Hema Malini:“আমি কিন্তু হাসছি!”- জনরোষ, ‘গোমড়ামুখী’ কটাক্ষ আর ড্যামেজ কন্ট্রোলের মাঝে ভোটকেন্দ্রে হেমা মালিনী

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Hema Malini: মুম্বই পুরসভার ভোট দিতে গিয়ে ফের বি’ত’র্কে’র কেন্দ্রে মথুরার তারকা সাংসদ হেমা মালিনী(Hema Malini)। লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট না দিতে পারার অ’ভি’যো’গ তুলে প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষো’ভ, তারকা খ্যাতির বিশেষ সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন। সব মিলিয়ে ভোট কেন্দ্র যেন রীতিমতো উ’ত্ত’প্ত হয়ে ওঠে। তার উপর সাম্প্রতিক সময়ে খেলোয়াড়দের পুরস্কার বিতরণে ‘রূ’ঢ়’ আচরণের অভিযোগে তাঁকে ঘিরে যে স’মা’লো’চ’না’র ঝ’ড় উঠেছিল, সেই বি’ত’র্কও তখনও পুরোপুরি থামেনি। ঠিক এই আবহেই ভোট কেন্দ্রের বাইরে পাপারাজ্জিদের সামনে দাঁড়িয়ে ড্যা’মে’জ কন্ট্রোলে নামতে দেখা গেল বর্ষীয়ান অভিনেত্রী-রাজনীতিককে।

ভোট দিয়ে বেরোনোর পর ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, হেমা মালিনীকে ঘিরে ধরেছেন কয়েকজন প্রবীণ ভোটার। তাঁদের অ’ভি’যো’গ, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। কিন্তু একজন তারকা সাংসদ বলেই কি নিয়ম ভে’ঙে বা আলাদা সুবিধা নিয়ে ভোট দিতে পারবেন তিনি? এই প্রশ্ন তুলেই ক্ষো’ভ উ’গ’রে দেন তাঁরা। আমজনতা হিসেবে বছরের পর বছর বুথে এসে ভো’গা’ন্তি স’হ্য করতে হবে কেন, সেই আ’ক্ষে’প’ও উঠে আসে কথাবার্তায়। পরিস্থিতি দ্রুতই অ’স্ব’স্তি’ক’র হয়ে ওঠে। ভিড়ের চাপে আ’ত’ঙ্কি’ত হেমা মালিনী শে’ষ পর্যন্ত পুলিশি সহায়তায় নিজের সহকারীকে সামনে রেখে সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

তবে ভোট কেন্দ্রের এই অ’স্ব’স্তি’ক’র মুহূর্তেই যে তিনি সম্পূর্ণ নী’র’ব থাকলেন, তা নয়। বাইরে অপেক্ষারত পাপারাজ্জিদের সামনে এসে সাম্প্রতিক বি’ত’র্ক প্রসঙ্গে মুখ খুলে কার্যত ‘ড্যা’মে’জ কন্ট্রোল’-এর চেষ্টা করেন হেমা। কয়েকদিন আগে মথুরার এক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে যে আ’চ’র’ণে’র জন্য তিনি তী’ব্র স’মা’লো’চ’না’র মুখে পড়েছিলেন, সেই প্রসঙ্গই ফের উঠে আসে ক্যামেরার সামনে।

আরও পড়ুন:Debolinaa Nandy:‘ম**রে গেলাম না কেন?’- ট্রো’লিং’য়ে ক্ষু’ব্ধ দেবলীনা, এটা আমার ভাড়া করা দিদি নয়, নাম নিতে চাই না… বেকার ফুটেজ নয়, লিখিত চুক্তি ছাড়া আর কাজ নয়…”, ১৫ জানুয়ারির পরেই মঞ্চে ফেরার ঘোষণা! দিদিকে নিয়ে করা কুমন্তব্যের সাথে নানান মানুষের অভিযোগের জবাব দিলেন দেবলীনা

সেই ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার সময় তাঁর অভিব্যক্তি ও আ’চ’র’ণ নিয়ে। বিজয়ীদের সঙ্গে করমর্দন বা হাসিমুখে অভিনন্দন কোনওটাই চোখে পড়েনি দর্শকদের। এমনকি মেডেল পরানোর পর হাত মুছতে দেখা যাওয়ায় অনেকেরই মনে হয়েছিল, অ’নি’চ্ছা সত্ত্বেও যেন দায়িত্ব সারছেন হেমা মালিনী। ‘গো’ম’ড়া’মু’খী’ তকমা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় ক’টা’ক্ষ। কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে কি এমন শীতল ব্যবহার অ’প্র’ত্যা’শি’ত?

এই স’মা’লো’চ’না’র মাঝেই ভোট কেন্দ্রের বাইরে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে অন্যভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন তিনি। প্রথমে ফটোগ্রাফারদের দেখে কিছুটা চমকে গেলেও মুহূর্তের মধ্যেই নিজেকে সামলে নেন। হাসিমুখে বলেন, “এই দেখো, আমি কিন্তু হাসছি। এবার আর বলো না যে হেমা মালিনী হাসে না!” কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে ত’র্জ’নী’তে ভোটের কালিও দেখান তিনি। সেই মুহূর্তের হাসিই যেন ছিল স’মা’লো’চ’না’র জবাব।

আরও পড়ুন:Debolina-Sayak:“সায়ক অতটা বা’জে ছেলে নয়, ১০ বছর ধরে ওদের চিনি”…”ছেলে বন্ধু ছেলে বন্ধুর সাথেই মিশবে, আর মেয়ে বন্ধু মেয়ে বন্ধুর…”-দেবলীনা ও সায়ককে ঘিরে গু’জ’ব উড়িয়ে সরাসরি মুখ খুললেন দেবলীনার ড্রাইভার

হেমা মালিনীর ঘ’নি’ষ্ঠ মহলের মতে, তাঁর সাম্প্রতিক আচরণকে বুঝতে হলে ব্যক্তিগত জীবনের দিকটিও নজরে রাখতে হবে। ধর্মেন্দ্রর প্র’য়া’ণে’র পর থেকেই গ’ভী’র শো’কে’র মধ্যে রয়েছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছিলেন, “৫৭ বছর ধরে একটা মানুষের সঙ্গে জীবন কা’টা’নো’র পর তাঁকে ছা’ড়া এক মুহূর্তও ক’ল্প’না করতে পারছি না। এখনও শো’ক কাটিয়ে উঠতে পারিনি।” এই মা’ন’সি’ক অবস্থার মধ্যেই একের পর এক প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হচ্ছে তাঁকে।

তার উপর ধর্মেন্দ্র(Dharmendra Singh Deol)-র মৃ’ত্যু’র পর থেকে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে হেমা মালিনীকে। কখনও পৃ’থ’ক স্মরণসভা নিয়ে বি’ত’র্ক, কখনও আবার দেওল পরিবারের অন্দরের স’ম্প’র্ক নিয়ে জ’ল্প’না সব মিলিয়ে চা’প যে কম নয়, তা স্পষ্ট। অনেকের মতে, এই মা’ন’সি’ক ক্লা’ন্তি ও ব্যক্তিগত শো’কই তাঁর মুখের অভিব্যক্তিতে প্রভাব ফেলছে।

আরও পড়ুন:Manosi Sengupta:”ক্যামেরাটা অন হচ্ছে কেন? এত ফুটেজ কিসের জন্য দরকার? বন্ধুরা দেখা করতে গিয়ে কনটেন্ট বানাচ্ছে? ফেসবুক খুললেই ও ৭৮টা ঘুমের ও’ষু’ধ খেয়েছে, বাচ্চারা কি শিখছে?…” সবকিছুই কনটেন্টে! স’ম’স্যা’র সমাধান না করে অহেতুক কাদা ছোড়াছুড়ি দেখে বে’জা’য় চ’ট’লে’ন মানসী

তবু রা’জ’নী’তি’র ময়দানে থাকা একজন অভিজ্ঞ সাংসদ হিসেবে জনতার প্রত্যাশা যে আ’লা’দা, সেটাও অ’স্বী’কা’র করা যায় না। ভোট কেন্দ্রে প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষো’ভ সেই বাস্তবতাই ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। তারকা খ্যাতি আর সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন স’ম’স্যা’র ফা’রা’ক যে কতটা, সেই প্রশ্নও উঠল নতুন করে।

সব মিলিয়ে এই ঘ’ট’না হেমা মালিনীর জন্য ছিল এক ক’ঠি’ন প’রী’ক্ষা। একদিকে জ’ন’রো’ষ, অন্যদিকে সদ্য ঘ’টে যাওয়া বি’ত’র্ক। এই দুইয়ের মাঝেই ক্যামেরার সামনে হাসি দিয়ে নিজের ভাবমূর্তি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেন তিনি। দীর্ঘদিন পর তাঁর মুখে হাসি দেখে পাপারাজ্জিরাও খুশি, কিন্তু সেই হাসি কি স’মা’লো’চ’না’র আ’গু’ন পুরোপুরি নি’ভি’য়ে দিতে পারবে? উত্তর দেবে সময়ই।

Leave a Comment