Dev:দেব বনাম ইন্ডাস্ট্রির সং’ঘা’ত! শুটিং স্থগিত, শো-দ্ব’ন্দ্বে উ’ত্তা’ল টলিউড! বছরের শেষেও মিলল না শান্তির সুর

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Dev:বছর ঘুরে শে’ষ দিন এসে গেলেও টলিউডের অন্দরের অ’শা’ন্তি যেন কা’ট’তে’ই চাইছে না। বছরের শুরু থেকে শে’ষ পর্যন্ত বি’ত’র্ক, দ্ব’ন্দ্ব, অ’স’হ’যো’গি’তা আর অ’ভি’যো’গ সব মিলিয়ে গোটা ইন্ডাস্ট্রিই যেন অ’স্থি’র’তা’য় দু’লে উঠেছে। কেউ কেউ আগেই স’ত’র্ক করেছিলেন, উচ্চ আ’দা’ল’তে মা’ম’লা গিয়েও স’ম’স্যা’র স’মা’ধা’ন নাও হতে পারে শে’ষ’মে’শ সেই আ’শ’ঙ্কা’ই সত্যি হল। সুদেষ্ণা (Sudeshna Roy)-অনির্বাণ (Anirban Bhattacharyya)-দের মতো বহু পরিচালকই দীর্ঘদিন শুটিং এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি।

২০২৪ সাল থেকেই শুরু হয়েছিল টেকনিশিয়ান ও পরিচালকদের মধ্যে টা’না’পো’ড়ে’ন। ল’ক্ষ ল’ক্ষ টা’কা’র ব’কে’য়া আটকে থাকায় একাধিক ছবির কাজ কার্যত থ’ম’কে যায়। জয়দীপ মুখোপাধ্যায়(Joydeep Mukherjee)-এর অচিন্ত্য আইচ(Achinta Aich)-এর মতো প্রকল্পও সেই তালিকায় পড়েছিল। একই সময়ে ফেডারেশনের বি’রু’দ্ধে অ’ভি’যো’গ তুলেছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় (Parambrata Chatterjee), অনির্বাণ, সুদেষ্ণা রায় (Sudeshna Roy) , ইন্দ্রনীল মুখোপাধ্যায়(Indranil Mukherjee) সহ আরও কয়েকজন পরিচালক। তাঁদের দাবি ছিল ফেডারেশনের চা’প ও ‘জো’রজ’ব’র’দ’স্তি’ ক্রমশ বাড়ছে, ফলে স্বাধীনভাবে শুটিং করা কার্যত অ’স’ম্ভ’ব হয়ে উঠছে।

স’ম’স্যা থা’মা’র বদলে দিন যত গড়িয়েছে, উ’ত্তা’প ততই বেড়েছে। উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের হলেও পরিস্থিতি যে সহজে বদলাবে না এ কথা অনেকেই আগে থেকেই বলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যি হল। শুটিং অ’নি’য়’মি’ত থাকল, কাজ আ’ট’কে গেল, পরিচালকরা ক্লা’ন্তি’র সুরে জানালেন কোনও প্রকৃত সমাধান মিলল না। যদিও বছরের শে’ষে’র দিকটায় দেখা যায়, ফেডারেশনের বি’রু’দ্ধে থাকা পরিচালকদের দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন পরমব্রত, ফলে সমীকরণে নতুন মোড় আসে।

আরও পড়ুন:Ananya-Sukanta:“দান না কি কনটেন্ট প্রোমোশন?”- ভিডিও পোস্ট করে ক’টা’ক্ষে’র মুখে অনন্যা-সুকান্ত, ‘দেখতে না চাইলে দেখবেন না’-সোশ্যাল মিডিয়াতেই দিলেন জোরালো উত্তর

এর মধ্যেই বছর ঘোরার আগে নতুন করে চওড়া হয় বি’ত’র্কে’র ক্ষেত্র। এবার বিষয় সিনেমার শো ব’ণ্ট’ন। পুজোর সময় থেকে অ’ভি’যো’গ উঠতে শুরু করে, হিন্দি ছবির চা’পে বাংলা ছবি নাকি পর্যাপ্ত শো পাচ্ছে না। প’রি’স্থি’তি হাতের বাইরে যাওয়ার আগে সবাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান। তাঁর উদ্যোগেই গঠিত হয় স্ক্রিনিং কমিটি। সেখান থেকে স্পষ্ট জানানো হয় উৎসবের সময়ে সর্বোচ্চ তিনটি বাংলা ছবি মু’ক্তি পাবে, কোন ছবি মু’ক্তি’র অ’নু’মো’দ’ন পাবে তা ঠিক করবে কমিটিই। একই প্রযোজনা সংস্থার একাধিক ছবি একসঙ্গে মু’ক্তি’র’ও অনুমতি দেওয়া হবে না এ ঘোষণাও করা হয়।

এ সময়ই অন্য এক বি’ত’র্ক সামনে আসে। দেবের ভক্তদের আচরণকে ঘিরে রীতিমতো স’মা’লো’চ’না’র ঝ’ড় ওঠে। ‘র’ক্ত’বী’জ ২’ (Raktabeej 2) বনাম ‘রঘু ডা’কা’ত’ (Raghu Dakat)এর ল’ড়া’ই’কে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু অ’প্রী’তি’ক’র ম’ন্ত’ব্য ছড়িয়ে প’ড়ে, যার অনেকটাই নাকি গিয়ে পৌঁছায় পরিচালক শিবু মুখোপাধ্যায় (Shiboprosad Mukherjee)-এর স্ত্রীর বি’রু’দ্ধে। বিষয়টি নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির ভেতরে ক্ষো’ভ দানা বাঁধলেও দেবের গতিপথ কিন্তু ব’ন্ধ হয়নি তিনি নিজের মতো করেই পরিস্থিতির মো’কা’বি’লা করেছেন।

আরও পড়ুন:Second Largest Shivling:এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেই! কিন্তু কোথায়, কখন যাবেন, ঐতিহাসিক গুরুত্বই বা কি? জেনে নিন বিস্তারিতভাবে

পরে ঘোষণা করা হয় ক্রিসমাসে মু’ক্তি পাবে দেবের
‘প্রজাপতি ২'(Projapati 2), ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে'(Lawho Gouranger Naam Rey) এবং ‘মিতিন: একটি খু’নি’র স’ন্ধা’নে'(Mitin: Ekti Khunir Sandhaney)। স্ক্রিনিং কমিটির তরফে জানানো হয়, কোন ছবিকে কোন প্রেক্ষাগৃহে প্রাইম-টাইম শো দেওয়া হবে, তা তারাই দেখবে যদিও নিশ্চিত করা হয়, সব বাংলা ছবিকেই সমানভাবে শো ব’রা’দ্দ দেওয়া হবে। তবুও বা’স্ত’বে নানা হলে দেখা যায় চা’পা’নউ’তো’র। নবীনা সিনেমার সামনে ‘প্রজাপতি ২’–কে ঘিরে অ’শা’ন্তি’র ঘ’ট’না সামনে আসতেই আ’লো’চ’না’র কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন দেব।

বছরের শে’ষ প্রান্তে এসে যেন স্ক্রিনিং কমিটিকে ঘিরে নতুন করে ‘দেব বনাম ইন্ডাস্ট্রি’ সং’ঘা’তে’র আবহ তৈরি হয়। কখনও তাঁকে কেন্দ্র করে ষ’ড়’য’ন্ত্রে’র অ’ভি’যো’গ ওঠে, কখনও কেউ কেউ দাবি করেন দেবকে বেছে বেছে টা’র্গে’ট করা হচ্ছে। তবে দেব বিষয়টিকে বেশ হাস্যরসের সঙ্গেই সামাল দিচ্ছেন বলে জানা যায়। তিনি প্রকাশ্যে খুব বেশি প্র’তি’ক্রি’য়া না জানালেও, ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে যে তী’ব্র ম’ত’বি’রো’ধ তৈরি হয়েছে তা অ’স্বী’কা’র করার উপায় নেই।

অন্যদিকে, ফেডারেশন ই’স্যু থেকে শো বি’ত’র্ক সব মিলিয়ে গোটা বছরটাই কাটল উ’দ্বে’গে ও অ’স্থি’র’তা’য়। শুটিং ব’ন্ধ, অ’স’হ’যো’গি’তা, মা’ম’লা, প্র’তি’বা’দ, অ’ভি’যো’গ একটার পর একটা ঘ’ট’না’য় টলিউডে যেন শান্তির আলো আর ফিরেই আসেনি। যারা আশা করেছিলেন বছরের শেষ দিকে অন্তত একটা স’ম’ঝো’তা’র পথ খুলবে তাঁদের হ’তা’শ’ই হতে হচ্ছে।

ক্যালেন্ডারের পাতা পাল্টালেও, টলিপাড়ার দীর্ঘদিনের বি’বা’দ এখনও নি’ষ্প’ত্তি’র মুখ দেখেনি। ফেডারেশন বনাম পরিচালক দ্ব’ন্দ্ব থেকে শুরু করে শো ব’ণ্ট’ন নিয়ে ম’ত’বি’রো’ধ সবকিছু মিলিয়ে এই বছরও টলিউডকে ঘিরে রয়ে গেল অ’স্ব’স্তি, প্রশ্ন, আর অ’মী’মাং’সি’ত জ’ট। নতুন বছরে এই অ’স্থি’র’তা প্র’শ’মি’ত হবে নাকি আরও নতুন টা’না’পো’ড়ে’ন যোগ হবে তালিকায় সে উত্তর এখনও অধরাই।

Leave a Comment