Kaushik Ganguly:’একটা ফ্লপ সিনেমাকেও কিভাবে মার্কেটিং করে সুপারহিট বানানো যায়, সেটাই বোঝাচ্ছে রেটিং দেখিয়ে…আপনার যা অবস্থা, দেখে খারাপ লাগছে…’ দেব-শুভশ্রীর ছবি পোস্ট করতেই চরম ট্রোলের মুখে পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী
বর্তমানে সারা বাংলা জুড়ে ‘ধূমকেতু’ নিয়ে দর্শকদের উন্মাদনা দেখার মত। তারকা থেকে সাধারণ মানুষ সবাই ‘ধূমকেতু’র আবেগের জোয়ারে গা ভাসিয়েছেন। ১০ বছর পর বড়পর্দায় দেব ও শুভশ্রীকে আবার দেখতে পাওয়া এককথায় ম্যাজিকের থেকে কম কিছু নয়। অনুরাগীদের মধ্যে তাঁদেরকে নিয়ে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। বাংলার বক্স অফিসেও ঝড় তুলেছে এই ছবি। ছবির অ্যাডভান্স বুকিং ছিল চোখে পড়ার মতো। অ্যাডভান্স বুকিংয়ে আয়ের মাধ্যমে একাধিক রেকর্ড ভেঙেছে ‘ধূমকেতু’।
ছবির ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্টে একসঙ্গে দেখা থেকে,ফের ছবি মুক্তির আগের দিন নৈহাটির বড়মার কাছে আশীর্বাদ নিতে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা। সেখানে তাঁদেরকে একসঙ্গে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েছিলেন ‘দেশু’ ফ্যানেরা। আর এবার ছবির পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলী তাঁদের একসাথে একটি ছবি পোস্ট করতেই নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকার হলেন।
গতকাল পরিচালক দেব-শুভশ্রীর একটি ছবি শেয়ার করে নেন সমাজমাধ্যমের পাতায়। সেখানে দেখা যায় লাল শাড়ি-পাঞ্জাবিতে নৈহাটির বড়মার মন্দির দর্শনের একটি মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি করে অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। ওই ছবিতে দেব-শুভশ্রীকে একটি ফোনে কিছু মন দিয়ে দেখতে, দেখা যায়। ছবিটি পোস্ট করে পরিচালক ক্যাপশনে লেখেন, “দুজনে কী দেখছিল এত মন দিয়ে? বুক মাইশোতে লেগে যাওয়া আগুন? নাকি ফ্যান ভিডিয়ো? নাকি অনুরাগীদের কমেন্ট? নাকি নৈনিতালের শ্যুটিংয়ের পুরোনো ছবি? ওঁরাই জানে শুধু!”
ছবিটি দেখে যেমন অনেকেই খুশি হয়েছে। তেমনি নেটিজেনদের একাংশের তরফ থেকে ধেয়ে এসেছে নানান কুমন্তব্য। একজন ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে লেখেন, ‘ঘাটালের live বন্যা পরিস্থিতি।’ অপরজন লেখেন, ‘আপনিও তো দেখছি, ওঁদের প্রেমের মুগ্ধ দর্শক।’ আর এক নেটিজেন লেখেন, ‘কৌশিক স্যারকে অন্য কোনও ছবির জন্য এভাবে প্রমোশন করতে আমি দেখিনি। অতি জঘন্য ছবি বললে ঠিক বলা হয়। রুদ্রনীল ছাড়া কিছুই নেই।’
তবে অনেকেই এই ছবির প্রশংসা করলেও, অনেকের মনে আবার এই ছবি দাগ কাটতে পারেনি। সবটা মিলিয়ে বক্স অফিসের নিরিখে দুর্দান্ত ফল হলেও দর্শকদের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।