Jeetu Kamal:’দেবী চৌধুরানী’ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিনেতা জিতু কমল

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Jeetu Kamal:কৌশিক গাঙ্গুলীর পর ‘দেবী চৌধুরানী'(Devi Chowdhurani) দেখে প্রসংশায় ভরালেন অভিনেতা জিতু কমল।

‘দেবী চৌধুরানী’র ভূমিকায় শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী(Srabanti Chatterjee) ও ‘ভবানী পাঠক’-এর ভূমিকায় প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জীর(Prosenjit Chatterjee) অভিনয় দর্শকমহলে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলে দিয়েছে। শুধু দর্শক নয় তারকাদের মধ্যেও চলছে এই ছবি নিয়ে জোর চর্চা। একাধিক তারকা এই ছবি নিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবার সমাজমাধ্যমের পাতায় দেবী চৌধুরানী দেখে প্রশংসায় ভরলেন জিতু কমল।

লেখেন,”বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ভারতবর্ষের মধ্যে অন্যতম পুরনো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এবং বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তার নিজগুণে বিশেষ করে সাহিত্য নির্ভর ছবি করে সারা পৃথিবীব্যাপী সুনাম অর্জন করেছিল।
ঠিক তেমনই একটি উপন্যাস দেবী চৌধুরানী।
১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হওয়া বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই উপন্যাস সুবোধ চন্দ্র মিত্র দ্বারা ইংরেজিতে অনুবাদিত হয়।

আরও পড়ুন:Satyam Majumder:”যদি একটু ভাত-ডাল জোটাতে পারতাম,বেঁচে থাকার তাগিদে নিরুপায় হয়ে…” হাতে কোনো কাজ নেই, আ’র্থি’ক অ’ন’ট’নে’র মধ্যে দিয়ে চলছে সংসার! ‘জগদ্ধাত্রী’র দাপুটে পুলিশ অফিসার সত্যম মজুমদার, কীভাবে দিন কাটাচ্ছেন এখন?

আমার ধারণা ইংরেজিতে অনুবাদিত হওয়ার ফলে ইংরেজরা পড়ে বুঝতে পারেন যে এটা তাদের বি’রু’দ্ধে গ’র্জে ওঠার এক উপন্যাস। ইংরেজ সরকার কিন্তু এই উপন্যাসকে ব্যা’ন অর্থাৎ নিষিদ্ধ করেছিল।

ফিরে আসি আমাদের বাংলা ছবি শুভ্রজিৎ মিত্র পরিচালনায় দেবী চৌধুরানী গল্পে।

ডিরেক্টারের বাঁধন বুনন যে কতটা জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন হতে হয়
এই ছবিগুলো বানানোর জন্য তার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে পরিচালক।

সত্যি কথা বলতে আমি প্রথমে ভবানী পাঠকের চরিত্রটাকে নিয়ে একটু সংশয় বোধ করেছিলাম।
সিদ্ধিনাথ পাঠকের ছেলে ভবানী পাঠক ছিলেন পেশায় নায়েব,কিন্তু ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অন্যতম কান্ডারী।তাই তার চরিত্র যে কতটা মজবুত হওয়া উচিত তার আঁচ করেই ছবিটি দেখতে যাওয়া।

আরও পড়ুন:Ditipriya Roy:গুরুতর অ’সু’স্থ দিতিপ্রিয়া রায়,হঠাৎই নাক থেকে র’ক্ত পড়ছে,শুটিং থেকে নিচ্ছেন বিরতি?

কথায় আছে না পুরনো চাল ভাতে বাড়ে।
কিন্তু প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পুরনো চাল হিসেবে শুধু ভাতেই বাড়ল না,সংসারের প্রত্যেকের পেটও ভরালো ।

বুম্বাদার অভিনয় শৈলী নিয়ে আমি কিছু বলবো না,
বলার সাহস নেই বলা ভালো।
কিন্তু যেটা বলতেই হবে ওর ক্যামেরা পসিশনিং, লাইট নেওয়ার শিক্ষা,ওর দাঁড়ানোর ভঙ্গি,ফ্রেমে অন্য আর্টিস্টকে জায়গা করে দেওয়া সবমিলিয়ে উনি একজন ইনস্টিটিউশনে পরিণত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:Dev:’রঘু ডাকাত’-এর পর কী অহংকার বেড়েছে দেবের? কী বলছেন অভিনেতা নিজেই?

এবার আসি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের কথায়।
তার অভিনয় অসাধারণ।তাকে দেখতে অপরূপা,যা তার বি’রু’দ্ধে গেছে খানিক। কিন্তু তার অভিনয় দিয়ে সেই বি’রু’দ্ধে যাওয়া অংশটাকে তার পক্ষে নিয়ে এসেছেন।

বিশেষত ছবির শেষের ৩০ মিনিট,তার চলাফেরা,তার যু’দ্ধে’র দৃশ্যগুলোতে তাঁকে জলজ্যান্ত এক ব্যান্ডিট কুইনে পরিণত করেছে।

আরও পড়ুন:Pallavi Mukherjee:টুবানের বি’রু’দ্ধে একাধিক অভিযোগ নয়নার,বিতর্কের মাঝে টুবানের পাশে দাঁড়িয়ে কী বললেন পল্লবী মুখার্জী?

সহশিল্পী হিসেবে অর্জুন দুর্দান্ত।
এক কথায় অসাধারণ।অর্জুনকে আরো আরো বেশি করে কাজে লাগাতেই পারে ইন্ডাস্ট্রি।
বিবৃতির চলাফেরা ,ওঠা-বসা, তাকানো, অভিব্যক্তি এবং চরিত্রটির জন্য নিজের চেহারার পরিবর্তন এই কথাই প্রমাণ করে বিবৃতি প্রচন্ড ক্ষুধার্ত আর্টিস্ট।
চরিত্রের জন্য সে নিজেকে ভে’ঙে চু’র’মা’র করে দিতে পারে।

বেনুদার গলা এই ছবির এক অন্যত্তম চরিত্র হয়ে উঠেছে।
সঙ্গে কিঞ্জল আর দর্শনার সহজ অভিনয় এ ছবিকে বুঝতে আরও সহজ করে তোলে।

অনির্বাণ চ্যাটার্জির ক্যামেরার কাজ আমাদের চোখের পলক ফেলতে দিচ্ছিল না।

আরও পড়ুন:Dev-Bratya:”একমাত্র সুপারস্টার মমতা ব্যানার্জি,কুণাল ঠিক বলছে…” কুণালের পাশে দাঁড়িয়ে দেবকে একহাত নিলেন ব্রাত্য বসু! পাল্টা জবাব দিতে ছাড়লেন না দেব

আরেকটা বিষয় না বললেই নয় সেটা হচ্ছে এই ছবির
বি জি এম।
যা কানকে ক’ষ্ট না দিয়ে মনের মধ্যে বাসস্থান তৈরি করে।

বাকিটা আপনারা দেখে এসে,আপনাদের মতো করে রিভিউ দেবেন”

Leave a Comment