Debolina Nandy: দেবলীনা নন্দী একদিকে যেমন গানের গলা অসাধারণ, তেমনই সমাজমাধ্যমে নিজের জীবনের বিশেষ মুহূর্তগুলো অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকেন তিনি। ভ্লগিংয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। গায়িকার পাশাপাশি তিনি ইনফ্লুয়েন্সারও বটে। বেশ কিছু মাস আগে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কাটাছেঁড়া চললেও সেই সমস্ত ঝড় সামনে জীবন যুদ্ধে এগিয়ে চলেছেন তিনি। তাঁর আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর ভ্লগিং নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন নেটিজেনরা। এর মাঝেই আবার নতুন করে বড়পর্দায় সুযোগও এসেছে তাঁর জীবনে।
অনেকের মতে, ব্যক্তিগত জীবনের এতখানি অংশ সমাজমাধ্যমে তুলে ধরা থেকেই নাকি সমস্যার সূত্রপাত। কেউ কেউ আবার তাঁর পুরানো ভিডিও টেনে এনে তাঁর দাম্পত্য জীবনের নানান দিক তুলে ধরেন। সমাজে তাঁকে নিয়ে চলতে থাকে কটাক্ষ। এই প্রসঙ্গেই সাম্প্রতিককালে এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয় তাঁর জীবনে ভ্লগিংয়ের ভূমিকা নিয়ে। গায়িকা হলে কি ভ্লগিং করা অপরাধ? সেটা মানতে নারাজ দেবলীনা।
দেবলীনা জানান, “ভ্লগিং টা তো পাপ নয়, অনেকেই ভুগিংয়ে নামে কী কী করে, আর আমি অনেকের কন্টেন্ট দেখেছি, যারা হচ্ছে সবটা শেয়ার করে। ঘুম থেকে ওঠা থেকে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত। আমি সেইরকম কিছু করিনা। আমার জীবনে আমি এতদিন পর্যন্তও, আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা মুহূর্তগুলো। যেমন কোথাও অনুষ্ঠানে গেলাম, স্পেশাল কিছু গিফট পেলাম বা মাকে কিছু একটা লাইন দিচ্ছি। অনেক আর্টিস্টদেরকে দেখি তাদের স্কিন কেয়ার, আমার রুটিন কি? আমি সেটাই শেয়ার করে। আমি এগুলোই করি। আর আমি এগুলো টুকটাক করব। এর মধ্যে তো পাপ বলে আমি কিছু দেখিনা। অনেকেই দেখি কমেন্ট করে তুমি তো সিঙ্গার(singer) ছিলে ভ্লগ কেন করো? সিঙ্গার বলে কি আমি আমার লাইফস্টাইল বা ভালো লাগাটা শেয়ার করতে পারব না? আমার তো মনে হয়না এর মধ্যে কোনো পাপ আছে। সেটা টুকটাক যেমন আমি করতাম তেমনই করব।”
“নিজের জীবনের ভালো মুহুর্ত সমাজমাধ্যমে দেওয়া কি অপরাধ?” পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়েছেন নেটিজেনদের উদ্দেশ্যে।
খুব শীঘ্রই মুক্তি পেতে চলেছে ‘গুন গুন করে মহুয়া’। ছবির ঘোষণার সাথে সাথে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি শিরোনামে এসেছে, তা হল গায়িকা দেবলীনা নন্দীর প্লেব্যাক ডেবিউ। একেই বলে জীবনের অদ্ভুত মোড়।সেই বিষয়েই সাক্ষাৎকারে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘অভিনয় করার ইচ্ছে কি আগে থেকেই ছিল, নাকি এই সুযোগটা হঠাৎ করেই এসেছে তাঁর কাছে? দেবলীনার কথায়, “ধারাবাহিক করার সময় আমায় সবাই বলতেন মহুয়া রায়চৌধুরীর মতো দেখতে।”
দেবলীনা জানান, “মহুয়া রায়চৌধুরী ভীষণ পছন্দের মানুষ আমার কাছে। যখন আমি সিরিয়াল করতে গেছিলাম, তখন আমাকে লুক সেটের পর আমাকে কমপ্লিমেন্ট দিয়েছিল, আমাকে মহুয়া রায়চৌধুরীর মতো দেখতে। তারপর থেকে আমার ওঁনাকে আরো বেশি ভালো লাগত। ওঁনার জীবনের কাহিনী আমি কিছুটা শুনেছি। ওঁনার জীবনের সেই কাহিনী গুলো আমাকে ভীষণভাবে আকৃষ্ট করেছিল।”
প্রয়াত অভিনেত্রী জীবনকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ছবিতে কাজের সুযোগ পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন দেবলীনা।