Ankush-Koushani:”১৪-১৫ বছর পর ভাই বোনই হয়ে যায় সবাই,জঘন্য মেয়ে একটা…” হঠাৎ কৌশানীকে নিয়ে লং ড্রাইভে যাচ্ছেন কেন অঙ্কুশ! তবে কি ঐন্দ্রিলার সাথে সর্ম্পক শেষ অভিনেতার? কাকেই বা উদ্দেশ্য করে এমন কথা বললেন অঙ্কুশ?
বর্তমানে জুটি হিসেবে পর্দা কাঁপাচ্ছেন অঙ্কুশ হাজরা এবং কৌশানী মুখার্জী। কিছুদিন আগেই ‘রক্তবীজ ২’ সিনেমার ‘দিওয়ানা বানায়ে’ মিষ্টি এই প্রেমের গানে একেবারে সবাইকে চমকে দিয়েছেন তাঁরা। এর আগেও বেশ কিছু ছবিতে জুটিতে কাজ করেছেন তাঁরা।
কমার্শিয়াল সিনেমার পাশাপাশি এখন অন্যরকম চরিত্রে পর্দায় নজর কেড়েছেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। ‘শিকারপুর’ কিংবা ‘মির্জা’ ছবিতেই সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ‘রক্তবীজ ২’-তে ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা। জানা গেছে,’কিলবিল সোসাইটি’তে কৌশনীর সঙ্গে রোমান্স করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
কখনও মারকাটারি অ্যাকশন হিরো, কখনও রোম্যান্টিক নায়ক, আবার কখনও কারও গল্পের ভিলেন, এককথায় অনবদ্য তিনি। কিন্তু এইসবের মাঝে হঠাৎ কাকে ‘জঘন্য’ বলে ফেললেন অঙ্কুশ? অভিনেতার মুখে এমন কথা শুনে চমকে গেলেন সবাই। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেন এর সাথে তাঁর সম্পর্ক ঠিক আছে তো? এমনই কিছু প্রশ্ন ঘুরছে তাঁর অনুরাগীদের মাথায়।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেন, ‘অঙ্কুশ ও কৌশানী তাঁরা যে লংড্রাইভে যাচ্ছে সেটা কি এত বছর পর পারমিশন নেওয়া হল পার্টনারদের থেকে?’
প্রশ্নের উত্তরে কৌশানী জানান, “হ্যাঁ অবশেষে এত বছর পর।”
সঙ্গে সঙ্গেই পাশে থেকে অভিনেতা বলে ওঠেন, “বনি ওঁকে পারমিশন দিয়েছে নাকি! ভাই বলেছে বোনটি তুমি যাও। আর নিজের কথা বলতে গেলে আমরা তো ভাই-বোন হয়েই গিয়েছি। ১৪-১৫ বছর পর ভাই-বোনই হয়ে যায় সবাই।”
প্রসঙ্গত, তাঁরা কেউই লং ড্রাইভে যাচ্ছেন না। ‘রক্তবীজ ২’-এর প্রমোশনের জন্য তাঁরা বেরিয়েছেন। তাই পুরোটাই মজার ছলেই বলেছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন:Avery Singha Roy:বাড়ির বউ থেকে সোজা পুলিশ অফিসার! কী কাণ্ড করে বসলেন অভিনেত্রী আভেরী?
এরপর তাঁদেরকে জিজ্ঞেস করা হয় বাস্তবেও তাঁরা কি এমন ভাবে লং ড্রাইভ গিয়েছেন? কতটা রোমান্টিক তাঁরা? এই বিষয়ে অঙ্কুশ কৌশানীকে উদ্দেশ্য করে জানান, “ওঁ প্রচুর লংড্রাইভে গিয়েছে। বনি নিয়ে গিয়ে নেতিয়ে গিয়েছে। সবকিছু ছেড়ে শুধু ওকে চুমু খাবে। এটাই ওঁর লং ড্রাইভ। ওঁকে ডেস্টিনেশনে পৌঁছাতে হবে না মাঝখানে দাঁড়িয়ে গোলাপ দেবে,চুমু খাবে। তাছাড়া ঐন্দ্রিলা আর আমিও লং ড্রাইভে গিয়েছি প্রচুর। বলতে কলকাতা থেকে বর্ধমান। বেশি গেলে বেশি তেল খরচা হয় তাই। আমি খুব কিপটে। ও বুঝে গেছে। সেই কারণে ওঁ আর যায় না।
অঙ্কুশের কথা শুনে কৌশানী বলে,”তাহলে ভাবুন কে জঘন্য? আমি কি একবারও এসব বলেছি? এটাকে বলে রোমান্টিকসিজম। যেটা অঙ্কুশের মধ্যে নেই। এইজন্যই ঐন্দ্রিলার একঘেয়েমি এসে গেছে। হাসির ছলে অভিনেত্রী বলেন,এই কারণের জন্যই ওঁরা ভাই-বোন হয়ে গিয়েছে।” কিন্তু এইসবের মাঝে হঠাৎ কাকে ‘জঘন্য’ বলে ফেললেন অঙ্কুশ?
আরও পড়ুন:Abir-Mimi:মিমির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আবির! সমুদ্র সৈকতে উষ্ণতা ছড়ালেন মিমি আসল ব্যাপার কী?
অভিনেতাকে জিজ্ঞেস করা হয় এতগুলো বছর পর একসঙ্গে আবারও করে কেমন লাগছে তাঁদের?
অভিনেতা বলেন,”কৌশানী খুবই আমার ভালো বন্ধু। এত বছর পর আমাদের বন্ডিংটা একইরকম আছে। আমাদের ক্যামেরার বাইরের যে সম্পর্কটা, ওটা এতটা ভালো ও এতটা গভীর যে ওই বন্ধুত্বটা এই বন্ডিংটা সিনেমাতেও প্রকাশ পায়। তাই জন্যই এই সিনেমাতে আমাদের কেমিস্ট্রিটা এত ভালো বোঝা যাচ্ছে। তারপরই ক্যামেরার সামনে কৌশানী হাতের নানা ভঙ্গি করতে থাকে, যা দেখে অভিনেতা বলেন একদম ফালতু মেয়ে, জঘন্য মেয়ে।”
তবে এই সবকিছুই চলতে থাকে মজার ছলে। দুজন যে একে অপরের খুবই ভালো বন্ধু তা আরও একবার ধরা পড়ল ক্যামেরার সামনে।