Debolina Nandy:৭৮টি ঘু’মে’র ও’ষু’ধ কিভাবে পেলেন দেবলীনা? দিদির লাইভে বি’স্ফো’র’ক অ’ভি’যো’গ – হাসির আড়ালে কী ভ’য়া’ন’ক য’ন্ত্র’ণা লু’কি’য়ে রেখেছিলেন দেবলীনা নন্দী?

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Debolina Nandy:হাসিখুশি মুখ, সুরেলা ক’ণ্ঠ, পারিবারিক ভ্লগে আপনজনের মতো উপস্থিতি এই পরিচয়ের আ’ড়া’লে’ই যে এত ব’ড় ঝ’ড় জ’মে উঠছিল, তা হয়ত ক’দিন আগেও কেউ ভাবতে পারেনি। জনপ্রিয় গায়িকা ও ই’ন’ফ্লু’য়ে’ন্সা’র দেবলীনা নন্দী(Debolina Nandy) এখন হা’স’পা’তা’লে’র শ’য্যা’য়। ৭৮টি ঘুমের ও’ষু’ধ খেয়ে নিজের জীবন শে’ষ করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি এই তথ্য সামনে আসতেই নেটদুনিয়ায় শো’র’গো’ল পড়ে যায়। কিন্তু তার থেকেও বড় প্রশ্ন উঠে আসে, এত বি’পু’ল পরিমাণ ও’ষু’ধ তিনি পেলেন কীভাবে? আর কী এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে, সবকিছু ছে’ড়ে এই চ’র’ম সি’দ্ধা’ন্তে’র দিকে এ’গো’তে বা’ধ্য হলেন দেবলীনা?

গত কয়েক দিনে দেবলীনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সমাজমাধ্যমে নানা ম’ত, নানা ত’র্ক দেখা গেলেও পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয় তাঁর দিদির একটি সাম্প্রতিক লা’ই’ভে’র পর। সেই লা’ই’ভে’ই প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে একের পর এক বি’স্ফো’র’ক দাবি। দিদির বক্তব্য অনুযায়ী, দেবলীনার দীর্ঘদিন ধরেই ঘুমের স’ম’স্যা ছিল। চি’কি’ৎ’স’কে’র পরামর্শে তাঁকে ঘুমের ও’ষু’ধ খেতে হত। সেই ও’ষু’ধ’ই তিনি অ’ল্প অ’ল্প করে দীর্ঘ সময় ধরে জ’মি’য়ে রেখেছিলেন। দিদির দাবি, ও’ষু’ধে’র ডো’জ তুলনামূলক হা’ল’কা হওয়াতেই হয়ত ব’ড় কোনও দু’র্ঘ’ট’না এড়ানো গেছে। দেবলীনার দিদি বলেন, “বোনের আগে থেকেই ঘুমের স’ম’স্যা ছিল। চি’কি’ৎ’স’কে’র পরামর্শে ও’ষু’ধ খেত। দীর্ঘ সময় ধরে অ’ল্প অ’ল্প করে সেই ও’ষু’ধ জ’মি’য়ে রেখেছিল। ও’ষু’ধে’র ডো’জ হালকা ছিল বলেই হয়ত বড় কোনও বি’প’দ ঘ’টে’নি।”

তবে শুধু ও’ষু’ধে’র প্রসঙ্গেই থে’মে থাকেননি দেবলীনার দিদি। তিনি সরাসরি অ’ভি’যো’গ তু’লে’ছে’ন দেবলীনার স্বামী প্রবাহ নন্দীর বি’রু’দ্ধে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সং’সা’রে অ’র্থ’নৈ’তি’ক ভা’র’সা’ম্য ছিল স’ম্পূ’র্ণ উ’ল্টো। দেবলীনা যেখানে স্বামীর থেকে প্রায় তিনগুণ বেশি আ’য় করতেন, সেখানে সেই অ’র্থে’ই চলত প্রবাহর বি’লা’স’ব’হুল জী’ব’ন। দিদির অ’ভি’যো’গ, বছরের শে’ষ দিনে পর্যন্ত দেবলীনার টা’কা’য় কে’না হয়েছে হা’জা’র হা’জা’র টা’কা’র ব্র্যান্ডেড সামগ্রী ১৯ হা’জা’র টা’কা’র ট্রলি ব্যাগ, ২৪ হা’জা’র টা’কা’র বেল্ট, এমনকি ৬০ হা’জা’র টা’কা’র দা’মি পারফিউমও। অ’ভি’যো’গে’র তালিকায় এমন কথাও উঠে আসে যে, প্রবাহর ব্যক্তিগত পোশাক পর্যন্ত দেবলীনার কি’নে দেওয়া।

এই আ’র্থি’ক টা’না’পো’ড়ে’ন ও দা’ম্প’ত্য ক’ল’হ’ই যে দেবলীনার মা’ন’সি’ক অবস্থাকে আরও ভে’ঙে দিয়েছিল, সেই ইঙ্গিতও দেন তাঁর দিদি। অ’ভি’যো’গ আরও গু’রু’ত’র হয় যখন তিনি দা’বি করেন, বি’বা’দে’র এক চূ’ড়া’ন্ত মুহূর্তে প্রবাহ দেবলীনাকে ক’টা’ক্ষ করে বলেন, “এখন কী করবে, নিজেকে শে’ষ করবে?”- এই মন্তব্যই নাকি দেবলীনাকে আরও গ’ভী’র অ’ন্ধ’কা’রে’র দিকে ঠে’লে দেয়।

আরও পড়ুন:Debolina-Sayak-Sukanta:বন্ধু সায়কের দিকে আঙুল উঠতেই বেজায় চ’ট’লে’ন সুকান্ত

এই ঘ’ট’না’র আগেই অবশ্য দেবলীনা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লা’ই’ভ এসে নিজের য’ন্ত্র’ণা’র কথা বলেছিলেন। চোখের জ’ল আর ভা’ঙা কণ্ঠে তিনি জানিয়েছিলেন, বি’য়ে’র পর থেকেই তাঁর পেশা ও মা-কে কেন্দ্র করে তাঁকে অ’স’হ্য মা’ন’সি’ক চা’পে রাখা হচ্ছে। দেবলীনাকে বারবার বলা হয়েছে, তাঁকে নাকি তাঁর মাকে ছে’ড়ে দিতে হবে। লা’ই’ভে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যে মা নিজে ছেঁ’ড়া শাড়ি পরে তাঁকে বড় করেছেন, নিজের ক’ষ্ট ভু’লে মেয়ের জন্য ভা’লো জামাকাপড় কিনেছেন সেই মাকে তিনি কীভাবে ত্যা’গ করবেন? দেবলীনার কথায়, তাঁর মা তাঁর জীবনের অ’বি’চ্ছে’দ্য অং’শ, এমনকি মায়ের উপস্থিতি ছা’ড়া তাঁর গানও নাকি পূ’র্ণ’তা পায় না। তিনি বলেন, “বি’য়ে’র পর থেকেই পেশা এবং মা-কে নিয়ে অ’স’হ্য য’ন্ত্র’ণার শি’কা’র হচ্ছি আমি। বারবার আমাকে বলা হয়েছে মা-কে ছে’ড়ে দিতে হবে। যে মা নিজে ছেঁ’ড়া শাড়ি পরে আমাকে ব’ড় করেছেন, ভা’লো জামা এনে দিয়েছেন, তাঁকে আমি কীভাবে ত্যা’গ করব? মা আমার শো-তে না থাকলে আমার গান পূ’র্ণ’তা পায় না।”

লা’ই’ভে দেবলীনা আরও জানান, বাইরে থেকে তিনি সবসময় প’জি’টি’ভি’টি ছ’ড়া’নো’র চেষ্টা করেন। ভ্লগে হা’সি-ঠা’ট্টা, সু’খী সং’সা’রে’র ছবি তু’লে ধরেন। কিন্তু বা’স্ত’বে তিনি মোটেও ভা’লো নেই। দীর্ঘদিন ধরে জ’মে থাকা ট্র্যা’জে’ডি আর সা’ম’লা’তে পারছিলেন না তিনি। তাঁর ভাষায়, “আমি আর পারছি না। সী’মা অ’তি’ক্র’ম করে যাচ্ছে সবকিছু।” এই কথাগুলোই যেন পরে তাঁর চ’র’ম সি’দ্ধা’ন্তে’র পূ’র্বা’ভা’স হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন:Sayak Chakraborty:”বাচ্চা নাকি?আজব ন্যা’কা”- বন্ধুত্বের ভা’ঙ’ন? দেবলীনা-কা’ণ্ডে হা’স’পা’তা’লে যাওয়া ঘিরে মুখোমুখি অলকানন্দা–সায়ক, শালির পাশে নয়, সায়কের দিকেই সুকান্ত

দেবলীনার হা’স’পা’তা’লে ভ’র্তি হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই নে’ট’পাড়া কার্যত দু’ভাগে ভাগ হয়ে যায়। একাংশ তাঁর প্রতি গ’ভী’র স’হা’নু’ভূ’তি প্রকাশ করে দ্রুত আ’রো’গ্য কা’ম’না করছেন। আবার অন্য একাংশ পুরো ঘ’ট’না’কে না’ট’ক বলে ক’টা’ক্ষ করতেও পি’ছ’পা হননি। কেউ কেউ প্র’শ্ন তুলছেন, এত ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ্যে আনা কতটা ঠিক, আবার কারও মতে পরিবারের অ’ভি’যো’গগু’লো’র নি’র’পে’ক্ষ ত’দ’ন্ত হওয়া জ’রু’রি।

পরিবারের তরফে যে অ’ভি’যো’গ’গু’লো প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে এই ঘ’ট’না যে আ’ই’নি পথে গ’ড়া’তে পারে, সেই ই’ঙ্গি’ত’ও মিলছে। দেবলীনার এই পরিস্থিতির জন্য আসলে কে বা কী দা’য়ী শ্বশুরবাড়ির মা’ন’সি’ক চা’প, দা’ম্প’ত্য ক’ল’হ, না কি স্বামীর উ’চ্চা’কা’ঙ্ক্ষা ও জীবনযাপনের ধরন সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ত’দ’ন্ত ও স’ত্যে’র প’র্দা উঠলেই হয়ত জানা যাবে, হাসির আ’ড়া’লে লু’কি’য়ে থাকা এই ভ’য়’ঙ্ক’র গল্পের আ’স’ল চিত্র।

Leave a Comment