Ankush-Oindrila:’সারাক্ষণ ছ্যাবলামো,উফফফ এরা দুটোই কার্টুন…’ বন্দে ভারতের ট্রেনে উঠে একি কান্ড ঘটালেন অঙ্কুশ! নেটিজেনদের ট্রোলের মুখে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Ankush-Oindrila:অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা বরাবরই রসিক। যেমন অভিনয় দিয়ে মন জয় করছেন তেমনই তাঁর অসাধারণ ব্যক্তিত্ব তাঁর অনুরাগীদের সব সময় মন কেড়েছে। সম্প্রতি বেশ খোশমেজাজে ক্যামেরার সামনে ধরা দিলেন তিনি এবার তাঁর প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেন। বন্দে ভারত চড়েই মালদা যাচ্ছেন তাঁরা। এর আগেও দেব থেকে শুভশ্রী উত্তরবঙ্গে যাওয়ার জন্য ইদানিং এই ট্রেনকেই বেছে নিচ্ছেন তাঁরা।

কিন্তু যেখানে অঙ্কুশ, সেখানে কোনো মজার কাণ্ড হবে না তা কি হয়! কিন্তু এবারে অভিনেতার এই কাজ দেখে বেশ বিরক্ত হয়েছে নেটপাড়া।

শনিবার বন্দে ভারত চড়েই মালদা গেলেন অঙ্কুশ হাজরা ও ঐন্দ্রিলা সেন। সেই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে বন্দে ভারতের এক্সিকিউটিভ ক্লাসে অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলা। নায়কের গায়ে কালো রঙের কো-অর্ড। আর ঐন্দ্রিলা পরে আছন পিঙ্ক রঙের ট্রাউজার আর টপ।

আরও পড়ুন:Jeet-Subhashree:উৎসবের আবহে দুঃ’খে’র ছায়া জিৎ গাঙ্গুলীর জীবনে… এবছর ভাইফোঁটা নেওয়া হবে না শুভশ্রীর থেকে… কিন্তু কেন? আচমকা কী ঘটল?

এক্সিকিউটিভ ক্লাসের ঘূর্ণায়মান আসনগুলিতে বসে কখনও তা জানলার দিকে ঘোরাচ্ছেন, আবার কখনও তা সোজা করছেন অঙ্কুশ। এদিকে বিরক্ত ঐন্দ্রিলা বারবার থামানোর চেষ্টা করছেন প্রেমিককে। অঙ্কুশকে বলতে শোনা যায়, “এই দেখ দেখেছিস। দামি টিকিট।” অঙ্কুশ ফের বসার আসন ঘোরাতে গেলে ঐন্দ্রিলা বাধা দিয়ে বলে ওঠেন, “বাবা এটা কোনো রাইড নয়।” সামনে থাকা নিজেদের টিমের উদ্দেশ্যে এরপর ঐন্দ্রিলা বলে ওঠেন,”মজা পেয়েছিস, কার্টুন আমরা?”
অভিনেতার এমন কান্ডে ছিঃ ছিঃ করছেন নেটপাড়া। একজন লেখেন, ‘জীবনে প্রথম চাপল তো, তাই এমনি মনে হচ্ছে।’ আরেকজন লেখেন, ‘আমি মাঝে মাঝে ভাবি এই মহিলা কীভাবে সবসময় এরকম একটা কার্টুনকে সহ্য করে।’

আরও পড়ুন:Kaushik Banerjee:পা’গ’ল হয়ে মা’ন’সি’ক হা’স’পা’তা’লে দিন কাটাচ্ছেন কৌশিক ব্যানার্জীর প্রথম স্ত্রী,এখন কেমন আছেন তিনি?জানালেন তার ভাই

অভিনেতার ভক্তরা আবার তাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।একজন লেখেন, ‘একজন মানুষ তার কাছের মানুষদের সঙ্গে সবসময় মজা করে কাটাতে পছন্দ করেন, এটা খারাপ তো কিছু নয়। মানুষ তাঁদের এই খুশি থাকাটাকেও ন্যাকামো বলে ট্রোল করে। আরে ভাই তোরা নিজের জীবনে খুশি নোস, এটা তো আর অঙ্কুশদার দোষ না। অঙ্কুশদা এনজয় করতে ভালোবাসে, তাকে তার মতো করে এনজয় করতে দে। নিজেরা নিজের চরকায় তেল দে।’

Leave a Comment