প্রথম বাঙালি হিসেবে চাঁদের পাহাড় জয় করলেন নদীয়ার ছেলে জ্যোতিষ্ক বিশ্বাস
দুর্গম পথ, ঝড়,ঝাপটা, জঙ্গল, তুষারপাত পেরিয়ে অবশেষে চাঁদের পাহাড়। সাইকেলে চেপে ভারত থেকে আফ্রিকা পৌঁছালেন এই যুবক। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘চাঁদের পাহাড়’ গল্প আমাদের সবার জানা। এবার এই চাঁদের পাহাড়কে ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছা হয়েছিল নদীয়ার এই যুবকের।
এর আগে সাইকেলে চড়েই শেষ করেছেন তাঁর দিঘা থেকে এভারেস্ট বেস ক্যাম্প অবধি যাত্রা। সাইকেল নিয়ে এভারেস্ট যাওয়ার আগে, সাইকেল নিয়ে ২০২০ সালে ৪৮ দিনে সেরে ফেলেছেন কাশ্মীর-কন্যাকুমারী যাত্রাও। প্রদক্ষিণ করেছেন গোটা হিমালয় পর্বতমালাকেও। ৬ মাস সময়ে পশ্চিম থেকে পূর্বে প্রদক্ষিণ করেন গোটা হিমালয় পর্বতমালাকে।
রেলওয়ে হেড অফিস, মোম্বাসা, পূর্ব আফ্রিকা, যেখান থেকে শংকর চাঁদের পাহাড় উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল, সেভাবেই জ্যোতিষ্ক মোম্বাসা থেকে চাঁদের পাহাড় ছোঁয়ার যাত্রা শুরু করেছিলেন। জ্যোতিষ্ক জানান,বাঙালি হিসাবে চাঁদের পাহাড় ছুঁতে পারলাম , বিভূতিবাবুর ইচ্ছে পূরণ করতে পারলাম হয়তো ..
সমাজমাধ্যমে জ্যোতিষ্ক লেখেন,
শঙ্কর
ওই যে আরব সাগরের পারে বন্দর যার নাম মোম্বাসা, সেখান থেকেই শঙ্কর তার যাত্রা শুরু করেছিলো আজ থেকে প্রায় ১০০ বছরের আগে , আমার আমাদের জীবনে কোথাও না কোথাও সবাই চাই যে শঙ্করের জীবনটা বাঁচতে , কিন্তু পারছি কি আমারা নাকি আমাদেত জীবনের বাকি ইচ্ছে গুলোকেই বেশি প্রধান্য দিয়ে ফেলছি ?
আমার কাছে কোন উত্তর নেই ।
নিজের কঠিন চেষ্টায় শংকরের জীবনে বাঁচতে চলেছি ( আগামী কিছু মাস)
আমি সেল্ফ সাপোর্টেট অ্যাটলিট বা ট্রাভেলার, যেখানে পরিচিতি বা স্পনসর কোনটায় প্রয়োজন পড়ে না, নিজেকে মাটিতে বিলীনকরে দেবার এই যাত্রায়
আপনাদের ভালবাসা কাম্য শুধু , এইটুকুই ! এবার শুধু মোম্বাসা পৌঁছানোর অপেক্ষা
রেলওয়ে হেড অফিস
কনস্ট্রাকশন ডিপার্টমেন্ট
মোম্বসা, পূর্ব আফ্রিকা ,
এই সেই ঠিকানা যেখান থেকে প্রসাদদাস বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি পাঠিয়েছিলেন শঙ্কর কে …