Saayoni-Jeetu:বর্তমানে সমাজমাধ্যমের সবচেয়ে চর্চিত বিষয় হলো অভিনেত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী, সায়নী ঘোষের সাথে টলি অভিনেতা জিতু কামালের সং/ঘ/র্ষ। সমাজমাধ্যমে চ/র/মে উঠেছে তাদের কাদা ছোড়াছুড়ি। সায়নী নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্টে জিতু কমলের চ/রি/ত্র বিশ্লেষণ করে একটি লম্বা পোস্ট করেন।
তাঁর পোস্টে লেখা,
“জিতু কমল
আমি এমনিতে বো/কা কথার উত্তর দিতে পছন্দ করিনা এবং স্বা/র্থ/প/র ও সুযোগসন্ধানী লোকজনের থেকে দূ/র/ত্ব বজায় রাখতে পছন্দ করি। যেদিন আপনি এবং আপনার এক্স ওয়াইফ একটি স/ম/স্যা/য় পড়ে আমাকে থা/না থেকে ফোন করেন, তখন আমি এমপিও নই। আপনার প্রথম আক্ষরিকভাবে দাবি ছিল যে আপনার মতো বড় মাপের সেলিব্রিটিকে কেন এতক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়েছে। আপনি থানায় ঢোকার থেকেই পুলিশ স্টাফদের সাথে “তোমরা জানো আমি কে“ টাইপ এর অ/স/ভ্য/তা করে চলে ছিলেন। আপনি হ্যান করেঙ্গা ত্যান করেঙ্গা জাতীয় অনেক ডায়লগ মা/র/ছিলেন কিন্তু আপনার স্ত্রী চি/ন্তা/য় ছিল, সেফটি এনসিওর না করা অব্দি আপনাকে বলেছিলাম রাস্তার লুম্পেনদের সাথে ঝা/মে/লা/য় না জড়াতে। প্রেস ডেকে কেওস না করে যা করার, যাদের বি/রু/দ্ধে করার সেটা লিগ্যালি করা উচিত। তাও আপনি ফুটেজ খাওয়ার জন্য প্রেসকে ডাকেন। আপনার হয়ত মনে নেই সেদিন এই সায়নী ঘোষ ওসির সাথে কথা বলে দ্রুত আপনার সাথে সবরকমভাবে কোঅপারেট করতে বলেছিলো এবং পুলিশের এসকর্ট এবং বাড়তি নি/রা/প/ত্তা সহ আপনাকে বাড়ি পৌঁছনোর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলো। পরবর্তী কালে আপনার এক্স ওয়াইফ আলাদা করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন (হয়তো আপনার করা কিছু কু/ক/র্ম সংক্রান্ত বিষয় আমাকে অবগত করার জন্য) কিন্তু নানান ব্য/স্ত/তা/র কারণে আমি যোগাযোগ করে উঠতে পারিনি। (এখন মনে হচ্ছে ওর ফোন টা তুললে বেশি ভালো হতো) কিন্তু তাও বলি তার মধ্যে এইটুকু ভ/দ্র/তা আছে যে যখন যেখানে দেখা হয়েছে অন্তত আড়ালে হলেও পূর্বে করা সহযোগিতাকে মান্যতা দিয়েছে। উৎসব দার অন্তর্ধান বিষয় আপনি msg করেন
৩রা এপ্রিল, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬.২৫, (মিলিয়ে নেবেন) আমি তখন আসামের নির্বাচনী প্রচারে অনেক ইন্টিরিয়রে থাকছি। উত্তর দিতে পারিনি। কিন্তু তার আগের দিন অর্থাৎ ২রা এপ্রিল রাতেই একজন সহকর্মী পরিচালিকা বান্ধবী আমার সাথে উৎসবদা কে নিয়ে যোগাযোগ করে এবং তার সাথে বিস্তারিত আ/লো/চ/না হওয়ার পর এটা পারিবারিক বিষয় হতে পারে, আরেকটু সময় নেওয়া দরকার ভেবে বিষয়টা তখনকার জন্য হোল্ড এ রাখার সি/দ্ধা/ন্ত নেওয়া হয় এবং পরবর্তীকালে থানা পুলিশ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে। সহযোগিতার আ/শ্বা/স দেওয়া হয়। ঈশ্বরের আশীর্বাদে তিনি কয়েকদিনের মধ্যেই সু/স্থ ভাবে বাড়ি ফিরে আসেন। এবং হাসিমুখে নিজের স্ত্রীর সাথে সেলফিও পোস্ট করেন। আপনি আদতে একজন সুবিধাবাদী। মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করা , যারা সুযোগ দিয়েছে তাদের পরবর্তীকালে খালি হাতে ফিরিয়ে দেওয়া, দুঃ/স/ম/য়ে যারা পাশে থেকেছে তাদের ছেড়ে চলে যাওয়া, প্রোডিউসার, ডিরেক্টর, টেকনিসিয়ান, মেকআপ ম্যান, হেয়ারড্রেসারদের কাছ থেকে অপরাজিতর সাকসেস এর পরে আপনার ওভারনাইট বদলে যাওয়ার বহু গল্প শুনেছি। আপনার কলিগরাও আপনার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেও বলেছেন। আমাকেও অনেক প্রেস অনেক সময় (আপনার কো এক্টর হওয়ার দরুন) আপনার চ/রি/ত্র সংক্রান্ত নানান প্রশ্ন করেছে , কখনও অকারণে কোনো মি/থ্যা/চা/র করেছি বলে মনে পরেনা।একটা বিষয় স্পষ্ট, রা/জ/নৈ/তি/ক/ভা/বে আপনার মতো লোকেরা আসলে বামের নীতি কথা বলে, তৃণমূলের খেয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়ে বেঁ/চে থাকতে চান, তাই, তোমার প্রতিটি বার্তার উত্তর দেওয়াটা আমার কাছে জরুরি মনে হয় না—বিশেষ করে যখন হাতে এর চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। একজন নির্বাচিত জন প্রতিনিধি, একজন সহকর্মী, একজন বন্ধু হয়ে আমি কার কার জন্য কি কি করি, কতটা করি, কেন করি তার সার্টিফিকেট আপনার কাছ থেকে অন্তত আমার নিতে হবেনা। তাই অনুরোধ রইলো, স্রোতে গা ভাসিয়ে আবোল তাবোল না বলে যেটা আপনার কাজ সেটা করে লাইমলাইটে থাকার চেষ্টা করুন। নাহলে ক্যামেরা দেখেই উল্টোপাল্টা বলতে বলতে হঠাৎ কখন টলিউডের কঙ্গনা রানাওয়াত হয়ে যাবেন ধরতে পারবেন না। যদিও কঙ্গনার অভিনয় দক্ষতা অসাধারণ এবং আপনিও একজন গুণী শিল্পী। কিন্তু বেলা অনেকটা বয়ে গেছে, এবার নিজেকে সত্যজিৎ রায় ভাবাটা বন্ধ করুন। আপনি আরও অনেক কিছু বলতে পারেন। চালিয়ে যান। তবে ঘুমানোর আগে আমাকে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে; তবুও আপনাদের সবার জন্য রইল শুভকামনা!”
এরপর চুপ করে থাকেননি জিতু কামাল ও সায়নীর করা একটা একটা অ/ভি/যো/গ তুলে নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছেন প্রত্যেকটা অ/ভি/যো/গে/র জবাব।
অভিনেতার মূল বক্তব্য, “যখন আমি আর আমার এক্স-ওয়াইফ বিরাটিতে আপনাদের দলের আশ্রিত লুম্পেনদের দ্বারা প্রবলেমে পড়ি, আমি বা আমার এক্স-ওয়াইফ আপনাকে ফোন করিনি ,আপনি একটি হোয়াটসঅ্যাপ ৮ ডিসেম্বর ২০২২, ৬.৩৪ পিএম (মিলিয়ে নেবেন)করেছিলেন যাতে পরিষ্কার প্রচ্ছন্ন একটি থ্রে/ট ছিল “এই ঘ/ট/না/টি/কে (টিএমসি আশ্রিত লুম্পেনরা আমার এক্স ওয়াইফকে রেপ করার হু/ম/কি দেন) সাধারণ ঘটনা হিসেবেই ট্রিট করো, নইলে বি/প/দে পড়বে”!
অভিনেতার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলায় জবাব দেন, “একটা এসএমএস বা একটা মেসেঞ্জার এর কোন উদাহরণ দেখিয়ে দিন যেখানে আমি কোন মহিলাকে অসম্মানজনক কথা বলেছি। আমার এক্স-ওয়াইফ এর কাছেও এই ধরনের কোনও অ/ভি/যো/গ কোনও দিনও ছিলো না। ম্যাডাম আমি ওয়ান উইমেন মেন।ছেলে আর মহিলা ঘঠিত আপনার করণীয় কাজগুলো একবার কি তুলে ধরবো? পরেরবার পার্সোনাল অ্যাটাক করলে নিশ্চয়ই তুলে ধরব, নিশ্চিন্তে থাকুন।”
এরপরই সায়নীকে ‘কন্ডোম কাণ্ডে’র কথা মনে করিয়ে জিতু কমলের সংযোজন, “আপনি ঈশ্বর মানেন নাকি? আপনি আমার মহাদেবের লিঙ্গে কনডম পরিয়ে খিল্লি করেছিলেন। আমি সুবিধাবাদী! আচ্ছা? কোন সুবিধাটা আমি আপনার থেকে নিয়েছি? টেকনিশিয়ানরা বলেছে, আমি বাজে ব্যবহার করি? তৃণমূলের খেয়ে বেচে আছি- বলতে আপনি কি বোঝাতে চাইলেন? জানেন আমার পরিবারের কেউই স্বাস্থ্যসাথী থেকে শুরু করে তৃণমূলের কোন ভাতাই আমরা নিই না। কারণ আমরা আপনাদের ওই জোচ্চুরি, চুরির টাকা নেব না। একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন। আমার পানিহাটি মিউনিসিপালিটি, ২১ নং ওয়ার্ড। আমি যদি আবোল তাবোল বকে থাকি, তাহলে আপনার মতো ব্যস্ত সাংসদ, দুঃখিত এখন তো বোধহয় কাকুর প্রোমোটিং ব্যবসাটা চাপে পরে বন্ধ রেখেছেন। তাই আপনি ফ্রি টাইম পাস করছেন। ৪ তারিখ পড়েছিস নৌকো থেকে তাই আর ফুটেজ খুঁজিস না, বোন।”