মনে করেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভা’লো কি সত্যিই স’হ্য হয় না? দুনিয়ায় বহু ঘ’ট’না ঘ’টে, কিন্তু সবকিছুকে কি এক সুতোয় গেঁ’থে, সবার জীবনের সঙ্গে রিলেট করতেই হবে?

আরও পড়ুন:Rwitobroto Mukherjee:”পশ্চিমবঙ্গে এখন একমাত্র রাজনীতিতেই টাকা আছে, সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার সেফ নয়, আমি পেশেন্ট হয়ে কী করে সেফ হবো?” -বর্তমান বাংলা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঋতব্রত মুখার্জী

এই জায়গা থেকেই আসে দৃ’ঢ় অবস্থানের বার্তা। নে’গে’টি’ভ মন্তব্যে কান না দিয়ে নিজের মতো করে বাঁচার সি’দ্ধা’ন্ত স্পষ্ট করে দেন তাঁরা ।দেবলীনার প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, “শকুনির অ’ভি’শা’পে গরু ম’রে না। দেবলীনা যেমন ফিরে দাঁড়িয়েছে, আমাদের জীবনও আমাদের মতোই চলবে।” আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়, “তোমাদের এই ফা’ল’তু কমেন্টে কোনো লা’ভ হবে না।” এই বক্তব্য শুধু প্র’তি’বা’দ নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়ার ভিড়ে নিজের মা’ন’সি’ক শা’ন্তি র’ক্ষা করার একরকম ঘোষণা।

ভিডিওতে অনন্যা গুহও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে জো’র দেন, ডি’ভো’র্স। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করা হয়, ডি’ভো’র্স স্বামী-স্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। যদি দু’জন মানুষ একসঙ্গে সুখী না থাকতে পারেন, তাহলে বি’চ্ছে’দ হওয়াটা অ’স্বা’ভা’বি’ক নয়। তিনি বলেন, “যারই ডি’ভো’র্স হোক… সেটা তো একটা স্বামী-স্ত্রীর ব্যাপার। ওরা যদি একে অপরের সাথে সুখী না থাকতে পারে, তাহলে ডি’ভো’র্স হবে।” অথচ পাবলিক ফিগার হওয়ার কারণে এই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তই হয়ে ওঠে প্রকাশ্য চ’র্চা’র বিষয়।

পাবলিক ফিগারদের বি’ড়’ম্ব’না’ও উঠে এসেছে ভিডিওতে। টেলিভিশন বা ভিডিও মাধ্যমে কাজ করার ফলে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি আ’লো’চ’না’র কেন্দ্রে চলে আসে। যে বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগতই থেকে যায়, সেগুলোই পরিচিত মুখদের ক্ষেত্রে হয়ে ওঠে বি’ত’র্ক, ট্রো’ল আর ক’টা’ক্ষে’র খো’রা’ক।

আরও পড়ুন:Debolina-Sayak:“সায়ক অতটা বা’জে ছেলে নয়, ১০ বছর ধরে ওদের চিনি”…”ছেলে বন্ধু ছেলে বন্ধুর সাথেই মিশবে, আর মেয়ে বন্ধু মেয়ে বন্ধুর…”-দেবলীনা ও সায়ককে ঘিরে গু’জ’ব উড়িয়ে সরাসরি মুখ খুললেন দেবলীনার ড্রাইভার

বি’য়ে ও বয়স নিয়েও সরাসরি জবাব দিয়েছেন তাঁরা। ২৩-২৪ বছর বয়সে বি’য়ে করা নিয়ে যারা নে’তি’বা’চ’ক মন্তব্য করেন, তাদের পাল্টা প্র’শ্ন ছু’ড়ে দেন অনন্যা। দর্শকদের উদ্দ্যেশ্যে বলা হয়, নিজেদের পরিবারে তাকিয়ে দেখতে, তাঁদের মা-বাবার বি’য়ে’র বয়স কত ছিল। একই সঙ্গে প্র’শ্ন তোলা হয়, যারা এই ধরনের কমেন্ট করেন, তাঁরা নিজেরা জীবনে ক’টা স’ম্প’র্ক সামলেছেন?

ভিডিওর শেষ অংশে উঠে আসে সা’মা’জি’ক দা’য়’ব’দ্ধ’তা আর ‘কা’র্মা’-র প্রসঙ্গ। তাঁদের মতে, কারও খা’রা’প চাইলে সেই নে’তি’বা’চ’ক শ’ক্তি শে’ষ পর্যন্ত নিজের কাছেই ফিরে আসে। তাঁদের ভাষায়, “যখন কারোর খা’রা’প চাইছ, ইউনিভার্স কিন্তু সেটা তোমাকেও দেবে।” অন্যের জীবনে ম’ন্ত’ব্য করা যতটা সহজ, নিজের ক্ষেত্রে সেই একই ঘ’ট’না ঘ’ট’লে যে অনুভূতি কতটা তী’ব্র হয় সেটাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:Debolinaa Nandy:”শ্বশুরমশাই আমাকে বলে আমার ছেলের পাশে শুতে আসতে হবে না,পাইলটদের চরিত্র ভালো হয় না, ডি’ভো’র্স স’ম’স্যা’র সমাধান নয়…”, ৭৮টা ও’ষু’ধ না ৬৮টা ও’ষু’ধ, এটা নিয়ে সবার মা’থা ব্য’থা। ৭৮টা ও’ষু’ধ’ই কেন? লাইভে এসে বি’স্ফো’র’ক ম’ন্ত’ব্য দেবলীনার!

সব মিলিয়ে এই ভিডিওটির উদ্দেশ্য একটাই শান্তিপূর্ণ জীবনের পক্ষে সওয়াল করা। তিনি জানান, তিনি জীবনের একটি সুন্দর সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং সেখানে এই ধরনের আ’জে’বা’জে মন্তব্যের কোনও জায়গা নেই। একই সঙ্গে দর্শকদের কাছেও আ’বে’দ’ন, সু’স্থ মা’ন’সি’ক’তা’র পরিচয় দিন, অ’কা’র’ণে অন্যের জীবনে বি’ষ ছড়াবেন না। দেবলীনার স্টেজে ফিরে আসা শুধু একজন শিল্পীর কামব্যাক নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়ার নে’গে’টি’ভি’টি’কে উ’পে’ক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এক শ’ক্ত বার্তা।

Leave a Comment