Kaushik Ganguly:’ধূমকেতু’ ছবিকে ঘিরে লুকিয়ে মৃত্যু রহস্য! ছবি আড়ালে রয়েছে এক অজনা গল্প! পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলির গায়ে কাঁটা দেওয়া কথা শুনে, হতবাক হবেন আপনিও

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Kaushik Ganguly:‘ধূমকেতু’ ছবিকে ঘিরে লুকিয়ে মৃত্যু রহস্য! ছবি আড়ালে রয়েছে এক অজনা গল্প! পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলির গায়ে কাঁটা দেওয়া কথা শুনে, হতবাক হবেন আপনিও

এক যুগ অপেক্ষার পর মুক্তি পেয়েছে ‘ধূমকেতু’। দর্শকদের এত বছরের অপেক্ষা অবশেষে পূরণ হল। বড়পর্দায় দেব-শুভশ্রীকে দেখে আবেগে আপ্লুত তারা। এই আনন্দের মাঝে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন ছবির পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলি। ‘ধূমকেতু’ সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেছেন পরিচালক। যা পড়ে চমকে উঠেছেন অনেকেই। রীতিমতো যা পড়ে অনেকের গায়ে কাঁটা দিচ্ছে দেওয়ার মতো অবস্থা। এই ছবি পোস্ট করতে গিয়ে শিউরে উঠেছেন খোদ কৌশিক গাঙ্গুলিও।

আরও পড়ুন:Subhashree Ganguly:’টিকটিকি পোজ, দেবের প্রেমে এইভাবেই পড়েছিল…’,সমাজমাধ্যমে নতুন পোজ দেওয়া নিয়ে ট্রোল শুভশ্রী! প্রাক্তনকে টেনে এনে কুমন্তব্য!

‘ধূমকেতু’ সিনেমার একটি দৃশ্যের ছবি সমাজমাধ্যমের পাতায় তুলে ধরেন পরিচালক। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি টেবিলে রাখা দুটি বোতল এবং দূরে অন্য একটি টেবিলে বসে থাকা দুই ব্যক্তি। যদিও স্পষ্ট নয়। ব্যাপারটি ভীষণ সাধারণ মনে হলেও এর পেছনে যে গল্প রয়েছে তা আপনাকে অবাক করবে। পরিচালক লেখেন,”এই ছবিটা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন দিয়ে দেখুন ও লেখাটা পড়ুন। এটা ধূমকেতুর একটা দৃশ্যের শট। যেখানে নৈনিতালের একটা ক্যাফেতে দেব ও শুভশ্রীর দেখা হয়, কিন্তু শুভশ্রী চিনতে পারে না বৃদ্ধ দেবকে। লক্ষ্য করবেন টেবিলে বসে আছেন দুজন ব্যক্তি। তাঁদের সামনের টেবিলে দুটো খালি জলের বোতল রাখা। সেই দুটো বোতলের পিছনে টুপি মাথায় একজন ও উল্টোদিকে বসে হাল্কা দাড়ি মুখে আরেকজন। নিজেদের কাজে ব্যস্ত। এঁরা দুজনেই আমাদের ইউনিট মেম্বার ছিলেন নৈনিতালে। বাইরে কোথাও শ্যুটিং করতে গেলে হামেশাই ফ্রেমের প্রয়োজনে ইউনিটের সহকর্মীদের অনুরোধ করে বসতে বা হেঁটে যেতে বলা হয়। এটাও তেমনি। টুপি মাথায় যিনি তাঁর নাম সঞ্জয় ভট্টাচার্য, প্রোডাকশন ডিপার্টমেন্টের বন্ধু ও উল্টোদিকে বসা ভদ্রলোক বিখ্যাত মেকআপ আর্টিস্ট বিক্রম গায়কোয়াড়জী। ১০ বছর পর যখন ধূমকেতু মুক্তি পেয়েছে, তখন ঐ টেবিলে বসা দুজন মানুষই আর আমাদের মধ্যে নেই।অন্যান্য টেবিলে আরও অন্য ইউনিট মেম্বার ফ্রেম ভরাট করতে বসেছিলেন। কিন্তু কেন যে ঐ দুজনকেই বেছে ঐ একই টেবিলে বসিয়েছিলাম তার কোনও উত্তর পাচ্ছি না!
ছবির ফাইনাল প্রিভিউ করতে গিয়ে এটা ধরা পড়ে আমার চোখে।সত্যি গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। আরও অস্বস্তি হয় সামনে রাখা দুটো খালি জলের বোতল দেখে। ওটা রূপক নাকি কাকতালীয়! আমরা তো আমাদের দৃশ্য সাজিয়েছিলাম আমাদের সিনেমার জন্য! কিন্তু অলক্ষ্যে কেউ কি টেবিল সাজিয়ে নিয়েছিলেন তাঁর নিজের চিত্রনাট্য অনুযায়ী! নইলে ঐ একই টেবিলে বসা দুজনেই আজ কেন নেই আমাদের মধ্যে? দুটো খালি বোতল কেন ওখানেই রাখা?”

তিনি আরও লেখেন,”যতদিন সিনেমা বানাবো, এই ফ্রেমটা তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াবে। কাহিনী বলতে আমরা ঠাকুরমার ঝুলি থেকে যে কাঠামো চিনে এসেছি, তার বাইরেও প্রতিটা মুহূর্তও গল্প বলতে থাকে, প্রতিটা সাধারণ পরিস্থিতিও গল্প বলতে থাকে। কেউ বুঝতে পারে, কেউ টেরই পায় না। ধূমকেতুর প্রতিটা শোয়ে চিরকাল তোমাদের মিস করব বিক্রমজী ও সঞ্জয়। প্রণাম।”

তাঁর এই পোস্ট দেখে অবাক অনেকেই। কেউ কেউ এই গোটা ব্যাপারটাকে রহস্যময় বলে অভিহিত করেছেন, কেউ আবার লিখেছেন, এটা এমন একটা অনুভূতি যার কথা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

Leave a Comment