Ranojoy Bishnu: স্ত্রী শ্যামৌপ্তির সাথে বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জনের পর ইতিপূর্বে লাইভ এসে পরিস্থিতি স্পষ্ট করেছিলেন রণজয় বিষ্ণু। তবে এবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সমাজমাধ্যম ও মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার দিলেন অভিনেতা।
ট্রোলিং ও সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমাকে, কে, কি বলল আমার কিছু যায় আসে না।কিছু এমন পয়েন্ট ছাড়া, কিন্তু অন্য কাউকে কিছু বলে কিংবা তার নাম নিয়ে যে সে বলেছে, বলে লোকজনকে বলা… আমার মনে হয় আমাদের বেড়ে ওঠা উচিত।আমাদের দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।এই যে আমরা সব দাঁড়িয়ে, আমাদের নেতা-নেত্রীদের দিকে আঙ্গুল তুলছি কেন? উনি ওটা করলেন… ওমুক নেতা এই করেছে, উনি ওটা করেছেন… নেতা তো মঙ্গলগ্রহ থেকে আসেনি! ও তো তোমার আমার মাঝখান থেকেই এসেছে। আমাদের অন্যদের প্রতি আচরণ যেরকম হবে নেতাদেরও তো সেরকমই হবে। আমারা কীভাবে রামকৃষ দেব, বিবেকানন্দের মতো কাউকে আসা করতে পারি? সবার আগে তোমাকে নিজেকে পরিবর্তন করতে হবে, তারপর তুমি সেটা দাবি করতে পারো। খারাপটা শেয়ার করতে হবে! কেন করতে হবে? আমি ভালোটা শেয়ার করব যাতে ভালো জিনিসটা সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, কোথাও কিছু খারাপ হলে সেটা ব্যক্তিগত জীবনের একটা পার্ট।ব্যক্তিগত জীবন মানে সবটা উজাড় করে রাখতে হবে সেটাতে আমি বিশ্বাসী নই। আনার যদি কোনো মুহূর্তে কেউ আনন্দ পায় সেটা অবশ্যই শেয়ার করব।কিন্তু আমি খারাপ আছি বলে অন্য কেউ সবাইকে খারাপের মধ্যে ঠেলে দিলাম। এসো সবাই মিলে আমরা শেয়ার করি… আমি বাড়িতে খেতে না পেলে তো সবাই আমাকে খাওয়াতে যাবে না? তাদেরকেও আমি আমি অন্তর্ভুক্ত করলাম, এই সিস্টেমটায় আমার আপত্তি আছে।১০ টা লোকের আপত্তি নাই থাকতে পারে, তাঁরা আবার আমাকে গাল দিতে পারে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমার আপত্তি আছে।সিস্টেমের থেকে আপত্তি আছে এইটা তো আমি বলতে পারি।সেইটাই আমি বলেছি।”
সোশ্যাল মিডিয়ায় অকারণ নোংরামি ও কুৎসা নিয়ে রনজয় আরও যোগ করেন, “ওটা আমার ডিল করার বিষয় নয়, আমার জিজ্ঞাসা করা উচিত মিডিয়াকে,আমার থেকেও তারা অনেক বেশি আগ্রহী ওই কমেন্টে। আরে কি বলবে, সম্প্রতি আমি নাম বলব না, করো স্বামী মারা গেছে,সে তার ছবি প্রমোট করছে তার নিচে গিয়ে তাকে যা লিখছে,ভাই আমি কে?মনে সেই নোংরামি দেখা যাবে না। সেই ৫ পার্সেন্ট মন্তব্যের ভিত্তিতে আমাদের এত বছরের হার্ডওয়ার্ক হতে পারে না। এত বছরের পরিশ্রম হতে পারে না। এত বছরের সততা দিয়ে কাজ করা হতে পারে না, তাহলে মানুষ তো গাধা নয় এত বছর ধরে রেখে দিয়েছে। মানুষ দেখেছে বলেই লোক জনের ডিমান্ড তৈরি হয়েছে। তারপরে আমাদেরকে তারা কাজে নিয়েছে। এরকম প্রচুর লোক আছে আমি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলাম তারাও এসেছিল এখন আর তাদের কাউকে দেখতেও পাই না।”