Jeetu Kamal: কয়েকদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে অভিনেতা জিতু কমল। শোনা গিয়েছিল, অশোভন এবং অপেশাদার আচরণের অভিযোগে নতুন ছবি ‘এরাও মানুষ- দ্য সার্চ উইদিন’ থেকে বাদ পড়েছিলেন অভিনেতা। ছবির নির্মাতাদের সঙ্গে জিতুর সংঘাত বাধে। পাল্টা অভিযোগ জানিয়ে জিতু তাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন এমনটাই জানা যায়। জিতুর অভিযোগ পরিচালক সাঁই বিঘ্নেশ তাঁকে কেবল অসম্মানই করেনি, বরং সেটে গালিগালাজ এবং গায়ে হাত তোলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। জিতু বলেন, “ওরা পাওয়ার গেম খেলার চেষ্টা করছে। নেতা-মন্ত্রীদের নাম করে আমাকে থ্রেট করা হয়েছে। আমার কাছে সমস্ত ঘটনার ভিডিও ফুটেজ আছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে আমাকে কীভাবে হেনস্থা করা হয়েছে।”
এর মাঝেই উঠে এসেছে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অনেকসময় টলিপাড়ায় নতুন আসা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের হেনস্থার মুখে পড়তে হয়। এক নবীন চিত্রনাট্যকার তথা অভিনেত্রী অপালা চৌধুরী এবারে বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনলেন। এর আগে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘কিলবিল সোসাইটি’ ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। এছাড়াও পরিচালক সপ্তাশ্ব বসুর একাধিক ছবিতে চিত্রনাট্য লেখার পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন অপালা। এবার অভিনেত্রীর অভিযোগের তির সরাসরি ‘সাই বিঘ্নেশ ফিল্মস’-এর দিকে।
সমাজমাধ্যমে অপালা চৌধুরী জিতু কমলকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, “সাই বিঘ্নেশ ফিল্মস থেকে কিছু মাস আমাকে দিয়ে একটি গল্পের চিত্রনাট্য তৈরি করানো হয়েছিল যেটার সব ডকুমেন্ট আমাদের কাছে আছে। ছবির রেইকি থেকে শুরু করে লুক সেট সব হয় এবং তারপর ওরা সিদ্ধান্ত নেয় যে ওদের পরিবারের একজনই ডিরেক্টর হয়ে যাবে। স্বাভাবিকভাবেই ওরা জানায় যে ওরা নিজেরাই সম্পূর্ণ নতুন একটি অন্য গল্প নিয়ে কাজ করবেন, তাই আমার গল্পের কোন পয়েন্টস ওরা ব্যবহার করবে না। এখন এই পোস্ট এবং আরও কয়েকজনের কাছ থেকে জানতে পারলাম যে আমার দেওয়া গল্পটার বেশকিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ব্যবহার করা হয়েছে, আমাকে না জানিয়েই।
জিতু-সহ বেশকিছু লোক জানিয়েছেন ওদের খারাপ অভিজ্ঞতার কথা। অনেকে হয়ত আনঅফিসিয়ালি বলেছেন, কিন্তু আমার মনে হল সত্যিটা সবার সামনে আসা দরকার।
আমার সাথে সাঁই বিঘ্নেশের কোনদিন কোনোরকম আর্থিক লেনদেন হয়নি, তাই গল্পের একটি লাইন বা ক্যারেক্টার স্কেচ, প্লট, পয়েন্টস, গল্পের একটা লাইন ওদের না। ওদের ব্যবহারের অধিকার নেই। আমি ওদের বারবার মেসেজ করি। কিন্তু ওরা কোনো রকম উত্তর দিচ্ছে না। অবশ্য আমার মতন নতুন কাজ করতে আসা অনেকেই এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন, কাজ হয়েছোয়ার পর অনেক প্রোডিউসাররা আর উত্তর দেন না।”
অপালার এই অভিযোগ চোখে পড়তেই চুপ থাকেননি জিতু। সেই পোস্ট শেয়ার করে অভিনেতা লিখেছেন,”এইরে আমি নাকি টেকনিশিয়ানদের সাথে দুর্ব্যবহার করি!
একজন রাইটার, একজন ডিরেক্টর এরাও তো টেকনিশিয়ান।
এতো কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে পড়ছে।
যদিও টেকনেশনের মাথা,প্রোডিউসারদের মাথা এখনো চুপ।
এক ব্যাগ টাকা নিয়ে এলেই প্রোডিউসার হওয়া যায়??
প্রোডিউসার পালিয়ে যাচ্ছে যাচ্ছে করে ইন্ডাস্ট্রি মাথায় তুলছেন,এরা প্রোডিউসার বলে মনে হয়??
একটা আর্টিস্টকে শুটিংয়ের শেষ দিনে গালি দিয়ে পুরো টাকা ফেরৎ চায়, আবার ছবিও নাকি রিলিজ করবে।
কী মজা তাই না!
আমারা নাহয় পোকামাকড়,যদি এটা কোন বড়সড়ো আপকামিং নেতা-অভিনেতার সাথে হতো!
তখন!”