Sweta-Rubel:টলিপাড়ার অন্যতম জুটি শ্বেতা ভট্টাচার্য ও রুবেল দাস। বেশ অল্পবয়স থেকেই একে-অপরকে চেনেন তাঁরা। দু’জনে একসঙ্গে নাচ শিখতেন। যদিও তখন শুধুই বন্ধুত্ব ছিল। এরপর রুবেল চলে যান মুম্বাইতে। শ্বেতাও পা রাখেন ধারাবাহিকের জগতে। এরপর মুম্বই থেকে ফিরে ছোটপর্দায় কাজ করা শুরু রুবেলেরও। দু’জন মুখোমুখি হন ‘যমুনা ঢাকি’-র সেটে। যদিও সেই সময় দীর্ঘ ৯ বছরের একটি সম্পর্কে ছিলেন শ্বেতার। কিন্তু সেই প্রেমিক, আচমকাই ছেড়েছিলেন শ্বেতার হাত। ব্রেকআপ হয় রুবেলেরও। আর সেই সময় দুজন-দুজনকে পাশে পান তাঁরা।
দেখতে দেখতে বিয়ের ১ বছর হতে চলল। ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি বিয়ে করেন তাঁরা। ঘোরতর সংসারী এখন শ্বেতা। একে অপরকে রীতিমতো চোখে হারান তাঁরা। তাই ছুটির দিন পেলেই ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন। বর্তমানে ‘তুই আমার হিরো’ ধারাবাহিকে কাজ করছেন রুবেল। অপরদিকে কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে শ্বেতা অভিনীত ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’। ধারাবাহিকে কাজ করার সময়, অনেক সময়ই স্বামী বা স্ত্রীকে অন্য নায়িক-নায়িকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়। বাস্তব জীবনে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলে। কতটা হিংসে হয় যখন এই দৃশ্য দেখেন? এই বিষয়েই জানালেন রুবেল।
অভিনেতা জানিয়েছেন, “আমি যদি বলি শ্বেতাকে অন্য কোনো হিরোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সিন করতে দেখলে, আমার একদম হিংসে হয় না, তাহলে তা পুরোপুরি মিথ্যে কথা বলা হবে। কিন্তু আমি ব্যাপারটাকে তখনই দমিয়ে দিতে পারি। ওখান থেকে আমি খুব সহজেই বেরিয়ে আসতে পারি। শ্বেতার ক্ষেত্রে, ওঁ যেহেতু প্রকাশ করতে পারে, বলে ‘এরকম একটা সিন দেখলাম, এরকম সিন করলে…’।
পৃথিবীতে এমন কোনো বউ বা বর নেই, যদি সত্যিকারের ভালোবাসা থেকে থাকে, তাহলে হিংসে করবে না! এরকম হতেই পারে না। এটা যারা বলবে, ‘না না আমি খুব কুল থাকি, আমার কিছু যায় আসে না’… ভিতরে ভিতরে একটু তো হিংসে হয়ই। পজেসিভনেস না থাকলে কীসের ভালোবাসা।”
প্রসঙ্গত, শ্বেতার কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, তিনি পরেছেন একটি মেরুন রঙের শর্ট ড্রেস। আর তাই দেখে আবারও সমালোচনার মুখে শ্বেতা। যা দেখে অনেকেই বলেছেন, ‘তুমি তো বলেছিলে কখনই হাটুর উপরে পোশাক পরবে না, তাহলে এখন কি করছ? মুখে বড় বড় কথা, কিন্তু বাস্তবে ঠিক উল্টো!’
কিছু মাস আগেই শ্বেতা বলেছিলেন, তিনি অভিনয় করতে এসেছেন, অহেতুক শ’রী’র প্রদর্শন তিনি কেন করবেন? তাই অভিনেত্রীর ও পোশাক দেখে রে’গে আ’গু’ন অনেকেই।