Sayantika Banerjee:ভোট প্রচারে টলিপাড়ার সক্রিয়তম অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন হলেন সায়ন্তিকা ব্যানার্জি। তাই ভোটের আগে প্রচার নিয়ে ব্যস্ততা তুঙ্গে বরানগরের এই প্রার্থীর। একটা ইতিবাচক মস্তিষ্কে মানুষের সাথে রোজকার সংযোগস্থাপনই তাঁর এখন নিত্যদিনের লক্ষ্য।
শুধু নির্বাচনী কি এই জনসংযোগের কারণ? প্রশ্নের উত্তরে সায়ন্তিকা বলেন, “এই জনসংযোগটা শুধু ইলেকশনের জন্য করছি না। ইলেকশন ডিক্লেয়ার হওয়ার তিন দিন আগে পর্যন্তও পাড়ায় পাড়ায় বৈঠক করছিলাম তো, এই জনসংযোগটা আমি এমনিই করে থাকি। আমরা সারা বছর মানুষের সাথে জনসংযোগে থাকি। এখন শুধু টাইম টেবিল করে বেরোতে হচ্ছে।”
‘পাশে আছে সায়ন্তিকা’, বলে একটা ক্যাম্পেন চালাচ্ছেন তিনি যেখানে এলাকার মানুষরা তাঁদের সমস্যার কথা বলেন।
বরানগরের ঘরের মেয়ে না বিধায়ক কাকে বেশি প্রাধান্য দেন অভিনেত্রী? জানালেন তিনি ঘরের মেয়ে হতে চেয়েছেন কারণ, “ঘরের মানুষের ওপর আমরা অধিকারবোধটা দেখাতে পারি ,জোর খাটাতে পারি। শুধু বিধায়ক হলে একটা ফরমালিটি এসে যায়। ঘরের মেয়ে হলে মানুষও জোর খাটাতে পারবে আমার ওপরে।”
সায়ন্তিকা ও তাঁর কর্মীরা মিলে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন প্রচারে সেটা নিয়েই অভিনেত্রী বলেন, তাঁর কর্মীরা অত্যন্ত কর্মঠ হবে নাই বা কেন! “আমাদের নেত্রী কি দৌড়ায় দেখেছো? ওনার সাথে দৌড়ে দৌড়ে হেঁটে হেঁটে আমাদের প্র্যাকটিস হয় গেছে।”
দর্শকমন্ডলীর প্রার্থীর কাছে সেলফি চাওয়ায় বিধায়ক সায়ন্তিকা কতটা খুঁজে পান টলি অভিনেত্রী সায়ন্তিকা কে?
উত্তরে তিনি জানান, “এই আবদার সবসময় চলুক, যতদিন আমি বাঁচব। যতদিন পৃথিবী দেখতে পাচ্ছি, শ্বাস চলছে, ততদিন যেন অবশ্যই অভিনেত্রী শিল্পী এই সত্ত্বাটাই আমার প্রধান পরিচয় হয়। কারণ ওই সত্ত্বাটার জন্যই মানুষ আমাকে চিনেছে।”
এই দেড় বছর টলিউডের বহু কাজ সরাসরি করতে পারেননি কারণ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার থেকেও সেই দায়িত্ব পালন করাটা খুব কঠিন। তাই সেই দায়িত্বই মন দিয়ে পালন করতে চেয়েছেন অভিনেত্রী যাতে তাঁর দলের নাম খারাপ না হয়।
জনপ্রতিনিধির পোস্টারে নাকি সিনেমার পোস্টারে কোনটায় অভিনেত্রী নিজেকে বেশি ভালোবাসেন? প্রশ্ন করা হলে
তিনি বলেন, দুটোই মানুষকে আনন্দ নেওয়ার দুটি ভিন্ন রাস্তা। কিন্তু উদ্দেশ্য একই মানুষকে ভালো রাখা। দুটোই মুদ্রার দুই পিট। জানালেন কটাক্ষের কারণে কখনও মেপে চলেন না অভিনেত্রী। নিজের আসল সত্ত্বাটাই সবসময় বজায় রেখে চলেন। তাঁর কথায়, “আমি রিল তখনই হই যখন অভিনয় করি নাহলে আমি রিয়েলই থাকি”, অকপট সায়ন্তিকা। প্রতিপক্ষের কথা অত গায় মাখেন না অভিনেত্রী। কারণ অভিনেত্রীর দলের নাম ভাঙিয়ে তাঁরা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে বলেই মত অভিনেত্রীর।