নাম গুলিয়ে একাকার কাণ্ড! প্রয়াত অভিনেতা জয় ব্যানার্জী,কিন্তু শোকবার্তা পাচ্ছেন জয়জিৎ ব্যানার্জি! নামের বিভ্রান্তিতে ক্ষুব্ধ অভিনেতা? কি বলছেন তিনি?
টলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা জয় ব্যানার্জীর মৃত্যুতে গোটা ইন্ডাস্ট্রিতে শোকের ছায়া। চিরকালের মতো না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর গত ১৭ আগস্ট থেকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল তাঁকে। সোমবার সকাল ১১টা ৩৫ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান অভিনেতা।
কিন্তু এই দুঃসময়ের আবহে রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন অন্য এক অভিনেতা। জয় ব্যানার্জীর মৃত্যুর খবর শুনে অনেকেই না বুঝে অভিনেতা জয়জিৎ ব্যানার্জীর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন। তিনি সুস্থ আছেন কিনা দেখার জন্য অনেকে অভিনেতাকে ফোন এবং মেসেজও করেছেন। এই ভুলভ্রান্তি কাটানোর জন্য একপ্রকার বাধ্য হয়ে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন অভিনেতা জয়জিৎ ব্যানার্জী। প্রয়াত অভিনেতা জয় ব্যানার্জীর একটি ছবি পোস্ট করে জয়জিৎ লেখেন, “প্রয়াত অভিনেতা জয় ব্যানার্জি। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি। সকাল থেকে প্রচুর ফোন আর মেসেজ পেয়েছি। আমি ভালো আছি।”
এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জয়জিৎ কিছুটা রেগে গিয়ে জানিয়েছেন,”মানে, জয় আর জয়জিৎ— এই দুই নামও মানুষ গুলিয়ে ফেলছে! কিন্তু তাই বলে কেউ কি কাউকে জিজ্ঞেস করে— ‘তুমি বেঁচে আছো তো?’ মানুষের ভদ্রতা বা সাধারণ জ্ঞান বোধহয় একেবারেই হারিয়ে ফেলেছে। শুনেছিলাম মানুষের ভদ্রতা, সাধারণ জ্ঞান হাঁটুতে গিয়ে থেকেছে, এখন দেখছি সেটাও ভুল। ওটা গোড়ালিতে গিয়ে ঠেকেছে!”
তিনি আরও বলেন,”বাধ্য হয়েই লিখেছি ওই পোস্ট। জয়দা মারা গিয়েছেন, এমন খারাপ খবরের মাঝে আমার ফোনে অজস্র মেসেজ ঢুকছে। বেশিরভাগই ‘তুমি বেঁচে আছো তো?’, ‘তোমার নামে এটা কী খবর শুনলাম?’ ফোন তো আসছেই। আমি সাধারণত শুটিং না থাকলে একটু দেরি করেই সকালে বিছানা ছাড়ি। আজকেও উঠেছি খানিক দেরি করেই। উঠে দেখি, ফোনে অজস্র মিসড কল। এমন ব্যক্তিরাও ওই তালিকায় রয়েছেন যাঁরা কোনওদিন ও খোঁজ নেন না। তারপর এই দুঃসংবাদ পেয়েই বুঝলাম আসল ব্যাপারটা।”
আরও পড়ুন:Shruti-Sohini:এক পলকেই সবশেষ
এক নেটিজেন আবার লিখেছেন, ‘বেঁচে থাকার মত কাজ করুন।’ উত্তরে অভিনেতা লিখেছেন,”ঠিক কি কি কাজ করতে হবে একটু বলে দিলে ভালো হয়।” নেটিজেনরা কেউ কেউ লিখেছেন, ‘মানুষ এমন ভুল করে কীভাবে? দুটো মানুষ সম্পূর্ণ আলাদা।’ কেউ আবার মজার ছলে লিখেছেন, ‘আয়ু বেড়ে গেল আপনার।’