Sreemoyee Chattoraj:“লোকজন বলে আমি নাকি স’ম্প’র্ক ভে’ঙে’ছি…স’ম্প’র্ক ভা’ঙ’লে’ও মুখ খুলব না!”- কাঞ্চনের সঙ্গে ডি’ভো’র্সে’র প্রশ্নে ট্রো’লে’র মাঝেই শ্রীময়ীর স্পষ্ট বার্তা

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Sreemoyee Chattoraj:টলিউডে যে ক’টি স’ম্প’র্ক নিয়ে সবচেয়ে বেশি আ’লো’চ’না, স’মা’লো’চ’না এবং বি’ত’র্ক হয়েছে, তার প্রথম সারিতেই রয়েছে অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mullick) ও শ্রীময়ী চট্টোরাজ(Sreemoyee Chattoraj)-এর নাম। প্রে’ম থেকে বি’য়ে প্রতিটি ধা’পে’ই তাঁদের ঘিরে তৈরি হয়েছে চ’র্চা’র ঝ’ড়। কাঞ্চনের তৃতীয় বি’য়ে, দু’জনের মধ্যে প্রায় ২৭ বছরের বয়সের ফারাক, আগের সং’সা’র, সন্তান সব মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের নিয়ে ট্রো’লে’র শে’ষ নেই। কিন্তু এই সমস্ত ক’টা’ক্ষ, বি’দ্রু’প, আঙুল তোলা কোনওটাই যেন বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি এই দ’ম্প’তি’র উপর। বরাবরের মতোই তাঁরা স্প’ষ্ট’ভা’ষী, অ’ক’প’ট এবং নিজেদের সি’দ্ধা’ন্তে অ’ন’ড়।

বি’বা’হি’ত অবস্থায় কাঞ্চনের সঙ্গে শ্রীময়ীর স’ম্প’র্ক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। একাংশ তাঁদের স’ম্প’র্ক’কে ‘নৈ’তি’ক’তা’র বাইরে’ বলে দা’গি’য়ে’ছে, আবার কেউ কেউ শ্রীময়ীর গায়ে সেঁ’টে দিয়েছে ‘ঘ’র’ভা’ঙা’নি’ তকমা। বয়সের ব্য’ব’ধা’ন নিয়েও ক’টা’ক্ষে’র শে’ষ ছিল না। তবে এই সব আ’ক্র’ম’ণে’র জবাব দিতে কখনও পি’ছ’পা হননি কাঞ্চন বা শ্রীময়ী বরং তাঁরা বারবার জানিয়েছেন, তাঁরা বাঁ’চে’ন নিজেদের শ’র্তে, সমাজের অ’নু’মো’দ’নে’র অ’পে’ক্ষা’য় নয়।

কাঞ্চনের দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়(Pinky Banerjee)-এর সঙ্গে তাঁর বি’বা’হ’বি’চ্ছে’দ’ও কম বি’ত’র্কি’ত ছিল না। সেই সং’সা’র থেকে তাঁদের একটি সন্তান রয়েছে। ডি’ভো’র্সে’র সময় কাঞ্চনকে প্রায় ৫৭ লা’খ টা’কা খো’র’পো’শ দিতে হয়েছিল বলেও খবর সামনে আসে। পরবর্তীকালে পিঙ্কির তরফে কাঞ্চনকে নিয়ে নানা ম’ন্ত’ব্য শোনা গিয়েছে বিভিন্ন সময়ে, যা নতুন করে আ’লো’চ’না’র আ’গু’নে ঘি ঢে’লে’ছে।

আরও পড়ুন:Kanchan Mullick:“তিনবার বিয়ে করলেই দো’ষ, অথচ কারও ৩০টা ফুলশয্যা–৪০টা হানিমুন!”, কাঞ্চন মল্লিকের বি’স্ফো’র’ক জবাব

এই সমস্ত প্রসঙ্গের মধ্যেই সম্প্রতি একটি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ী এমন কিছু ম’ন্ত’ব্য করলেন, যা নতুন করে শো’র’গো’ল ফে’লে দিয়েছে। কাঞ্চনের সঙ্গে তাঁর স’ম্প’র্কে’র ভ’বি’ষ্য’ৎ নিয়েও অ’ক’প’টে কথা বলেছেন তিনি। শ্রীময়ী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁদের স’ম্প’র্ক যদি কোনওদিন কাজ না-ও করে, যদি ডি’ভো’র্স পর্যন্ত গ’ড়া’য়, তবুও তিনি কোনওভাবেই কাঞ্চনের নামে ক’টু কথা বলবেন না।

সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ী বলেন, তাঁর কাছে স’ম্প’র্কে’র একটা খুব পরিষ্কার সংজ্ঞা রয়েছে। তাঁর কথায়, যে কোনও স’ম্প’র্কে’ই স’ম্মা’ন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সে স’ম্প’র্ক স্বামী-স্ত্রীর হোক বা অন্য কোনও পা’র্ট’না’র’শি’প। কেউই আগে থেকে জানে না, কোনও স’ম্প র্ক কতদিন টি’ক’বে বা কোথায় গিয়ে থা’ম’বে। কিন্তু যদি দু’জন মানুষ বছরের পর বছর একসঙ্গে থেকেছে, এক বি’ছা’না ভা’গ করে নিয়েছে, এক ছাদের তলায় জীবন কা’টি’য়ে’ছে, তাহলে সেই স’ম্প’র্ক ভে’ঙে গেলেও তাকে রাস্তায় না’মি’য়ে আনা উচিত নয়।

আরও পড়ুন:Alia Bhatt:‘এখন আমি প্রথমে মা’ – কেরিয়ারের গতি কমাচ্ছেন আলিয়া ভাট, খুশি নন অনেক ভক্তই

শ্রীময়ীর বক্তব্য, ডি’ভো’র্স মানেই একটি বি’শা’ল সি’দ্ধা’ন্ত, একটি বড় অধ্যায়ের ই’তি। সেখানে রা’গ, অ’ভি’মা’ন, হ’তা’শা থাকতেই পারে। কিন্তু সেই সমস্ত অ’নু’ভূ’তি’র বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রাক্তন সঙ্গীর নামে প্রকাশ্যে নি’ন্দা করা বা কা’দা ছো’ড়া’ছু’ড়ি করা তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। একসময় যাঁর সঙ্গে সবচেয়ে কাছের স’ম্প’র্ক ছিল, তাঁকে অ’স’ম্মা’ন করা তাঁর ব্যক্তিগত মূ’ল্য’বো’ধে’র বি’রু’দ্ধে।

এই সাক্ষাৎকারেই ‘ঘ’র’ভা’ঙা’নি’ তকমা নিয়ে মুখ খোলেন শ্রীময়ী। ক’ড়া ভাষায় তিনি জানান, কোনও স’ম্প’র্ক বাইরে থেকে কেউ এসে ভে’ঙে দিতে পারে না, যদি সেই স’ম্প’র্ক ভিতর থেকে ম’জ’বু’ত হয়। তাঁর যুক্তি, যদি দু’জন মানুষের স’ম্প’র্ক ভা’লো থাকে, তাহলে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির সেখানে ঢো’কা’র সুযোগই নেই। আর যদি কেউ ঢু’কে প’ড়ে, তার মানে সেই স’ম্প’র্কে’র ভি’ত’রে’ই ফা’ট’ল ছিল। সেখানে দায় শুধু বা’ই’রে’র কারও নয়, স’ম্প’র্কে’র দু’জন মানুষেরও।

শ্রীময়ীর কথায়, “লোকজন বলে আমি নাকি স’ম্প’র্ক ভে’ঙে’ছি। কিন্তু আসলে যদি তোমার আর আমার বন্ডিং ঠিক থাকে, তাহলে কেউ এসে তা ভা’ঙ’তে পারে না। কেউ যদি ঢু’কে পড়ে, তার মানে আমাদের মধ্যেই স’ম’স্যা ছিল। আমরা ফে’লি’ও’র। বাইরের মানুষটা তখন ‘গেইনার’ হয়।” এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বি’ত’র্ক তৈরি হয়েছে নেটদুনিয়ায়।

আরও পড়ুন:Ankush-Oindrila:‘ডান্ডা টুডুং টুডুং…’ মন্তব্যে চমক ঐন্দ্রিলার! “অঙ্কুশ খুব ভালো বাবা হবে..”, ছবি মুক্তির আগেই প্রেমিক অঙ্কুশকে নিয়ে মজার খোঁচা টলি-তারকার

তবে শ্রীময়ী এটাও পরিষ্কার করেছেন, সব ক্ষেত্র এক রকম নয়। যদি কারও স্বভাবগত দো’ষ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি আ’লা’দা। আবার যদি কোনও অ’ভা’ব বা ভু’ল বো’ঝা’বু’ঝি’র কারণে স’ম্প’র্কে’র মধ্যে দূ’র’ত্ব তৈরি হয়, তাহলে বসে কথা বলেই তা মে’টা’নো সম্ভব। কিন্তু দায় চা’পা’নো’র সং’স্কৃ’তি’তে তিনি বি’শ্বা’সী নন।

সব মিলিয়ে, কাঞ্চন-শ্রীময়ী স’ম্প’র্ক নিয়ে বি’ত’র্ক নতুন নয়, আর ভবিষ্যতেও যে তা থা’ম’বে না, সেটাও স্পষ্ট। তবে ট্রো’ল, ক’টা’ক্ষ আর আঙুল তোলার মাঝেও শ্রী’ম’য়ী’র এই বক্তব্য একেবারেই আ’লা’দা সুরে ধরা দিল। স’ম্প’র্ক ভা’ঙ’লে ও স’ম্মা’ন বজায় রাখার যে বার্তা তিনি দিলেন, তা অনেকের চোখে প্র’শং’স’নী’য়, আবার কারও কাছে বি’ত’র্কে’র নতুন খো’রা’ক। টলিপাড়ায় এই মন্তব্য কতটা প্র’ভা’ব ফে’লে, সেটাই এখন দেখার।

Leave a Comment