Riju Biswas:বর্তমানে চর্চার শিরোনামে বারবার উঠে আসে অভিনেতার ঋজু বিশ্বাসের নাম। ইউ লুক গুড ইন শাড়ি…. বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায় ‘তোমাকে শাড়িতে ভালোলাগে’। গত কয়েক দিনে হাজারো মহিলার স্ক্রিনশটে ভরে গিয়েছে গোটা সোশ্যাল মিডিয়া। আর এই মেসেজ যিনি পাঠাতেন তিনি অভিনেতা ঋজু বিশ্বাস। অনেকেই বলছেন তিনি মা’ন’সি’ক ভা’রসা’ম্য’হী’ন,আবার কেউ কেউ বলছেন কাজ পাচ্ছেন না তাই এমন করে কাজ পাওয়ার চেষ্টা করছেন, নাহলে তিনি ইচ্ছাকৃত এইসব কাজ করে বেড়ান।
কয়েকদিন আগে পেশায় এক মডেলের সাথে ঋজুর যে কথপোকথন হয় সেটা ভাইরাল হয়। তাঁর অভিযোগ ছিল অভিনেতা তাকে কু’প্র’স্তা’ব দিয়েছেন। সেই মেসেজের স্ক্রিনশটে ঋজুর ফোন নম্বরও জ্বলজ্বল করছিল। এই ঘটনার পর থেকেই অনেকেই মেসেঞ্জারে ঋজুর করা মেসেজের স্ক্রিনশট দিতে শুরু করেন অনেকে। সকলকেই একই কথা লিখেছেন ঋজু। এমনকি বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীও একই কথা বলেন।
যদিও তাঁর বি’রু’দ্ধে আনা এই গুরুতর অভিযোগ মানতে নারাজ তিনি। ঋজুর বক্তব্য, “আমার মেসেজের স্ক্রিনশট নিশ্চয়ই অনেকে দেখেছেন। আমি কী লিখেছি, সেটাও এতক্ষণে সকলে জেনে গিয়েছেন। শাড়ি পরে ভালো লাগছে জানিয়েছি। এটা তো প্রশংসা। অথচ অনেকেই এটাকে নোং’রা’মি বলছেন। আমি তো কোনও অ’শ্লী’ল প্রস্তাব দিইনি। নোং’রা কথাও বলিনি। প্রশংসার করার মধ্যে কী অ’শ্লী’ল’তা আছে? শাড়িতে ভালো লাগছে বলা কি খুব অ’ন্যা’য়ে’র কথা? কয়েকদিন আগে তো আমি আমার মাকেও এই কথা বলেছি। ফেসবুকে একজন অন্য জনকে মেসেজ করতে পারে না? আমি হাজার জনকে এই মেসেজ করতে পারি,কারণ এটা একটা ভদ্র মেসেজ।”
ফোন নম্বরসহ যে মেয়েটি মেসেজের স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছিলেন, তাঁর বি’রু’দ্ধে থানায় অভি’যোগ দায়ের করেছেন ঋজু। অভিনেতা জানান, তাঁর অভি’যোগে’র পরেই নাকি মহিলা পোস্ট ডিলিট করতে বাধ্য হয়েছেন।
অনেকই তাঁর প্রিয় অভিনেতার কাণ্ড দেখে অবাক। যেহেতু সকলের কাছে একই মেসেজ গিয়েছে, তাই অনেকেরই মনে হয়েছিল হতে পারে ঋজুর প্রোফাইল হ্যা’ক হয়েছে। অভিনেতা জানান অনেকেই তাঁকে ‘প্রোফাইল হ্যা’ক হয়েছে’ বলার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মি’থ্যে বলতে পছন্দ করেন না বলেই এক্ষেত্রেও সেটা করেননি। ঋজু স্পষ্ট জানান, “না, আমি সেটা বলছি না। আমার বন্ধুরা আমাকে সেটা বলে দিতে বলেছিল। কিন্তু আমি মিথ্যে বলি না। আমি নিজেই মেসেজ করেছি। কিন্তু খা’রা’প কিছু বলেছি বলে তো আমার মনে হচ্ছে না।” ঋজু আরও দাবি করেন, এটি ছিল কেবলই প্রশংসা, এর মধ্যে কোনও নোং’রা’মি বা অ’শ্লী’ল’তা ছিল না। ঋজু স্বীকার করেছেন যে তিনি নিজেই মেসেজগুলি পাঠিয়েছিলেন এবং তাঁর প্রোফাইল হ্যাক হয়নি। তাঁর কথায়, “আমি নিজেই মেসেজ করেছি। কিন্তু খা’রা’প কিছু বলেছি বলে তো আমার মনে হচ্ছে না।”
আরও পড়ুন:Saheb-Susmita:প্রেম চর্চার মাঝেই সুস্মিতার সাথে দীপাবলি উদযাপন! ভিডিও দিয়ে কী লিখলেন সাহেব?
যেহেতু সেই মহিলাটি জনসমক্ষে তাঁর মোবাইল নম্বর প্রকাশ্য এনেছিলেন তাই মা’ন’হা’নি’র মামলা করেছেন তার বি’রু’দ্ধে। এই ধরনের বি’তর্ক, সমালোচনা তাঁর কাজে প্রভাব ফেলছে বলে জানিয়েছেন ঋজু। তাঁর কথায়, “মা ক্যা’ন্সা’রে আ’ক্রা’ন্ত। মায়ের ট্রিট’মেন্টে’র জন্য টা’কা দরকার। অনেক দিন কা’জ করিনি। আবার নতুন করে সকলকে কাজের কথা বলছি। তার মাঝে যদি এসব হয়, তাহলে কাজ পেতেও তো সমস্যা হবে।”