Rwitobroto Mukherjee:”পশ্চিমবঙ্গে এখন একমাত্র রাজনীতিতেই টাকা আছে, সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার সেফ নয়, আমি পেশেন্ট হয়ে কী করে সেফ হবো?” -বর্তমান বাংলা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঋতব্রত মুখার্জী

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Rwitobroto Mukherjee: অভিনেতা ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়(Rwitobroto Mukherjee) পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রা’জ’নৈ’তি’ক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে সম্প্রতি যে বক্তব্য রেখেছেন, তা ঘিরে নতুন করে আ’লো’চ’না শুরু হয়েছে। তাঁর কথায় উঠে এসেছে রা’জ’নী’তি’তে অর্থের দা’প’ট, সাধারণ মানুষের অ’স’হা’য়’তা, স্বা’স্থ্য’ ব্যবস্থার ভ’ঙ্গু’র চিত্র এবং আধুনিক সময়েও মৌলিক অধিকার নিয়ে অ’নি’শ্চ’য়’তা’র তী’ব্র প্রশ্ন। আবেগের সঙ্গে বাস্তব অভিজ্ঞতার মিশেলে ঋতব্রতের এই বক্তব্য অনেকের মনেই না’ড়া দিয়েছে।

রা’জ’নী’তি ও অ’র্থে’র স’ম্প’র্ক প্রসঙ্গে ঋতব্রত স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের রা’জ’নী’তি’তে বিপুল অ’ঙ্কে’র টা’কা’র লেনদেন যেন স্বাভাবিক ঘ’ট’না’য় পরিণত হয়েছে। তিনি তাঁরই এক সমবয়সী রা’জ’নৈ’তি’ক নেতার উদাহরণ টেনে জানান, সেই নেতার কাছে ২০-২৫ ল’ক্ষ টা’কা নগদ থাকা কোনো বড় বিষয় নয়। তিনি বলেন,”তাঁর কাছে ২০-২৫ লা’খ টা’কা ক্যাশ কোনো ব্যাপারই নয়।” এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে রাজনীতির সঙ্গে আ’র্থি’ক ক্ষ’ম’তা’র যে গ’ভী’র যোগসূত্র তৈরি হয়েছে, সেটাই তুলে ধরতে চেয়েছেন অভিনেতা।

এর ঠিক উল্টো চিত্র হিসেবে সাধারণ মানুষের আ’র্থি’ক বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি ১৫ হা’জা’র টা’কা ক্যাশ কতদিন চোখে দেখিনি।” এই তুলনার মধ্য দিয়ে ঋতব্রত বোঝাতে চান, রা’জ’নী’তি ও সাধারণ জীবনের মধ্যে অ’র্থ’নৈ’তি’ক ফারাক কতটা গ’ভী’র হয়েছে। তাঁর মতে, বর্তমান সময়ে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে রা’জ’নী’তি’র বাইরে যেন টা’কা’র প্রবাহই নেই। এই প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “পশ্চিমবঙ্গে এখন একমাত্র রা’জ’নী’তি’তে’ই টা’কা আছে” বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

আরও পড়ুন:Debolinaa Nandy:‘ম**রে গেলাম না কেন?’- ট্রো’লিং’য়ে ক্ষু’ব্ধ দেবলীনা, এটা আমার ভাড়া করা দিদি নয়, নাম নিতে চাই না… বেকার ফুটেজ নয়, লিখিত চুক্তি ছাড়া আর কাজ নয়…”, ১৫ জানুয়ারির পরেই মঞ্চে ফেরার ঘোষণা! দিদিকে নিয়ে করা কুমন্তব্যের সাথে নানান মানুষের অভিযোগের জবাব দিলেন দেবলীনা

শুধু অ’র্থ’নৈ’তি’ক বৈ’ষ’ম্য নয়, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অ’নি’শ্চ’য়’তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে। বিশেষ করে স্বা’স্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে তাঁর উ’দ্বে’গ ছিল প্রবল। অ’সু’স্থ হলে একজন সাধারণ মানুষের প্রথম চিন্তা হওয়া উচিত চি’কি’ৎ’সা পাওয়া, কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন,এমনটাই মনে করেন ঋতব্রত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি হঠাৎ বুকে ব্য’থা ওঠে, তাহলে আগে ভাবতে হবে হা’স’পা’তা’লে আদৌ বেড পাওয়া যাবে কি না! এমনকি শা’স’ক’দ’লে পরিচিত কেউ আছে কি না, যিনি একটি বেডের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। তাঁর কথায়,”আমার যদি বুকে ব্য’থা হয়, আমায় প্রথমে ভাবতে হবে আমি আদৌ হাসপাতালে বেড পাব? আমার কেউ চেনা আছে শা’স’ক দলে যে আমায় একটা বেড পাইয়ে দিতে পারে?” এই ভাবনাও নাকি মাথায় আসে।

চি’কি’ৎ’সা ব্য’য়ে’র চাপ নিয়েও ক্ষো’ভ প্রকাশ করেন অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হা’স’পা’তা’লে গেলেই একের পর এক অ’প্র’য়ো’জ’নী’য় প’রী’ক্ষা’র বো’ঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন ডাক্তার প্রথমেই বহু টেস্ট লিখে দেন, যার খ’র’চ সামলাতে গিয়ে একজন সাধারণ মানুষ আ’র্থি’ক’ভা’বে সম্পূর্ণ নিঃ’স্ব হয়ে পড়তে পারেন। তাঁর কথায়,”ডাক্তার তো আগে ৪০টা অন্য টেস্ট দেবে… আমি পুরো ড্রেইনড আউট হয়ে যাব।”এই প্রক্রিয়াকে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য ভ’য়ং’ক’র অভিজ্ঞতা হিসেবেই দেখেছেন।

আরও পড়ুন:Ankita Mallick:“যা হচ্ছে, ভাল হচ্ছে”…‘সব ঠিক থাকলে এত ধোঁয়াশা কেন?’ তাহলে কি মহুয়ার বায়োপিক ও দেবের ছবি থেকে বাদ পড়ছেন অঙ্কিতা? নীরবতাই কি সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত?

সরকারি হা’স’পা’তা’লে’র নি’রা’প’ত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়। সাম্প্রতিক নানা ঘ’ট’না’র প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, যখন সরকারি হা’স’পা’তা’লে ডাক্তাররাই নি’রা’প’দ নন, তখন একজন রো’গী বা সাধারণ মানুষ কীভাবে নিজেকে নি’রা’প’দ ভাববেন? তাঁর মতে, এই অ’নি’শ্চ’য়’তা মানুষের ম’নে ভ’য় এবং অ’বি’শ্বা’স আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন,”সরকারি হা’স’পা’তা’লে ডাক্তার সেফ নয়, আমি পেশেন্ট হয়ে কী করে সেফ হব?”

আরও পড়ুন:Sayak Chakraborty:”বাচ্চা নাকি?আজব ন্যা’কা”- বন্ধুত্বের ভা’ঙ’ন? দেবলীনা-কা’ণ্ডে হা’স’পা’তা’লে যাওয়া ঘিরে মুখোমুখি অলকানন্দা–সায়ক, শালির পাশে নয়, সায়কের দিকেই সুকান্ত

Rwitobroto Mukherjee: স’ব’শে’ষে ঋতব্রত তাঁর বক্তব্যে একটি বড় প্রশ্ন ছু’ড়ে দেন, যা গোটা আ’লো’চ’না’র সারকথা হয়ে উঠেছে। তিনি আ’ক্ষে’পে’র সুরে বলেন, ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে একজন নাগরিককে কেন এসব ভাবতে হবে? আধুনিক যুগেও কেন মৌলিক স্বা’স্থ্য’সেবা বা সাধারণ সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য রা’জ’নৈ’তি’ক প্রভাব বা পরিচয়ের কথা মা’থা’য় রাখতে হবে? এই প্রশ্নেই তিনি তাঁর ক্ষো’ভ ও হ’তা’শা প্রকাশ করেন।

ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়( Rwitobroto Mukherjee)-এর এই বক্তব্য শুধু একজন অভিনেতার ব্যক্তিগত মতামত নয়, বরং তা বর্তমান সময়ের বহু মানুষের না বলা আ’শ’ঙ্কা ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন বলেই মনে করছেন অনেকে।

Leave a Comment