Ankush Hazra:নন্দনে রূপা গাঙ্গুলির মন্তব্যের ঢালাও প্রশংসা অঙ্কুশের…”কোথা থেকে চা/প এসেছে, কে চা/প দিয়েছে, এগুলো এখন বলতে গেলে…” কার চাপে রাজনীতির প্রচারে অঙ্কুশ? ইঙ্গিতপূর্ণ খোঁচা অতীত ‘রাজনৈতিক চাপ’ নিয়ে!

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Ankush Hazra: কালকেই নন্দনে দাঁড়িয়ে রূপা গাঙ্গুলি বলেছিলেন, নাটক নাটকের মতো মঞ্চস্থ হবে। থাকবে না কোনো ভেদাভেদ। এই বক্তব্যটি খুবই ভালো লেগেছে অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার।

তাঁর কথায়, “আজকে আমার একটা বক্তব্য খুব ভালো লাগল রূপাদির। নাটক নাটকের মতো হবে। যে যার মতো বক্তব্য রাখবে। সে যেই সরকারের হয়ে, যেই কথা বলুক না কেন বলতে পারে। এটা আমার খুব ভালো লাগলো শুনে। আমার মনে হচ্ছে যা পরিবর্তন আসছে ভালো থেকেই আসছে। ভালো হোক, আমি আশা করব। আমি আগেও বলেছি যে, যেই পরিবর্তনটা আমরা চিরকাল আশা করব, সেটা হচ্ছে আর যায় হোক যাই নিয়ম আসুক, সেটা কোনোদিন যাতে প্রডিউসার সিনেমা না বানাতে পারে, প্রডিউসারের ওপর চাপ পড়ল যে কোনো টেকনিসিয়ানদের ওপর চাপ পড়ল, সিনেমাটা কম্প্রোমাইজ হলো আলটিমেটলি গিয়ে, কোনো নিয়মই সেটা জাস্টিফাই করতে পারবে না। হয়ত অবশ্যই কোনো না কোনো নিয়ম থাকবে। কিন্তু সবকিছুই ফিল্মের জন্য হওয়া উচিত।প্রডিউসার বাঁচলেই আমরা সকলে বাঁচব। আমি যখন শুধু অভিনেতা ছিলাম তখনও এটা বিশ্বাস করতাম। এখন দুটো ছবি প্রডিউস করেছি বলে, প্রডিউসারদের মতো কথা বলছি সেটা নয়। আমি নিজেও অনুভব করেছিলাম যে আমি কাজ তখনই পাব যখন প্রডিউসার আমাকে ডেকে কাজ দেবে। তাই প্রডিউসারদের বাঁচাটা খুব দরকার। তো যাই নিয়ম থাকুক ,সেটাতে যেন ভালো করে সিনেমাটা হতে পারে।তাতে যেন কোনো বাধা না থাকে।”

এরপর রুদ্রনীল ঘোষের উদ্যেশ্যে অঙ্কুশ খোলাখুলি বলেন, “রুদ্রদার সাথে তো চিরকাল এই নিয়ে কথা হয়ে এসেছে আমার। রুদ্রদার বাড়িতে আড্ডা হোক, সেটা তোমার বিবাহ অভিযানের সময় হোক বা অন্য সময় হোক। তো রুডির সাথে সবসময় এই নিয়ে কথা হয়। আমি খুব খুশি যে যাদের, যাদের এখন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাদের সাথে তো বহুদিন ধরে আমার চেনা জানা। বিশেষত রুডি যদি আমি বলি, তাদের মানসিকতাটাও আমি জানি। যেমন বললাম রূপাদির বক্তব্যটা আমার খুব ভালো লাগল, তো এরকম মানুষ যদি হাল ধরে তাহলে আমি খুব খুশি হব।”

আরও পড়ুন:Saayoni-Jeetu:টলিউডে কাদা ছোড়াছুড়ি চরমে! সায়নীর ‘চরিত্র বিশ্লেষণ’-এর পাল্টা জবাবে বিস্ফোরক জিতু কমল, “ম্যাডাম আমি ওয়ান উইমেন মেন” আপনার করণীয় কাজগুলো কি তুলে ধরব, মহাদেবের লি’ঙ্গে ক’ন’ড’ম পরিয়ে খিল্লি করেছিলেন”

অঙ্কুশ আরও বলেন, “অভিনেতা যারা আমরা কোনোদিন কোনো পলিটিক্স করিনি। যদি কোনোদিন পলিটিক্যাল কোনো কিছুতে ১৫ জায়গায় ডাক হতো তাহলে, সেখান থেকে একটা বেছে নিতাম। আমি চিরকাল তাই করেছি। যেকোনো একটা বেছে নিয়েছি, যে চলো এখানে যাই, এতবার করে ডাকছে, সেটা কি পরিস্থিতিতে কোথা থেকে চাপ এসেছে, কে চাপ দিয়েছে, এগুলো আমি এখন বলতে গেলে অন্যভাবে দেখানো হবে বিষয়টা। অনেক ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। তাই আমি এখন সেগুলো বলছি না। আমাদের মতো সাধারণ অভিনেতারা যাঁরা শুধু কাজ করে খেতে চায়, শান্তিতে থাকতে চায়! নতুন সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদের রাজ্যের ভালো হোক। সাউথের ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক হয়েছে, যেমন সুন্দর সুন্দর ইনফোস্ট্রাকচার ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রির জন্য করা হয়েছে, ভালো ভালো কাজ এসেছে, অনেক ইনভেস্টরা এসেছে সুন্দর সুন্দর কাজ হয়েছে, সেটা যেন আরও গ্রো হয়। আর ইন্ডাস্ট্রির ভেতরকার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, তারাই আমরা নেই যারা সিনেমাটা করছি। যাদের সিনেমায় অবদান আছে। যদি মাথায় এইটা ঢুকে যায়, যে একটা বছর বা দু’বছর যদি ছবি না আসে তাহলে কি হারিয়ে যাব?এইটার চক্করে খারাপ ছবি বানানোর থেকে, আসতে রোয়েশোয়ে ভালো গল্প বানানো। এখন মানুষকে থিয়েটারে আনা খুব চ্যালেঞ্জিং হয়ে গেছে। এত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চলে এসেছে, তো থিয়েটারে কোন সিনেমা গিয়ে খুব আনন্দ করে দেখবে, তো সেরকম গল্প বেছে আনতে একটু তো টাইম লাগে।”

Leave a Comment