Sudipa-Swarup:”ক্ষমতার অলিন্দে ঘুরঘুর করতে ভালোবাসেন… খোঁজ নিন সজল ঘোষের পুজোয় ঢাক বাজাতে কিংবা ধুনুচি নাচে কীভাবে ডাক পাওয়া যাবে, এবার কিন্তু ওখানেই বেশি মাইলেজ…” টলিউডে দলবদলুদের তোপ সুদীপার

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Group Join Now

Sudipa-Swarup: স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারের পর তাঁর বিরুদ্ধে উঠে আসছে একের পর এক ভয়ঙ্কর সব তথ্য। অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। টলিউডের একাংশের এই তথাকথিত সুবিধাবাদী রাজনীতি ও দলবদলের খেলা নিয়ে এবার বিস্ফোরক সমাজমাধ্যম। তারকাদের এই দ্বিচারিতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন সঞ্চালিকা তথা টলিপাড়ার পরিচিত মুখ সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, রোজ রোজ অভিনয় করতে করতে অভিনেতা-অভিনেত্রীরা বোধহয় আসল আর নকলের ফারাকটাই ভুলে গিয়েছেন।

একসময় শাসক দলের একাধিক কর্মসূচিতে টলিউডের চেনা মুখদের উপস্থিতি নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে কম জলঘোলা হয়নি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই সুদীপা প্রশ্ন তুলেছেন, “রোজ,রোজ মুখে মুখোশ পরতে পরতে অভিনেতা- অভিনেত্রীরা কি মাঝেমাঝে দুটোর ফারাকটাও বুঝতে পারেন না?
এই কদিন আগে- ভাইফোঁটার কিংবা স্বরূপ বাবুর পেছনে হাঁটার কোনও একটা মুহূর্তেও ,কিংবা বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীকে নেমন্তন্ন করে ডেকে এনে,পাশে দাড়িয়ে ছবি তোলার সময়ও করো কি মনে হয়েছে- এনাদের কেউ মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে এসব করতে বাধ্য করেছেন?
গর্বে আর অহংকারে- এদের মাটিতে পা পড়তো না।
তাঁরা এখন একটু কদিন চুপ করে থাকুন না?
সব সময় lime light পেতেই হবে- এমন বাধ্যবাধকতা তো নেই?
কাজ করুন,মন দিয়ে?
রাস্তায় পুলিশ গাড়ি আটকালে- এখন কদিন নাই বা বললেন:”জানেন আমি কে?”
সুরুচি সংঘের পুজোয় আমাকেও ডাকা হয়েছে। চেতলা অগ্রিনীতেও নেমন্তন্ন পেয়েছি,শেষ দশ বছর ।
আমি আমার বাড়িতে পুজো বলে,যেতে পারিনি ।
কই,আমার মাথার ওপর তো কোনও খাঁড়া নেমে আসেনি?”

আরও পড়ুন:Ankush Hazra:নন্দনে রূপা গাঙ্গুলির মন্তব্যের ঢালাও প্রশংসা অঙ্কুশের…”কোথা থেকে চা/প এসেছে, কে চা/প দিয়েছে, এগুলো এখন বলতে গেলে…” কার চাপে রাজনীতির প্রচারে অঙ্কুশ? ইঙ্গিতপূর্ণ খোঁচা অতীত ‘রাজনৈতিক চাপ’ নিয়ে!

তিনি আরও বলেন, “কাজ চলে যাবার পরও,কখনও অভিযোগ করিনি,যে আমি দলের প্রচারে যাই না বলে- আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে…
এরকম কিছু হয় না।
শুনে রাখুন- এটা একমাত্র এমন একটা industry- যেখানে কাউকে কোনকিছু বাধ্য করা হয় না ।
নিজেরাই সুবিধে নিতে যান। ক্ষমতার অলিন্দে ঘুরঘুড় করতে ভালোবাসেন।
আমাকে মমতা ব্যানার্জি খুবই স্নেহ করতেন । আজও করেন। ববিদা- আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক । সুব্রত মুখার্জী- আমাদের অভিভাবকের মতো ছিলেন ।
কই- তারা কেউ একবারের জন্যও আমাকে দলের প্রচারে কিংবা কোনও মিছিলে ডাকেন নি?
কেন বলুন তো?
কারণ,জানতেন- বাড়িতে পুজোর ভোগ খেতে আমি যেতে পারি,কিন্তু প্রচারে আমি যাব না।
কেন? টাকার দরকার- আমার ছিল না? আমার ভালো লাগত না- পুরস্কার নিতে?
এবার দয়া করে,কদিন একটু চুপ করে থাকুন।
সঙ্গীত পরিচালক,পরিচালক,অভিনেতা,অভিনেত্রী, এবার খুব অ/স/হ্য লাগছে ।
আমরা যারা দূরে থেকেছি- তারা মুখ খুললে কিন্তু,বাকি public image টাও ধুয়ে যাবে ।
কদিন জমানো টাকায় কোথাও ঘুরে আসুন। public memory খুব poor । কদিন বাদে ভুলে যাবে। তারপর আবার নতুন জোশ নিয়ে আসরে নেমে পড়ুন?
আগে থেকে খোঁজ নিন- সজল ঘোষের পুজোয় ঢাক বাজাতে কিংবা ধুনুচি নাচে, কীভাবে ডাক পাওয়া যাবে। এবার কিন্তু ওখানেই বেশি milage….
আর ওরা খেলায় না নিলে- nostalgia সমেত Madox Square চলে যান….
একটা বছর না হয় নিজের পাড়ায় সিঁদুর খেলবেন ।
আসছে বছর,আবার হবে… জয় মা !”

Leave a Comment