Debolina-Sayak-Sukanta:গায়িকা দেবলীনা নন্দীর(Debolina Nandy) আ/*/হ/*র চেষ্টার ঘ’ট’না’য় রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়া উ’ত্তা’ল। বর্তমানে যদিও তিনি এখন অনেকটাই সু’স্থ। তবে মা’ন’সি’ক দিক থেকে তিনি এখনও নিজেকে শ’ক্ত করে তুলতে পারেননি। এই সব কিছুর মাঝেই অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী সাথে তাঁর বন্ধুত্বের সমীকরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নে’টি’জে’ন’রা আ’ঙু’ল তু’লে’ছে’ন সায়কের(Sayak Chakraborty) দিকে। তাদের ধারণা এটা নিছকই শুধু বন্ধুত্ব নয়। দেবলীনা ও তাঁর স্বামীর বি’চ্ছে’দে’র মূল কা’র’ণ সায়ক। তাঁর কারণেই নাকি তাদের সংসার ভে’ঙে’ছে। নে’টি’জে’ন’রা যখন সায়ককে কা’ঠ’গ’ড়া’য় তুলেছে তখন তাঁর বন্ধুরা একে একে তাঁর পাশে দাঁড়াচ্ছে।
সায়কের বন্ধু তথা সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সুকান্ত কুন্ডু(Sukanta Kundu) ভিডিও পোস্ট করে জানিয়েছেন, “কোনো কিছু কেউ কারোর জন্য ভা’লো করলে তার যে দা’ম পাওয়া যায় না, সেটা আবার এই ক’লি’যু’গে এসে প্র’মা’ণ হল। আজকাল রা’স্তা’ঘা’টে আমরা দেখি, ধরো কোনো দু’র্ঘ’ট’না হলে কেউ কোনো স্টে’প নেয় না, মানুষ দাঁ’ড়ি’য়ে থাকে নয়ত ভিডিও করে বা চলে যায় মু’খ ঘুরিয়ে চলে যায়। কেন বাঁ’চা’তে যায় না! কেন জানেন? কারণ তাঁরা ভাবে যে তাঁরা ফেঁ’সে যাবে। সেই মানুষটাকে যদি তারা বাঁ’চি’য়ে হা’স’পা’তা’লে নিয়ে যায়, ভাবে পু’লি’শে জে’রা করবে, স’ম’স্যা হবে, এই স’ম’স্ত ঝা’মে’লা কেউ নিজের জীবনে চায় না। আর সেই জন্যই সাধারণত মানুষ যখন এ’ক্সি’ডে’ন্ট কে’স হয়, তাকে নিয়ে গিয়ে হা’স’পা’তা’লে ভ’র্তিও করায় না, যতক্ষণ না সেই মানুষটার বাড়ির লোক কেউ আসে ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে কেউ ছুঁ’তে’ও যায় না, আর সেই মানুষটা ওখানেই প’ড়ে থাকে। প’ড়ে থেকে অনেক সময় মা/*/রা/ও যেতে পারে। আমি এই উদাহরণটা দিচ্ছি একটাই কা’র’ণে। সেদিন দেবলীনা যখন সায়কের সাথে যো’গা’যো’গ করেছিল, সায়ক পারত ভ’য়ে বা এইসব ঝা’মে’লা’র মধ্যে আমি জ’ড়া’ব না, তোর ব্যা’পা’র’টা তুই বু’ঝে নিস। কিন্তু না ওঁ সেদিনকে বাড়িতে বসে থেকে, আমি যতদূর জানি, ওর বাড়ি থেকে কোন হা’স’পা’তা’ল’টা কাছে আছে আর সেখানে ফো’ন করে অ্যা’প’য়ে’ন্ট’মে’ন্ট(appointment) নেওয়া অ’ব্দি ওঁ করেছে। তারপর সেই হা’স’পা’তা’লে(hospital) নিয়ে গেছে। প্রথমে সবাই কেউ বুঝতে পারেনি ব্যাপারটা ওঁ যে ও’ষু’ধটা’ খেয়ে নিয়েছে। তো যতগুলোই খাক। কোথা থেকে ও’ষু’ধ’গু’লো পেয়েছে আমরা সবাই জানি বা কিভাবে পেয়েছে! সবাই ভাবছে যে হ’ঠা’ৎ করে কি করে এতগুলো পেয়ে গে’লো! সেটা কিভাবে হল, না হল ওই কথাতেই আমি যেতে চাইছি না। আমার শুধু একটাই কথা, যে মানুষটা সেই সময়, এতটা স’ক্রি’য়’ভা’বে(actively) সবকিছু করে তার জী’ব’ন’টা বাঁ’চা’তে সা’হা’য্য করেছে বা খবরটা ঠিক সময়ে জানিয়েছে বা ঠিকঠাক সময়ে হ’স’পি’টা’লে ফোন করেছে, সেই মানুষটাকে নিয়ে এখন কা’দা ছো’ড়া হচ্ছে? মানে হয় না রা’স্তা’য় কারোর অ্যা’ক্সি’ডে’ন্ট হয়েছে, এখানে ধরুন একটা মানুষ তাকে বাঁ’চা’লো, আর পরবর্তীকালে সেই মানুষটাকে জে’লে যেতে হল! এরকম একটা ঘ’ট’না আপনারা করছেন। মানে তাকেই এখন সবাই কা’ঠগ’ড়া’য় দাঁ’ড় করাচ্ছেন। সে নাকি তাদের স’ম্প’র্কে’র তৃতীয় ব্যক্তি! তার জন্য নাকি ডি’ভো’র্স হচ্ছে! তাহলে এর থেকে ভা’লো ছিল সায়ক সেদিন রাত্রিবেলা দেবলীনাকে কোনো সা’হা’য্য করত না আর আজকে দেবলীনা হয়ত এই দু’নি’য়া’তে থাকত না, তখন আপনারা হয়ত, এত কথাও উঠত না। মেয়েটা যদি না বেঁ’চে থাকত তাহলে এত প্র’শ্ন আসত না, তাঁকেও এত খা’রা’প কথা শুনতে হত না। একটা মানুষের ভা’লো করতে গিয়ে, বন্ধুর জায়গায় দাঁ’ড়ি’য়ে একটা বন্ধু যখন এতকিছু করেছে, সেখান থেকে সেই জিনিসটাকে কেন এত নোং’রা’মি’র জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন? কেন একটা সো’জা জিনিসকে সো’জা ভাবে দেখা যায় না? কেন সব জায়গাতে এরকম একটা পয়েন্ট আনতেই হবে আপনাদের, যেখানে যেটার কোনো যুক্তিই নেই। মানছি, মানুষ হ্যাঁ কে, হ্যাঁ বলতে পারেনা। নে’গে’টি’ভ কথাবার্তা ছা’ড়া বলতে পারেনা।”
আরও পড়ুন:Ayendri-Sayak:সায়ককে লাগাতার ক’টা’ক্ষ, নেটিজেনদের একহাত নিলেন আয়েন্দ্রী
তিনি আরও বলেন, “আজকে যদি একটা মানুষ অ্যা’ও’য়া’র্ড’ও যদি পায়, তাঁকে লেখে যে টা’কা দিয়ে অ্যা’ও’য়া’র্ড কিনেছে! একটা সোজাসাপটা বিষয় সেটাকে জ’টি’ল করে কা’দা ছো’ড়া’ছু’ড়ি করা হচ্ছে। যে মানুষটা অন্য একটা মানুষের জী’ব’ন বাঁ’চা’ল তাঁকে নিয়ে এখন নোং’রা’মি হচ্ছে।, তাঁকে নিয়ে এখন টা’না’টা’নি হচ্ছে। এর থেকে ভা’লো ছিল ওই দিন সায়কের কোনো প’দ’ক্ষে’প না নেওয়াই। তাহলে হয়ত ওঁকে এই লা’ঞ্ছ’না’টা,এইসব বা’জে বা’জে জিনিসগুলো স’হ্য করতে হত না। সোশ্যাল মিডিয়া আমরা করি, আমরা জানি যে কোন ভা’লো জিনিস করলেও কোনো নে’গে’টি’ভ ক’মে’ন্ট আসবে আর খা’রা’প জি’নি’স বললেও নে’গে’টি’ভ ক’মে’ন্ট আসবে। মানুষ সবসময় বসে আছে মানুষের খুঁ’ত বের করার জন্য। কোন ভু’ল’টা সে করেছে, কোন কথাটা সে ভু’ল বলল, হয়ত আমার এই ভিডিওতেই হা’জা’র জন বলবে তুমি ভু’ল বললে! হয়ত বলেছি, সবাই হয়ত অত গু’ছি’য়ে কথা বলতে পারিনা। এটা কোন স্ক্রিপ্ট তো নয় যে গু’ছি’য়ে বলব, যেটা ভাবছি, সেটাই বলছি। সবাই এটা ই’ন’স্ট্যা’ন্ট ভিডিও(instant video) করে, অ’ভিন’য় করে না। তাই ভু’ল হতেই পারে। তো কখন, কে, কোথায়, কোন ধরনের কথা বলে ফেলেছে, কোন কথার কি প্র’তি’ক্রি’য়া দিয়েছে সেটা জা’জ করে তাকে নিয়ে এখন আ’জে’বা’জে কথা বলা, তাকে নিয়ে এখন অনেক মি’ম’স বে’রো’চ্ছে, নানান লোক নানান ধরনের পোস্ট করছে, কেন? এটা তো কোনো দরকার নেই। একটা মানুষ যে মানুষের উ’প’কা’র’টা করেছে সেটা মা’থা’য় রাখুন এবং সেটা মনে রেখে বা’জে বা’জে কথা না বলাই ভা’লো। একটা বন্ধু যখন অন্য একটা বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়েছে এবং বন্ধুত্বের সঠিক প’রি’চ’য় দিয়েছে। সেটা শুধু দেবলীনা নয়, আমরা যে কেউ বি’প’দে পড়লে সায়ক এটাই করবে। আমার কোনো শ’রী’র খা’রা’প হলে সায়ক বাড়ি থেকে বলে দেয় এই ও’ষু’ধ’টা খা, এটা কর, সেটা কর। ওঁকে জি’জ্ঞা’সা’ও করি না, তাও বলে। কারোর কোনো স’ম’স্যা হলে সবসময় পাশে দাঁ’ড়া’য়। সবার পাশেই ওঁ দাঁ’ড়া’য়। এই পাশে দাঁ’ড়া’নো’টা’ই কি ওঁর ভুল? তাই জন্যই কি ওঁকে এত কিছু শুনতে হচ্ছে? কারণ সে মেয়েটার পাশে দাঁ’ড়ি’য়ে’ছে, তার পরিবারকে জানিয়েছে, এই ঘ’ট’না’র সাথে জ’ড়ি’য়ে পড়েছে, সেই জন্যই কি আজকে ওঁর ব্যাপারে এত ভু’ল’ভা’ল কথা হচ্ছে! মানুষের যখন ভা’লো করতে পারবেন না, ফোনের ওপারে বসে তো আপনি এই প’রি’স্থি’তি’টা দেখতে পাচ্ছেন না! কি হচ্ছে কিছুই জানেন না! চারটে ক’মে’ন্ট করছেন। সেই কমেন্টটা অন্তত ভা’লো করার চেষ্টা করুন, খা’রা’প না করে। আপনি তো ওখানে বসে কিছু করতে পারবেন না। আপনি ওই মেয়েটার জী’ব’ন বাঁ’চা’তে পারতেন সেই রাত্রিবেলা, এখনও মেয়েটার জী’ব’নে কোনো বা’জে প’রি’স্থি’তি আসলে সেটাকেও আপনি ঠিক করতে পারবেন। যদি কোনো স’ম’স্যা হয়, যেতে হবে সায়ককেই, যেতে হবে আমাদেরকেই। আমাদের কথা নয় বা’দ’ই দিলাম। সায়ক কিন্তু ছু’টে যাবে। কারণ ওঁ এই ধরনের মানুষ নয় যে কেউ বি’প’দে প’ড়ে’ছে দেখে ঘরে বসে থাকবে। সবার আগে হয়ত সেই প’রি’স্থি’তি’তে ওঁ আগে ছু’টে যাবে। আর ওঁ গিয়েছে। ভা’লো করতে পারছেন না, অন্তত বা’জে করবেন না। চারটে নিজের প’কে’টে টা’কা কা’মা’নো’র জন্য চারটে ফা’ল’তু হেডলাইন বানিয়ে, বা’জে নিউজ পোস্ট করবেন না।”