Dev:সম্প্রতি টালিগঞ্জের ৭০০০ জন টেকনিশিয়ানদের হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন দেব, সেইভাবেই শুর হয় কাজ। ১৪ মার্চের পর ১৬ মার্চ দ্বিতীয় দিনের ক্যাম্প হওয়ার কথা ছিল। নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হয়েছিলেন টেকনিশিয়ানরা কিন্তু সঠিক সময়ে পৌঁছে গেলেও জানা যায়, আপাতত বন্ধ স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তৈরির কাজ। কিন্তু কেন? প্রথম দিনের পরেই কেন আচমকা টেকনিশিয়ানদের স্বাস্থ্যসাথী তৈরীর কাজ বন্ধ হয়ে গেল?
স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের কাজ বন্ধ হওয়ার কারণ কী? সেই বিষয়ে জানানোর জন্য লাইভে এসে সমস্ত বিষয় খোলসা করলেন দেব। তিনি বলেন, “নমস্কার সবাইকে, আজকে একটু এমার্জেন্সির জন্য আমাকে লাইভে আসতে হল। যেহেতু আমরা ঘোষণা করেছিলাম স্বাস্থ্যসাথী কার্ড-এর আজকের ফর্ম টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে আবার দেওয়া হবে, কার্ড বানানো হবে। তবে এটাও আমি বলেছিলাম যদি মডেল কোরাপ্ট কনডেক্ট লেগে যায় তাহলে এই পরিষেবা আমরা শুরু করতে পারবো না, আর যথারীতি সেটাই হলো। আপনারা সবাই জানেন গতকাল ভোটের দিনক্ষণ ডিক্লেয়ার করে দেওয়া হয়েছে, তাই আপাতত বন্ধ রাখতে হচ্ছে স্বাস্থ্যসাথী তৈরির কাজ। ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে যে সরকার থাকে সেই সরকারের যে কাজ চলে সেটা মডেল কোরাপ্ট কনডেক্ট-এর কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আবার যখন নতুন সরকার আসবে বা যে সরকার আসুক না কেন তখন আবার সেই পরিষেবাগুলো শুরু হয়ে যায়। আজকে আমার টিম বলল, প্রচুর টেকনিশিয়ানরা এসেছেন টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে। এটাই ভেবে যে আবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ক্যাম্প আজকে হচ্ছে বলে। তাদের কাছে হয়ত আমি পৌঁছাতে পারিনি।”
তিনি আরও জানান, “ফেসবুকে যে পোস্টটা আমি করেছিলাম তাদের কাছে হয়ত সেটা পৌঁছাতে পারেনি। সেই জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। এইটুকু বলতে চাই যে আর ৪ তারিখ অবধি অপেক্ষা করুন নতুন সরকার যখন আসবে, নতুনভাবে শপথ নেবেন, আমি কথা দিচ্ছি ভোটের ফলাফলের পর এই পরিষেবা আবার আমরা শুরু করব এবং অনেক বড়ভাবে শুরু করব। কারণ অনেক জায়গা থেকে আমার কাছে ফোন এসেছে। যারা সিনেমা হলে কাজ করেন তাদের একটা গিল্ড আছে তারাও চাইছে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড। অনেক মানুষ বিভিন্ন জায়গা থেকে ফোন করেছে। আমি খুব খুশি এরকম একটা সুন্দর পদক্ষেপ, যেটা পুরোপুরি ভাবনাটা এসেছিল টেকনিশিয়ান ও আর্টিস্ট ফোরামের কথা মাথায় রেখে। যেহেতু আমি সত্যি কথা বলতে ভালোবাসি। যখন শুরু করেছিলাম ভেবেছিলাম যে, যেভাবে দমকানো, চমকানো হচ্ছিল, আসতে দেওয়া হবে না বলা হচ্ছিল, সবকিছুর আমার স্ক্রিনশট অর্থাৎ প্রুফ আছে। টেকনিশিয়ানদের বোঝানো হচ্ছিল যে, ‘না এটা আমাদের জন্য নয়।’এই পুরো মেডিক্লেমটা টেকনিশিয়ানদের জন্য। আমি জানি অনেক টেকনিশনসরা সক্ষম, তারা নিজেদের টাকা দিয়ে প্রাইভেট একটা বিমা করতে পারে। সেটা করা উচিতও। কারণ শারীরিক সমস্যা অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ আমাদের কাছে। আজকের দিনে আমার মনে হয় যে শরীর খারাপ হলে জলের মতো টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। তাই সবার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আপনারা সকলে পাশে থাকবেন।
এই কারণেই আজ এই লাইভ করলাম যাতে এটার মাধ্যমে সবাই জানতে পারেন যে আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে যতক্ষণ না ভোট হচ্ছে।”